Current Bangladesh Time
মঙ্গলবার নভেম্বর ১২, ২০১৯ ২:১৬ পূর্বাহ্ন
Barisal News
Latest News
প্রচ্ছদ » বরগুনা, বরগুনা সদর, সংবাদ শিরোনাম » মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ভয়ংকর!
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শুক্রবার ২:৪১:০৮ অপরাহ্ন
Print this E-mail this

মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ভয়ংকর!


এবার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন রিফাতের স্ত্রী মিন্নির

অনলাইন ডেস্ক ::: রিফাত হত্যাকাণ্ডের ২০ দিন পর গ্রেফতার হন তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। গ্রেফতারের পরই মিন্নি প্রধান সাক্ষী থেকে হন আসামি। পাঁচ দিনের রিমান্ডের দু’দিন শেষ হতেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। আদালতে দেয়া মিন্নির সেই জবানবন্দির একটি কপি পেয়েছে সাংবাদিকরা।

রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া মিন্নির সেই স্বীকারোক্তি হুবহু পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো।

‘আমি বরগুনা সরকারি কলেজে ডিগ্রি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি। ২০১৮ সালে বরগুনা আইডিয়াল কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পাস করি। আইডিয়াল কলেজে পড়াশোনা করাকালীন ২০১৭ সালে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই সময় রিফাত শরীফ বামনা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিল। রিফাত শরীফ আমাকে তার কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে পরিচয় করে দেয় তার মধ্যে নয়ন বন্ড একজন। কলেজে যাওয়া আসার পথে নয়ন বন্ড আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে জ্বালাতন করতো। আমি তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় সে আমার বাবা ও ছোট ভাইকে ক্ষতি করার ভয় দেখাতো। বিষয়টি আমি রিফাত শরীফকে জানাইনি।

আমি রিফাত শরীফকে ভালোবাসতাম। কিন্তু রিফাত শরীফ অন্য মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক করার কিছু বিষয় আমি লক্ষ্য করি এবং এ কারণে রিফাতের সঙ্গে আমার সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটে এবং আমি ধীরে ধীরে নয়ন বন্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ি এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আমি নয়নের মোবাইল নম্বরে আমার মায়ের মোবাইল নম্বর এবং নয়নের দেয়া নম্বর শেষে ৬১১৩ ও একটি নম্বর শেষে ৪৫ দিয়ে নয়নকে কল, ম্যাসেজ এবং ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কল দিতাম। বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াকালীন ধীরে ধীরে রিফাত ফরাজী, রিফাত হাওলাদার ও রাব্বি আকনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। রিফাত ফরাজী ও নয়ন বন্ডের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে নয়ন বন্ডের বাসায় আমার যাতায়াত ছিল। নয়নের বাসায় দুজনের শারীরিক সম্পর্কের কিছু ছবি ও ভিডিও নয়ন গোপনে ধারণ করে। যা আমি প্রথমে জানতাম না।

নয়নের বাসায় আমি প্রায়ই যেতাম এবং আমাদের শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে। এরপর গত ১৫/১০/১৮ আমি রোজী অ্যান্টির বাসায় যাওয়ার পথে বিকেল বেলা ব্যাংক কলোনি থেকে নয়ন বন্ড রিকশাযোগে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়।

নয়নের বাসায় গিয়ে আমি শাওন, রাজু, রিফাত ফরাজী এবং আরও ৭/৮ জনকে দেখি। শাওন বাইরে গিয়ে কাজী ডেকে আনে এবং নয়নের বাসায় আমার ও নয়নের বিয়ে হয়। তারপর আমি বাসায় চলে যাই। বাসায় গিয়ে নয়নকে ফোন করে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলি। তখন নয়ন বলে- ওইটা বালামে ওঠে নাই। বালামে না ওঠলে বিয়ে হয় না।

এরপরও আমি নয়নের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখি। নয়নের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি আমার পরিবারের কেউ জানে না। ২০১৯ সালের শুরুর দিকে কলেজ থেকে পিকনিকে কুয়াকাটা যাওয়ার বাস আমি মিস করি। তখন নয়নের মোটরসাইকেলে আমি কুয়াকাটা যাই এবং নয়নের সঙ্গে একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করি।

আমি নয়নের বাসায় আসা যাওয়া কালে জানতে পারি নয়ন মাদকসেবী, ছিনতাই করে এবং তার নামে থানায় অনেক মামলা আছে। এ কারণে নয়নের সঙ্গে আমার সম্পর্কের অবনতি হয় এবং রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার পূর্বের ভালোবাসার সম্পর্ক আবার শুরু হয়। গত ২৬ এপ্রিল পারিবারিকভাবে রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়নের সঙ্গে আমার দেখা-সাক্ষাৎ শারীরিক সম্পর্ক, মোবাইলে কথা-বার্তা, ম্যাসেজ এবং ফেসবুকের মেসেঞ্জারে যোগাযোগ-সবই চলতো।

বিয়ের পর জানতে পারি রিফাত শরীফও মাদকসেবী। সে মাদকসহ পুলিশের কাছে ধরা খায়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। আমি রিফাতসহ আমার বাবার বাসায় থাকতাম। মাঝে মাঝে তাদের বাসায় যেতাম। নয়ন বন্ডের বিষয় নিয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার মাঝে মাঝে কথা কাটাকাটি হতো এবং রিফাত শরীফ আমার গায়ে হাত তুলতো।

গত ২৪ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নয়ন বন্ড আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তোর স্বামী, হেলালের ফোন ছিনাইয়া নিয়েছে। পরে রিফাত ফরাজীও আমাকে ফোন দিয়ে বলে, হেলালের মোবাইলটি রিফাতের কাছ থেকে নিয়ে হেলালকে ফেরত দিতে। আমি রিফাত শরীফকে হেলালের ফোন ফেরত দিতে বললে রিফাত শরীফ আমাকে চড় থাপ্পড় মারে এবং তলপেটে লাথি মারে। রাতে মোবাইল ফোনে নয়নকে জানাই এবং কান্না করি।

পরদিন ২৫ এপ্রিল আমি কলেজে গিয়ে নয়নের বাসায় যাই। রিফাত শরীফকে একটা শিক্ষা দিতে হবে এ কথা নয়নকে বললে নয়ন বলে, হেলালের ফোন নিয়ে যে ঘটনা তাতে রিফাত ফরাজী তাকে মারবে। তারপর আমি বাসায় চলে আসি এবং এ বিষয়ে কয়েক বার আমার নয়ন বন্ডের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয় এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার স্বামী রিফাত শরীফকে মাইর দিয়া শিক্ষা দিতে হবে, এ পরিকল্পনা করি।

২৬ এপ্রিল আমি কলেজে যাই এবং সায়েন্স বিল্ডিং এর পাশের বেঞ্চের উপর রিফাত ফরাজী রাব্বি আকনকে বসা পাই। রিফাত হাওলাদার পাশে দাঁড়ানো ছিল। তখন আমি রিফাত ফরাজীর পাশে বসি এবং রিফাত ফরাজীকে বলি, ওকি ভাইটু খালী হাতে আসছ কেন, এ কথার জবাবে রিফাত হাওলাদার বলে, ওকে মারার জন্য খালি হাত যথেষ্ট।

এরপর রিফাত ফরাজীকে জিজ্ঞাসা করি, নয়ন বন্ড ও রিফাত শরীফ কলেজে এসেছে কীনা? তখন নয়ন বন্ড আমাকে ফোন দেয়। সে কোথায় জানতে চাইলে নতুন ভবনের দিকে যেতে বলে এবং ওই সময় নয়ন নতুন ভবনের পাশের দেয়াল টপকায়ে ভেতরে আসে। আমি হেঁটে নতুন ভবনের দিকে যাই এবং নয়নের সঙ্গে রিফাত শরীফকে মারপিটের বিষয়ে কথা বলি। এরপর রিফাত শরীফ কলেজের ভেতরে আসে এবং আমাকে নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য কলেজ থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলের কাছে নিয়ে আসে।

কিন্তু আমি মোটরসাইকেলে না উঠে সময় ক্ষেপণ করার জন্য পুনরায় কলেজ গেটে ফিরে আসি। রিফাত শরীফ আমার পেছন পেছন ফিরে আসে। তখন রিশান ফরাজী কিছু পোলাপানসহ আসে এবং রিশান ফরাজী জিজ্ঞাসা করে, তুমি আমার বাবা-মাকে গালি দিয়েছো কেন? রিফাত শরীফ বলে, আমি গালি দেই নায়। ওই সময় রিফাত ফরাজী জামার কলার ধরে এবং রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে। রিফাত ফরাজী, টিকটক হৃদয়, রিশান ফরাজীসহ রিফাত হাওলাদার এবং আরও অনেকে রিফাত শরীফকে পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মারধর করতে করতে এবং টেনে হেঁচড়ে ক্যালিক্সের দিকে নিয়ে যায়।

ক্যালিক্সের সামনে তারা রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। আমি তখন সবার পেছনে ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছিলাম। ওই সময় নয়ন বন্ড ক্যালিক্সের সামনে এসে রিফাত শরীফকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। মারপিটের মধ্যেই রিফাত ফরাজী টিকটক হৃদয় ও রিফাত হাওলাদার দৌড়ে যায় এবং রিফাত ফরাজী দুটি দা ও টিকটক হৃদয় এবং রিফাত হাওলাদার লাঠি নিয়ে আসে।

একটি দা দিয়ে নয়ন বন্ড ও ১টি দা দিয়ে রিফাত ফরাজী রিফাত শরীফকে কোপাচ্ছিল। রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে রাখে যাতে রিফাত শরীফ পালাতে না পারে। রিফাত শরীফকে কোপাইতে দেখে আমি নয়ন বন্ডকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করি। দায়ের কোপের আঘাতে রিফাত শরীফ রক্তাক্ত হয়। সে রক্তাক্ত অবস্থায় পূর্ব দিকে হেঁটে যায় এবং আমি রাস্তায় পড়ে থাকা জুতা পরি এবং উপস্থিত একজন আমার হাতে ব্যাগ তুলে দিলে আমি রিকশা করে তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি।

এরপর আমার বাবাকে ফোন করি। আমার বাবা ও চাচা হাসপাতলে আসে। এরপর রিফাত শরীফকে বরিশাল পাঠানো হয়। আমার কাপড়-চোপড়ের রক্ত লেগে থাকায় আমি বাসায় চলে যাই। পরে আমি জানতে পারি রিফাতের অবস্থা খারাপ। এরপর নয়নকে ফোনে বলি তোমরা ওকে যেভাবে কোপাইছো তাতে তো ও মারা যাবে এবং তুমি আসামি হবা। তারপর ওর অবস্থান জানতে চাই এবং পালাতে বলি। দুপুরের পর খবর পাই রিফাত শরীফ মারা গেছে।’

সে কেন ছবি তুলল: এদিকে সাংবাদিক না হয়েও বোরকা পরে নারী সেজে মিন্নির ছবি তোলা মানুষটি কে? পুলিশ প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছেন মিন্নির বাবা। তিনি মনে করেন, তার মেয়ে ও পরিবারের সবাইকে শেষ করে দিতে ছক এঁকেছে তার শত্রুরা।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রিফাত হত্যা মামলার অভিযোগপত্রের শুনানির দিন আদালতের কার্যক্রম শুরুর আগে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা এ মামলার অপর সাত অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। সকালে অভিযোগপত্রের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও মামলার মূল নথি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় শুনানি শুরু হতে বিলম্ব হয়। এ অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী অভিযোগপত্র শুনানির জন্য দুপুর ২টায় নির্ধারণ করেন।

এর আগে আদালতে হাজির হতে সকাল ৯টার দিকে মিন্নি তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে আসেন। আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত বাবার সাথেই আদালতের একটি কক্ষে অবস্থান করেন মিন্নি। এসময় অভিযোগপত্র শুনানির জন্য বিচারক দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করায় বেলা ১১টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে বাসায় যান মিন্নি।

আদালত থেকে বেরিয়ে বাবার মোটরসাইকেলে ওঠার আগ পর্যন্ত মিন্নির ছবি সংগ্রহ করেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। মামলার শুনানিকে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গন নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সকাল থেকে পুলিশ ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন। এরআগেও রিফাত হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের পর আদালতে সোপর্দ, রিমান্ড শুনানি, স্বীকারোক্তি প্রদানসহ মামলার জামিন শুনানির দিন বরগুনার আদালত প্রাঙ্গণ ছিল নিরাপত্তাবেষ্টনীতে মোড়ানো।

নিরাপত্তার মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে দাড়িয়ে যখন সাংবাদিকরা যখন মিন্নির ছবি তুলছিলেন তখন মোবাইল হাতে মিন্নির ছবি তুলতে হাজির হন এক বোরকা পরিহিত নারী। সংবাদকর্মীদের পাশাপাশি মিন্নির ছবি তুলছেন ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয় স্থানীয় সাংবাদিকদের। সর্বাঙ্গ ঢেকে মিন্নির ছবি তোলা ওই ব্যক্তি ‘নারী নয় বরং পুরুষ’এমনটিও বলেছেন কেউ কেউ। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে থাকা কয়েকজন সাংবাদিক বলেন, অভিযোগপত্রের শুনানি থাকায় বুধবার সকাল ৯টার দিকে আদালতে উপস্থিত হন মিন্নি। আদালতের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় এজলাসের পাশের একটি কক্ষে বাবার সঙ্গে বসে থাকেন তিনি। এ সময় হাত-পায়ে মোজা ও বোরকা পরিহিত এক ব্যক্তি মিন্নির কক্ষের বাইরে ঘোরাফেরা করেন। তবে বিষয়টি তখন আমরা গুরুত্ব দেইনি।এরপর আদালত প্রাঙ্গণে ছবি তোলার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে মিন্নির ছবি তুলেছেন ওই ব্যক্তি। তাকে দেখে মনে হয়েছে, ‘তিনি নারী নয়, পুরুষ।’

বরগুনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা কাদের জানান, বোরকা পরিহিত নারীকে মনে হয়েছে তিনি পুরুষ। কারণ তিনি সকল পুরুষের মাঝে গিয়ে অনায়াসে ছবি তুলছিলেন। এতে মিন্নিসহ মিন্নির পরিবার আরো ভীত হয়ে যাচ্ছে। বোরকা পরিহিত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে পারলে জানা যাবে আসলে সে কে?।

মিন্নির বাবা মো. মোজাম্মেল হোসেন কিশোর জানান, বোরকা পরিহিত নারী সেতো সাংবাদিক না, কেনো ছবি তুললো, আমি জানতে চাই বোরকা পরিহিত মহিলা কে?। আমার পরিবারকে বাঁচতে দিন। পুলিশের কাছে এমন অনুরোধ তিনি বলেন, মিন্নিকে নিয়ে আদালত থেকে তারাতারি বের হবার কারণে বোরকা পরিহিত নারীকে দেখেও আমি তাকে কিছু বলতে পারিনি। তাছাড়া ওই নারী সেজে ছবি তোলা ব্যক্তি আমার পরিবারের সদস্য নয়। তাকে খুঁজে বের করুন।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, ঘটনাটি সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমরা জেনেছি। বোরকা পরিহিত ওই নারীর খোঁজ নিতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। তথ্য সূত্র: জাগো নিউজ, বাংলা নিউজ

সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ

শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
‘বুলবুল’র তাণ্ডবে বরিশালে কৃষকের মাথায় হাত
ভোলায় খোলা আকাশের নিচে শতাধিক পরিবার
ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা কাটেনি
পটুয়াখালীতে ২৮১০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ২৭ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ-নেটওয়ার্ক সচল
বুলবুল কেড়ে নিল বরিশালের ৬ প্রাণ
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০১৪

প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: [email protected]