Current Bangladesh Time
সোমবার আগস্ট ১০, ২০২০ ৫:২৩ অপরাহ্ন
Barisal News
Latest News
প্রচ্ছদ » তালতলী, বরগুনা » তালতলীতে মহামারি করোনার এই মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য সেবা
৬ জুলাই ২০২০ সোমবার ৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন
Print this E-mail this

তালতলীতে মহামারি করোনার এই মুহুর্তে ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য সেবা


উপজেলা ঘোষণার ৮ বছরেও প্রতিষ্ঠা হয়নি তালতলী উপজেলা হাসপাতাল

একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাধ্যমে চলে স্বাস্থ্য সেবা

জাকির হোসেন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

উপজেলা ঘোষণার ৮ বছরেও প্রতিষ্ঠা হয়নি তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সাবেক
আমতলী উপজেলায় থাকা কালীন প্রতিষ্ঠিত বরবগী ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর ভরসা করে চলে তালতলী উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা। এটি চলে এখন আমতলী উপজেলার একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে। এবং নিয়ন্ত্রনও করেন আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তালতলীতে উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘোষনা না হওয়ায়চিকিৎসক সহ প্রয়োজনীয় ওষুধ বরাদ্দ সহ ভবন থাকলেও ইনডোর চালু করতে পারছে না স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এখন একজন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎকের উপর ভরসা করেই চলতে হয় তালতলী বাসীর। এতে করোনার এই ভয়াবহ মুহুর্তে তালতলী বাসীর স্বাস্থ্য সেবা একে বারে ভেঙ্গে পড়েছে।
২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি আমতলী উপজেলার ৩টি ইউনিয়কে তালতলীর অন্তভূক্ত করে ৭টি ইউনিয়নে রুপান্তর করে তালতলী উপজেলা ঘোষণা করা হয়। উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর তালতীতে সকল প্রশাসনিক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করে একটি নান্দনিক উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনও নির্মান করে সরকার। এত কিছু করার পরও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাস্থ্য সেবা জরুরী ভাবে চালু করার কথা থাকলেও উপজেলা প্রতিষ্ঠার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রতিষ্ঠা করা হয়নি তালতলী উপজেলা হাসপাতাল।
বিএনপি সরকার তালতলী উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নামে একটি ভবন নির্মান করে
এবং ২০০৬ সালে তরিঘড়ি করে বিএনপির এমপি মতিয়ার রহমান তালুকদার পার্শ্ববর্তী
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ডেপুটেশনে ডাক্তারসহ ১৭ জন ষ্টাফ নিয়ে
তালতলীর ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চালু করেন। ক্ষমতা পরিবর্তনের ২ মাসের মাথায়
ষ্টাফদের ডেপুটেশন বাতিল হলে তারা পূর্বের কর্মস্থলে ফিরে যান। এর পর থেকেই
চিকিৎসা সেবায় বঞ্চনা শুরু হয় তালতলী বাসীর। তালতলী উপজেলাটি সাগড় পারের
উপজেলা। অত্যান্ত দুর্গম এলাকা। প্রতিনিয়ত তারা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। অথচ
উপজেলায় নেই কোন হাসপাতাল। নেই কোন এ্যাম্বুলেন্স। মুমুর্ষ অসহায় দরিদ্র
রোগীদের আল্লাহর উপর কিংবা ওঝা কবিরাজের উপর ভরসা করা ছাড়া তাদের আর কোন উপায় থাকে না। একটু ভিত্তশালীরা পাশ্ববর্তী আমতলী কিংবা অন্য কোথাও নিয়ে চিকিৎসা করান। আর গরীব হত দরিদ্ররা মরেন বাড়িতে বসে। এখানে পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক, ওষুধ সামগ্রী, এ্যাম্বুলেন্স কিছুই দিতে পারছে
না। পারছেনা রোগীদের জন্য ইনডোর ব্যবস্থা চালু করতে। বছরের পর বছর তালতলী উপজেলা পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল চালুর জন্য স্বাস্থ মন্ত্রণালয়ে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি চালাচালি করলেও কোন কাজ হয়নি বলে জানান স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমতলী-তালতলী সংসদীয় আসনে নির্বান করে
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন
তিনি এই তালতলীতে উপজেলায় রুপান্তর করার ঘোণা দিয়েছিলেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী
তালতলী থানাকে উপজেলায় রুপান্তর করেন। কিন্ত উপজেলা ঘোষণার দীর্ঘ ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও তালতলীতে এখনো একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়নি। ফলে এ উপজেলায় বসবাসরত আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা একবারে ভেঙ্গে পড়েছে।

তালতলী উপজেলার সচেতন নাগরিক পরিষদের নেতা ইদ্রিসুর রহমান হৃদয় জানান, তালতলী উপজেলা জনন্ত্রে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সৃষ্টি একটি উপজেলা। তিনি মানবতার মা। তালতলীতে সকল প্রশাসনিক অফিস প্রতিষ্ঠা হলেও এখনও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়নি। ফলে আড়াই লাখ মানুষ মৌলিখ অধিকার স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আশা করি তিনি
তালতলী বাসীর মুখের দিকে তাকিয়ে একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল ঘোষনার নির্দেশ
দিবেন।
তালতলী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজবী উল কবির জোমাদ্দার বলেন, দেশে মহামারি করোনায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সেখানে আমতলী হাসপাতাল না থাকায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানাবো তালতলীতে যেন পূর্নাঙ্গ হাপাতাল ঘোষনার নির্দেশ প্রদান করেন।
তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক ছোট বগী ইউপি চেয়ারম্যান
তৌফিকুজাম্মান তনু বলেন, করোনার এই মুহুর্তে তালতলী বাসীর কথা চিন্তা করে
এখানে দ্রæত একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা জরুরী হয়ে পড়েছে।
তালতলীর বড়বগী ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়েজিত চিকিৎসক ডা. মো.
ফাইজুর রহমান জানান, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে এবং আমতলী হাসপাতাল থেকে ধার
করে যে সামন্য ওষুধ পাই তা দিয়ে আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছি।
এখানে রোগীর ভুর্তির কোন ব্যবস্থা নেই। ইনডোর চালু নেই।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (তালতলীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা) ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, তালতলীতে পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল ঘোষনা না করায় আমরা সেখানে লোক বল এবং ওষুধ সামগ্রী দিতে পারছি না। করোনার এই মুহুর্তে আমতলী
হাসপাতালের নামে বরাদ্দ করা সামন্য ওষুধ তালতলীতে দিয়ে থাকি এই দিয়ে চলছে
চিকিৎসা সেবা। বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন শাহিন খান বলেন, তালতলী উপজেলায় পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রলায়ে চিঠি দিয়েছি। আশা করি শিঘ্রই আমরা অনুমোদন পাবো। অনুমোদন পাওয়া গেলে লোক বল নিয়োগ হবে তখন তালতলীতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আর কোন সমস্যা থাকবে না।

উপজেলা ঘোষণার ৮ বছরেও প্রতিষ্ঠা হয়নি তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সাবেক
আমতলী উপজেলায় থাকা কালীন প্রতিষ্ঠিত বরবগী ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর ভরসা করে চলে তালতলী উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা। এটি চলে এখন আমতলী উপজেলার একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে। এবং নিয়ন্ত্রনও করেন আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

তালতলীতে উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘোষনা না হওয়ায় চিকিৎসক সহ প্রয়োজনীয় ওষুধ বরাদ্দ সহ ভবন থাকলেও ইনডোর চালু করতে পারছে না স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এখন একজন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎকের উপর ভরসা করেই চলতে হয় তালতলী বাসীর। এতে করোনার এই ভয়াবহ মুহুর্তে তালতলী বাসীর স্বাস্থ্য সেবা একে বারে ভেঙ্গে পড়েছে।

২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি আমতলী উপজেলার ৩টি ইউনিয়কে তালতলীর অন্তভূক্ত করে ৭টি ইউনিয়নে রুপান্তর করে তালতলী উপজেলা ঘোষণা করা হয়। উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর তালতীতে সকল প্রশাসনিক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করে একটি নান্দনিক উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনও নির্মান করে সরকার। এত কিছু করার পরও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাস্থ্য সেবা জরুরী ভাবে চালু করার কথা থাকলেও উপজেলা প্রতিষ্ঠার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রতিষ্ঠা করা হয়নি তালতলী উপজেলা হাসপাতাল।

বিএনপি সরকার তালতলী উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নামে একটি ভবন নির্মান করে
এবং ২০০৬ সালে তরিঘড়ি করে বিএনপির এমপি মতিয়ার রহমান তালুকদার পার্শ্ববর্তী
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ডেপুটেশনে ডাক্তারসহ ১৭ জন ষ্টাফ নিয়ে
তালতলীর ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চালু করেন। ক্ষমতা পরিবর্তনের ২ মাসের মাথায়
ষ্টাফদের ডেপুটেশন বাতিল হলে তারা পূর্বের কর্মস্থলে ফিরে যান। এর পর থেকেই
চিকিৎসা সেবায় বঞ্চনা শুরু হয় তালতলী বাসীর। তালতলী উপজেলাটি সাগর পারের
উপজেলা। অত্যান্ত দুর্গম এলাকা। প্রতিনিয়ত তারা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। অথচ
উপজেলায় নেই কোন হাসপাতাল। নেই কোন এ্যাম্বুলেন্স। মুমুর্ষ অসহায় দরিদ্র
রোগীদের আল্লাহর উপর কিংবা ওঝা কবিরাজের উপর ভরসা করা ছাড়া তাদের আর কোন উপায় থাকে না। একটু ভিত্তশালীরা পাশ্ববর্তী আমতলী কিংবা অন্য কোথাও নিয়ে চিকিৎসা করান। আর গরীব হত দরিদ্ররা মরেন বাড়িতে বসে।

এখানে পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক, ওষুধ সামগ্রী, এ্যাম্বুলেন্স কিছুই দিতে পারছে না। পারছেনা রোগীদের জন্য ইনডোর ব্যবস্থা চালু করতে। বছরের পর বছর তালতলী উপজেলা পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল চালুর জন্য স্বাস্থ মন্ত্রণালয়ে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি চালাচালি করলেও কোন কাজ হয়নি বলে জানান স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমতলী-তালতলী সংসদীয় আসনে নির্বান করে
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন
তিনি এই তালতলীতে উপজেলায় রুপান্তর করার ঘোণা দিয়েছিলেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী
তালতলী থানাকে উপজেলায় রুপান্তর করেন। কিন্ত উপজেলা ঘোষণার দীর্ঘ ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও তালতলীতে এখনো একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়নি। ফলে এ উপজেলায় বসবাসরত আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা একবারে ভেঙ্গে পড়েছে।

তালতলী উপজেলার সচেতন নাগরিক পরিষদের নেতা ইদ্রিসুর রহমান হৃদয় জানান, তালতলী উপজেলা জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সৃষ্টি একটি উপজেলা। তিনি মানবতার মা। তালতলীতে সকল প্রশাসনিক অফিস প্রতিষ্ঠা হলেও এখনও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়নি। ফলে আড়াই লাখ মানুষ মৌলিখ অধিকার স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আশা করি তিনি তালতলী বাসীর মুখের দিকে তাকিয়ে একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল ঘোষনার নির্দেশ দিবেন।
তালতলী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজবী উল কবির জোমাদ্দার বলেন, দেশে মহামারি করোনায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সেখানে আমতলী হাসপাতাল না থাকায় প্রায় আড়াই লাখ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পায় না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানাবো তালতলীতে যেন পূর্নাঙ্গ হাপাতাল ঘোষনার নির্দেশ প্রদান করেন।

তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক ছোট বগী ইউপি চেয়ারম্যান তৌফিকুজাম্মান তনু বলেন, করোনার এই মুহুর্তে তালতলী বাসীর কথা চিন্তা করে
এখানে দ্রুত একটি পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা জরুরী হয়ে পড়েছে।
তালতলীর বড়বগী ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়েজিত চিকিৎসক ডা. মো.
ফাইজুর রহমান জানান, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে এবং আমতলী হাসপাতাল থেকে ধার
করে যে সামন্য ওষুধ পাই তা দিয়ে আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছি।
এখানে রোগীর ভুর্তির কোন ব্যবস্থা নেই। ইনডোর চালু নেই। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (তালতলীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা) ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, তালতলীতে পূর্নাঙ্গ হাসপাতাল ঘোষনা না করায় আমরা সেখানে লোক বল এবং ওষুধ সামগ্রী দিতে পারছি না। করোনার এই মুহুর্তে আমতলী হাসপাতালের নামে বরাদ্দ করা সামন্য ওষুধ তালতলীতে দিয়ে থাকি এই দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা।

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন শাহিন খান বলেন, তালতলী উপজেলায় পূর্নঙ্গ
হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রলায়ে চিঠি দিয়েছি। আশা করি শিঘ্রই
আমরা অনুমোদন পাবো। অনুমোদন পাওয়া গেলে লোক বল নিয়োগ হবে তখন তালতলীতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আর কোন সমস্যা থাকবে না।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক

শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
যারা রক্তপাত ঘটিয়েছে তাদের মুখে গণতন্ত্র মানায় না : সেতুমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার পর্যায়ের নির্বাচনে অভিন্ন আইন হচ্ছে
করোনার টিকা পাবে বাংলাদেশও, ২৫৪ টাকায় ডোজ
করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯০৭
বরিশালের ৬ জেলা পেলো ১৪ হাই ফ্লো-ন্যাসাল ক্যানোলা
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০২০

প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: hello@amaderbarisal.com