AmaderBarisal.com Logo

বাউফলে কৃষকের পক্ষে লড়তে গিয়ে যুবলীগ নেতা মামলা জালে


আমাদেরবরিশাল.কম

৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ বৃহস্পতিবার ৪:১৯:২৩ অপরাহ্ন

patuakhali-news-map পটুয়াখালী সংবাদ মানচিত্র

বাউফল প্রতিনিধি ::: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর এলাকায় প্রায় ২৫ লাখ টাকার সরকারি প্রতারনা করে দখলের অভিযোগ পাওয়াগেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সোহাগ সিকদার লিখিত ভাবে উপজেলা সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কাছে জানায়। এ কারনেই ক্ষুদ্ধ হয় ওই চক্রটি যুবলীগ নেতার বিরদ্ধে একাধিক মামলা দেয়।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর মৌজার এসএ ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত ৩৬৪০ নম্বর দাগের ৪.৩৪ একর জমি যাহা নদী ও নৌকা চলাচলের জন্য ব্যবহার্য বলে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে যা চাষাবাদযোগ্য জমির শ্রেণিভূক্ত হয়েছে। স্থানীয় ভূমিহীন চাষিরা প্রতি বছর সরকার থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

সম্প্রতি ওই ইউনিয়নের মাহাফুজুর রহমান খান , বাবুল প্যাদা, জামাল হোসেন মুন্সি এবং জাহাঙ্গীর হোসেন জমা খারিজ মিস কেস নং ১০৪(বিপিএল)/১৯৮৩-৮৪ মাধ্যমে স্থানীয় ধুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার কর্তৃক ৭০৯/৮ খতিয়ান খুলে ওই জমি দাবি করেন। এনিয়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের সাথে তাদের বিবাদের সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি গত ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় যুবলীগ নেতা সোহাগ সিকদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত ভাবে অবহিত করেন এবং চলতি বছরের ১ জানুয়ারি সহকারি কমিশনার বাউফল বরাবরে এসএ এন্ড টি এ্যাক্ট এর ১৯৫০ এর ১৫০ ধারায় একটি মিস কেস যাহার নম্বর ২৮-বাউ/২০১৮-২০১৯ দায়ের করেন।

ওই মিস কেস সূত্রে জানা গেছে, মাহাফুজুর রহমান ওরফে খাজা গংদের দাবিকৃত মিস কেস নং ১০৪(বিপিএল)/১৯৮৩-৮৪ কোন হদিস বাউফল উপজেলা ভুমি অফিসে নেই। এছাড়া নতুন সৃজিত ৭০৯/৮ নম্বর খতিয়ানে ভূমি মালিকদের কোন ঠিকানা উল্লেখ নেই। অপরদিকে সরকারি খাস সম্পত্তি বন্দোবস্ত দলিল ব্যতিত নতুন কোন খতিয়ান খোলারও বিধান নেই।

অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, উপজেলা ভূমি অফিসের সরকারি গেজেটে ওই জমি নদী-নৌকা ইত্যাদি চলাচলের জন্য ব্যবহার্য লেখা রয়েছে। যাহা হস্তান্তরযোগ্য নয়। এদিকে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় স্বপ্রনোদিত হয়ে মিস কেস করায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওই ভূমি খেকো চক্রের বাবুল প্যাদা বাদি হয়ে সোহাগ সিকাদারসহ ১৭ জন নিরিহ লোকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারা সংযুক্ত করে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করে হয়রানি করছেন।

এব্যাপারে বাউফল উপজেলা সহকারি কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিজুস চন্দ্র দে জানান, বিষয়টি সম্পর্কে স্থানীয় তহশীলদারের কাছে প্রকৃত প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। বাদি বিবাদিকে কাগজপত্রসহ হাজির হওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তহশীলদারের প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : [email protected]
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।