সংবাদ প্রকাশের জের বাউফলে সাংবাদিক লাঞ্চিত, হাত পা ভেঙ্গে দেয়ার হুমকি জেলা প্রতিনিধি
পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর বাউফলের এমপি ও সংসদের হুইপ আ স ম ফিরোজের বক্তব্যে সাংবাদিকরা মোনাফেক, কুলাঙ্গার ও বেঈমান বলায় সেই শিরোনামে খবর প্রকাশ করায় আমারদেশ পত্রিকার স্থাণীয় প্রতিনিধি জলিলুর রহমান জলিলকে মারধর করেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি হারুন-অর-রশিদের নেতৃত্বে ফিরোজের ক্যাডাররা। এ সময় তারা ওই সাংবাদিককে পরবর্তীতে আর কোন খবর প্রকাশ করলে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার হুমকিও দিয়েছে ক্যাডাররা। আজ বৃহম্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বাউফল থানা সংলগ্ন প্রফেসরর্স কম্পিউটারের ব্যবসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
লাঞ্চিতের স্বীকার সাংবাদিক জলিল জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই হারুনের নেতৃত্বে ৪/৫ জনের একটি দল ওই প্রতিষ্ঠানে ঢুকে খবর প্রচার করা হয়েছে কেন বলে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে। এক পর্যায়ে সাধারন মানুষ এসে পড়লে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এ ঘটনায় বাউফলের সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তাৎক্ষনিক ভাবে এ ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বাউফলে কর্মরত সাংবাদিকরা।
বাউফল থানা অফিসার ইন চার্জ জুলফিকার মোহাম্মদ গাজ্জালি আমাদের বরিশাল ডটকমকে বলেন, আমি জলিল ভাইর সাথে কথা বলেছি, সে আমাকে জানিয়েছেন যে হারুন ভাইর সাথে কথাকাটাকাটি হয়েছে। আমি জলিল ভাইকে থানায় অভিযোগ দিতে বলেছি।
ওসির সাথে কথা কাটাকাটির বিষয় বলেননি বলে জলিল দাবী করেছেন। তিনি বলেন ঘটনা যা ঘটেছে তাই আমি ওসি সাহেবকে বলেছি। ক্ষমতাশীন দলের চাপে ওসি লাঞ্চিতের বিষয়টি চেপে যেতে পারেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হারুন-অর-রশিদ বলেন, সাংবাদিক লাঞ্চিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। শুধু মাত্র কথাকাটাকাটি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে বাঊফলের একাধিক পূজা মন্ডপে গিয়ে পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনের সাংসদ ও হুইপ আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বিষোদাগার করে বক্তৃতা দেন। এ সংক্রান্ত সংবাদ আমাদের বরিশাল ডটকমসহ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়।
সম্পাদনা: ডিভিশনাল ডেস্ক |