AmaderBarisal.com Logo

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বানিজ্য


আমাদেরবরিশাল.কম

২০ অক্টোবর ২০২০ মঙ্গলবার ৪:১৯:০৬ অপরাহ্ন

জাকির হোসেন,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে আমতলী একে হাই সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহাকরী শিক্ষক গত ৭ মাস ধরে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কোচিং বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। সোমবার ছিল তার কোচিং সেন্টারের ইংরেজী পরীক্ষা। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে শিক্ষক মাইনুল ওইদিন সন্ধ্যায় পরীক্ষা বন্ধ করে পালিয়ে যান।

জানাগেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদূভাবের কারনে গত ১৭ মার্চ সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করে সরকার। ওই সময় থেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আমতলী একে হাই সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাইনুল ইসলাম কোচিং বানিজ্য বন্ধ করেনি। সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে গত এপ্রিল মাস থেকে স্কুল স্ধসঢ়;ংলগ্ন পল্লবী আবাসিক এলাকায় ফজলুর রহমানের ঘর ভাড়া নিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কোচিং বানিজ্য চালিয়ে আসছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে করোনা ভাইরাসে স্কুল বন্ধের সুযোগ নিয়ে শিক্ষক মাইনুল প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাসে দুই হাজার পাচ’শ টাকা কোচিং ফি আদায় করছেন। দুই সিফটে ভাগ করে তার কোচিং সেন্টারে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীকে পাঠদান করাচ্ছেন তিনি।
প্রত্যেক সিফটে ৫০ জন করে পঞ্চম,চতুর্থ ও তৃর্তীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী রয়েছে। তার কোচিং সেন্টারে পরার সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানা হতনা। সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে গত সাত মাসে মাঈনুল অন্তত পনের লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি কোচিং সেন্টারে পাঠদান করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি প্রতি দুই মাস অন্তর অন্তর কোচিং ফি আদায়ের জন্য একটি কক্ষে গাদা-গাদি করে শিক্ষার্থীদের বসিয়ে পরীক্ষা নিতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কোচিং সেন্টারের পঞ্চম ও চতুর্থ শ্রেনীর কয়েক জন অভিভাবক বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল বন্ধ থাকায় ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া বাসায় রেখেই চালিয়েছিলাম কিন্তু মাইনুল স্যার বাসায় গিয়ে ছেলে মেয়েদের নিয়ে আসেন। তারা আরো বলেন, আমরা ছেলে মেয়ে কোচিংয়ে দিতে চাইনি কিন্তু স্যারের কারনে পারিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টার পরিচালনা কারী একে হাই সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, অভিভাবকের পিরাপিরিতে অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্লাস নিয়েছি। পরীক্ষা শেষ করেই কোচিং বন্ধ করে দেব।
আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষক মাইনুলের কোচিং বানিজ্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরগুনা জেলা শিক্ষা অফিসার এমএম মিজানুর রহমান, বিষয়টি আমার জানা নেই। উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দ্রæত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেয়া হবে।



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।