কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বীজ কেনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ জিয়াউল হাসান পলাশ
ঝালকাঠী: ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় রায়ের বিরুদ্ধে বীজ ক্রয়ে টাকা আত্মসসহাত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, চাষীদের কাছ থেকে ক্রয় করা প্রায় ৩ টন বীজের নির্ধারিত দর ছিল ৩১ টাকা কেজি। কিন্তু তিনি ১২ থেকে ১৯ টাকা কেজিতে এ বীজ কিনে বাড়তি টাকা আত্মসাৎ করেন। সম্প্রতি বোরো মৌসুমে বিরি-২৮ জাতের প্রচুর চাহিদা ছিলো। কিন্তু বিএডিসি পর্যাপ্ত বীজ সরবরাহ করতে পারেনি। তাই কৃষি কর্মকর্তা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কমমূল্যে কাচা বীজ ক্রয় করে সরকারি বরাদ্দ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
সদর উপজেলার বেতলোচ গ্রামের কৃষক গোপাল জানান, কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় রায় আমার কাছ থেকে ৭৮০ টাকা মন দরে (১৯.৫০ টাকা কেজি) বিরি-২৮ জাতের ৩০ মন বোরো বীজ কিনেছে। আমাকে কোন সরকারি রশিদ দেয়া হয়নি। নলছিটির ষাটপাকিয়া ব¬কের এক কর্মকর্তা জানান, কৃষকের কাছ থেকে চিন্ময় রায় স্যার কাচা বোরো বীজ কিনেছে ৫৫০ টাকা (১২ টাকা কেজি) দরে ৭/৮ মন। কিন্তু সরকার নির্ধারিত রেট ছিলো ৩১ টাকা।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় রায় বলেন, বিএডিসি থেকে বীজ পর্যাপ্ত সরবরাহ করতে না পারায় আমিই কিনেছি। বিএডিসি নির্ধারিত ৩১ টাকা দরে এ বীজ ক্রয় করেছি। বীজ ক্রয়ের কৃষককে কোন রশিদ দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৃষক আমাকে বিক্রির কোন রশিদ দেয়নি। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের জেলা শষ্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই বীজ ক্রয়ের কমিটিতে আমার থাকার কথা। কিন্তু ছুটিতে থাকায় আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা।
(আমাদের বরিশাল ডটকম/ঝালকাঠী/জিহাপ/মচপ)
সম্পাদনা: বরিশাল ডেস্ক |