কৃষিজমি রক্ষায় আন্দোলনে যাচ্ছে বরিশালের কৃষকরা
সাঈদ পান্থ :: বরিশালে কৃষি জমি, জলাশয় ও পরিবেশ রক্ষায় আইনী আন্দোলনে যাচ্ছে কৃষকরা। বরিশাল পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের ব্যানারে দিনারের খাল বন্ধ করে সড়ক স্থাপনের প্রতিবাদে এ আন্দোলনে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন তারা এ উন্নয়ন কাজের প্রতিবাদ করে আসলেও কোন সুফল না পাওয়ায়, আইনী প্রক্রিয়ায় যাবে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মোঃ মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি।
তিনি জানান, বরিশাল-ভোলা মহাসড়কের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু (দপদপিয়া সেতু) হতে আসা সংযোগ সড়কটির চরকাউয়া দিনারের পুল সংলগ্ন সংযোগ স্থলে খালকে মেরে ফেলে সড়ক করা হচ্ছে। গত একবছর যাবৎ খালটিকে মেরে না ফেলে উচু করে পুল নিমার্নের দাবী করে আসসে পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদসহ এ অঞ্চলের কৃষকরা। জনগনের আন্দোলনের মুখে ওই খানের কাজও বন্ধ রাখে টিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রজেক্ট বিল্ডার্স লিমিটেড। সংযোগ সড়কটির কাজ প্রায় শেষ কিন্তু পুল নিমার্নে কোন অগ্রগতি নেই। বহুবার বিভিন্ন দপ্তরের স্মারকলিপি দিলেও কোন সুফল পায়নি এ অঞ্চলের কৃষকরা। তাই আমরা এখন আইনী ভাবে এ আন্দোলন চালাব।
১৮ জুন মঙ্গলবার শেষবারের মত বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান শেষে মুনাওয়ারুল ইসলাম অলি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চরকাউয়া কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোতালেব খান, জালাল হাওলাদার, পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদেও সাধারণ সম্পাদক মানিক মৃধা, মোঃ শহিদুল্লাহ, কাওসার হোসেন মনির মোল্লা, এসএম সাইফুল ইসলাম, পরিবেশবাদী সংগঠনের জাকির তালুকদার প্রমুখ।
চরকাউয়া কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোতালেব খান জানান, এ খালটি ভরাট করলে কাউয়ারচর মৌজার চাষাবাদের সকল জমি ও সংযোগ সড়কের দুইপাশের কয়েকশত একর জমির চাষাবাদ প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এখানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ও বিভিন্ন ধরণের রোগের পাদুর্ভাবসহ পরিবেশের মারাক্তকভাবে ক্ষতি সাধিত হবে বলে তিনি মনে করেন।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপদের এসডিও পিন্টু চাকমা জানান, জনগনের আন্দোলনের মুখে সংযোগ সড়কের ওই স্থলের কাজ বন্ধ আছে। ওই স্থলে পুল করার কোন সুযোগ নেই। আগমী ৩০ জুনের মধ্যে প্রযেক্টের কাজ শেষ করতে হবে। নতুবা যে রকমের আছে ওই অবস্থায় থাকবে। তিনি জানান, এ প্রেযেক্ট একনেক থেকে পাশ হওয়া এর পরির্বতন করা সম্ভব নয়।
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |