ভোলায় গাছচাপায় একজনের মৃত্যু
[সংবাদটি হালনাগাদ করা হয়েছে। হালনাগাদকৃত সংবাদ দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ভোলায় ঘূর্ণিঝড়ে আট শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, নিহত ৪]
ভোলা :: ভোলায় ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল ঝড়ো হাওয়ার গাছ ভেঙে পড়ে কাশেম (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ১৬ মে বৃহস্পতিবার সকালে ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলিগৌরনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মহাসেনের প্রভাবে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। উপজেলা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ কাশেমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধলিগৌরনগর এলাকায় প্রবল বাতাসে একটি গাছ ভেঙে পড়লে আবুল কাশেম (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
ভোলা রেডক্রিসেন্টের সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকাজের জন্য সদর উপজেলার তুলাতুলি ঘাটে পাঁচি ইঞ্জিনচালিত নৌকা বেঁধে রাখা হয়েছিল। সকালে প্রবল ঝড়ো হাওয়ার মধ্যে সেগুলো ডুবে গেছে। এছাড়া ধালচড় এলাকায় ঝাড়ো বাতাসে ১২টি কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাশেম মঞ্জু জানান।
ভোলার জেলা প্রশাসক খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে আসায় বুধবারই ১৩ হাজার মানুষকে জেলার চর, দ্বীপ ও উপকূলবর্তী এলাকাগুলো থেকে সরিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন, তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবারের ও ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ভোলা সংলগ্ন তেতুলিয়া নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেশি উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ৩/৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে জেলার বেড়ি বাঁধের বাইরের বিস্তির্ণ এলাকা।
ঝড়ের কারণে বুধবার বিকাল থেকেই ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভোলা-বরিশাল রুটের ফেরী সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। ভোলা থেকে সব রুটের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় কার্যত সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে ভোলা।
দুর্যোগ মোকাবেলায় ভোলায় নয় হাজার ১৩৫ জন সেচ্ছাসেবক , ৭টি মনিটরিং সেল ও ৯২টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |