প্রকৃত জেলে সনাক্ত নিয়ে সংশয় বরিশালে জেলে নিবন্ধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ
বরিশাল :: বরিশালে জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রমে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কার্যক্রম শুরুর তিন দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত জেলে সনাক্তের কাজ শুরুই হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন পেশার দলীয় কর্মীদের জেলে হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করছে। এমন অনিয়মে বাদ যাচ্ছে না সরকারি কর্মকর্তা কিংবা জনপ্রতিনিধিরাও। তবে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: ওয়াহেদুজ্জামান জানিয়েছেন, এ কার্যক্রমে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর কোন সুযোগ নেই।
গত ১৫ মে থেকে জেলার দুটি উপজেলা যথাক্রমে হিজলা ও বাবুগঞ্জে জেলাদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার নিদের্শনা দেয় মৎস্য বিভাগ। তবে ওই দুটি উপজেলায় এখনও নিবন্ধন কাজ শুরু হয়নি।
হিজলা উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো: এনামুল হক আমাদের বরিশাল ডটকমকে জানান, কাগজে কলমে কার্যক্রম শুরুর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা শুরু হয়নি। তিনি জানান, ৪০জন শিক্ষককে প্রশিক্ষনের পর তাদের জেলে গননার কাজে মাঠে নামানো হবে।
হিজলা উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পদক নুরুল আলম রাজু জানান, জেলেদের ভিজিএফ কার্যক্রমে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা যেমন প্রভাব খাটিয়ে জেলের পরির্বতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের কার্ড দিয়েছে এক্ষেত্রেও একই হবে।
হিজলা ক্ষুদ্র মৎসজীবী সমিতির সভাপতি ও উপজেলা আলীগের সহ-সভাপতি এনায়েত হোসেন হাওলাদার জানান, জেলেদের ভিজিএফ কার্যক্রমে প্রকৃত জেলেরা মোট ১৯শ কার্ডের মধ্যে কার্ড পেয়েছে মাত্র ৩১০টি। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যন, নিবার্হী কর্মকর্তা ও আলীগের নেতা কর্মীরা কার্ড নিয়েছে ১হাজার ৫৯০টি। তিনি বলেন, এমন অনিয়মের মধ্যে জেলেদের নিবন্ধন কার্যক্রম স্বচ্ছ হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
জেলে নিবন্ধন কার্যক্রমে একই অবস্থা বাবুগঞ্জে। বাবুগঞ্জ উপজেলা মৎস কর্মকতা সঞ্জিব সন্যমত জানান, নিবন্ধন কাজ তাদের চলছে। এক্ষেত্রে প্রকৃত জেলেরা নিবন্ধিত হতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো বাড়ি বাড়ি গিয়ে আসল জেলেকে সনাক্ত করতে।
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |