Current Bangladesh Time
সোমবার ডিসেম্বর ১১, ২০১৭ ১১:১৩ অপরাহ্ন
Barisal News
Latest News
প্রচ্ছদ » নাগরিক মত, বরিশাল, বরিশাল সদর, সংবাদ শিরোনাম » ‘মানবিক উন্নয়ন ও সাক্ষরতা’ -শহীদুল আলম
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ শনিবার ৪:০৫:১১ অপরাহ্ন
Print this E-mail this

‘মানবিক উন্নয়ন ও সাক্ষরতা’ -শহীদুল আলম


rsr7v8k5পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া আর কোন প্রাণিকে স্কুলে যেতে হয়না, হাতের লেখা সুন্দর করতে হয়না, কিংবা স্বাক্ষর করতে হয়না। সুতরাং অন্যান্য প্রাণি হতে পার্থক্যের বহুবিধ কারণ ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অক্ষরজ্ঞান ও সাক্ষরতার যোগ্যতা মানুষের জন্য অন্যতম বিষয় বটে। তাই মানুষ জন্মসূত্রে মানুষ হলেও মানবিকতা, মর্যাদাবোধ, সন্তান পালন, অর্থ আয়-ব্যয় ইত্যাদিতে নেতৃত্ব দানের জন্য লেখাপড়া শিক্ষার কোন বিকল্প নেই এবং অদূর ভবিষ্যতে থাকারও সম্ভাবনা নেই। আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস তাই শুধু সাক্ষরতার সংগে জড়িত নয় বরং মানবিক উন্নয়নের সংগে অঙ্গীভূত-একীভূত এবং সভ্যতার প্রধান সোপান।

দিবসের ইতিবৃত্তঃ ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ইউনেস্কো ০৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। সে সুবাদে ১৯৬৬ সালে প্রথম উদ্‌যাপিত হয় সাক্ষরতা দিবস। শুরু হতেই ব্যক্তি, সম্প্রদায় ও সমাজের উন্নয়নে সাক্ষরতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ায় বিশ্বব্যাপী সাক্ষরতা দিবস আজ গণমূখী-কল্যাণকামী এক মহা অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

বিশ্ব বাস্তবতাঃ সুদীর্ঘকাল ১০০% সাক্ষরতার জন্য হাহাকার থাকলেও মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশের অবস্থা এখনো ভালো নয়। গ্লোবাল মনিটরিং রিপোর্ট ২০০৬ অনুযায়ী দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় সাক্ষরতার হার ৫৯.৭%, আরব বিশ্বের হার ৬২.৭%, বারকিনা ফাসোর শিক্ষার হার ১২.৮%, নাইজারের ১৪.৪% এবং মালির ১৯% নাগরিক স্বাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন মর্মে উল্লেখ হয়েছে। উন্নততর হওয়ার পরও বর্তমান বিশ্বের ৭৭৫ মিলিয়ন নাগরিক অক্ষরজ্ঞানহীন এবং শিশুর মধ্যে ৬০.৭ মিলিয়ন অনিয়মিত অথবা ড্রপ আউট রয়েছে। বর্ণিত ৭৭৫ মিলিয়ন অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের মধ্যে আবার দুই তৃতীয়াংশই নারী। সুতরাং গড়ে প্রায় ০৫ জনের ০১ জন মানুষ এখনো শিক্ষার আলো হতে দূরে, অনেক দূরে অন্ধকারেই রয়ে গেছে।

সাক্ষরতা অগ্রগতি অর্জনে মাইলস্টোন সমূহঃ ১৯৫৬ সালে ইউনোস্কো প্রথম পর্যায়ে এডুকেশন কমিটি গঠন করে। উক্ত কমিটি সকলের জন্য ফর্মাল স্কুলিং নয় বরং সকলের জীবন মান উন্নয়নের জন্য একান্ত দক্ষতা অর্জনের বিষয়টি গুরুত্ব প্রদান করে। অতঃপর ১৯৫৭ সালে পৃথিবীর সকল দেশে ও সকল অঞ্চলে সাক্ষরতা অর্জনের গুরুত্ব দেয়। ১৯৫৮ সালে “UNESCO Courier” এ বিশ্ব পরিসরে শিক্ষা উন্নয়নে বাধাসমূহ প্রকাশিত হয়। ১৯৬৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রীগণের World Confrence এ নেতৃবৃন্দ শিক্ষাকে উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরে।

ফলে UNDP এর নেতৃত্বে Experimental World Literacy Programm (1967-1973) চালু হয়। অতঃপর ১৯৭৫ সালে UNESCO International Symposiam এ সাক্ষরতাকে শুধু দক্ষতা উন্নয়ন, পড়ালেখা এবং অংক কষা নয় বরং Liberation of Man এবং Full Development হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এভাবে শিক্ষা ও সাক্ষরতার মাহাত্ম্য বাড়তে থাকে বিশ্ব সমাজে। সে ধারায় ১৯৮৭ সালে UN General Assembly “সকলের জন্য শিক্ষা” ঘোষণা করে। বস্তুত: এ পর্যন্ত সারা দুনিয়ায় যত অর্জন হয়েছে যুদ্ধে কিংবা বিনা রক্তপাতে তার মধ্যে সবার জন্য শিক্ষা ঘোষণা অন্যতম।

সে ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত World Conference on Education এ “সবার জন্য শিক্ষা” কর্মসূচির ফ্রেম ওয়ার্ক তৈরি হয়। ২০০০ সালে সেনেগালের ডাকারে আন্তর্জাতিক সভায় সাক্ষরতা অর্জনের জন্য ০৬ টি লক্ষ্য ঠিক করা হয়। যার মধ্যে ০২ টি প্রধান লক্ষ্য ছিল যুব ও বয়স্কদের কর্মমূখী শিক্ষা দানের মাধ্যমে নিরক্ষরতার হারকে ৫০% এ নামিয়ে আনা। অতঃপর UNESCO ২০০৩-২০১২ সালকে সাক্ষরতা দশক ঘোষণা করে। ২০০৪ সালে International Experts Meeting এ Learning for Work Citizenship and Sustainability ঘোষণা করে ৫ বছরের কার্যক্রম রিভিউ করার জন্য সিউলে 2nd International Congress অনুষ্ঠিত হয়। গভীর আন্তরিকতায় ও মানবিক বিকাশের পথকে আরো সুগম ও জোরদার করতে UNESCO মোটেও থেমে যায়নি। বরং ২০০৮ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয় ৪৮ তম আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন। এছাড়া ২০০৯ সালে জার্মানিতে, ২০১০ সালে রাশিয়াতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন বসে এবং সেখানে শিক্ষাকে উন্নততর পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়। এরপর ২০১২ সালে 3rd International Congress অনুষ্ঠিত হয় চীনে। এ কংগ্রেসে Building Skills for work and Life স্লোগান গ্রহণ করা হয়। এভাবে সাক্ষরতা, তার কালো অক্ষরের আকার-আকৃতি ছাড়িয়ে সোনালি স্বপ্নময় জীবন উপহার দিয়ে চলেছে বিশ্ব মানবতাকে। এভাবে সাক্ষরতা হয়ে উঠেছে পরিপূর্ণ মানবিক বিকাশের পথে চলন্ত সিড়ি।

লক্ষ্যঃ সবার জন্য শিক্ষা এখন বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের সাধারণ লক্ষ্য। সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য নানা ধরণের থিম বা ধারণা ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়ে থাকে। যেমন- ২০০৭ সালের থিম ছিল “Literacy & Health. অর্থাৎ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য”। ২০০৯-১০ সালের থিম ছিল “Literacy & Empowerment অর্থাৎ শিক্ষা এবং ক্ষমতায়ন”। ২০১১-১২ সালের থিম ছিল “Literacy & Peace অর্থাৎ শিক্ষা এবং শান্তি”। ২০১৩ সালের থিম ছিল “Literacy for the 21st Centuary” অর্থাৎ একবিংশ শতাব্দী এবং সাক্ষরতা। একবিংশ এবং সাক্ষরতা থিম হতে বোঝা যায় সমগ্র শতাব্দির অন্যতম অনুসঙ্গ হবে সাক্ষরতার এবং শিক্ষা। আর ২০১৪ সালের থিম “Literacy and Sustainable Development” অর্থাৎ সাক্ষরতা এবং টেকসই উন্নয়ন। শিক্ষার জন্য মর্ত্যের মানুষের মধ্যে বুভুক্ষ একটি অবস্থা এখনই সৃষ্টি হয়েছে। শিশু, পিতা-মাতা, সমাজ, জাতি, নেতা-মন্ত্রী, দার্শনিক সকলেই শিক্ষার জন্য জ্ঞান লাভের জন্য অবিরাম ছুটে চলেছেন। ভবিষ্যতে সেই ছুটোছুটি আরো বাড়বে, আরো বাড়বে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: শিক্ষিত মা স্বাস্থ্যের বিষয়ে তার সন্তান গর্ভে থাকতেই সচেতন থাকেন। শিশু জন্মের পর হতে তার নিরাপত্তা ও শিক্ষাদানে নিজেকে ব্যপৃত করেন। পাশাপাশি নিরক্ষর মাতা-পিতা নিজের ও সন্তানের স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করতেই পারেন কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হননা। তাই শিক্ষার সংগে স্বাস্থ্য এক সূত্রে গাঁথা, মানবিক উন্নয়নের সোপান এবং তারা যেন একই মালার পুষ্পসম।

শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন: পৃথিবীতে পরিবার হতে রাষ্ট্র পর্যন্ত যেখানে যত ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব আছে সবই শিক্ষিতগণের দখলে। ক্ষমতায়নের মূলে তাই শিক্ষা। অর্থ উপার্জনের মূলে শিক্ষা। সম্মান ও মর্যাদার মূলেও শিক্ষা। শিক্ষিত অনেকে বেকার থাকলেও হিসেব হয়। কিন্তু অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষের কোন হিসেবই হয়না। তারা কোন গণনার মধ্যেই পড়েননা। পৃথিবীতে সাক্ষরতা হতে উচ্চতর শিক্ষা এবং উচ্চতর ক্ষমতা যেন দিন ও সূর্যের মত। সূর্য উপরে উঠলে যেমন তাপ বাড়ে, আলো বাড়ে, তেমনি সাক্ষরতা হতে উচ্চতর ও গুণগত শিক্ষাতে পৌঁছে গেলে তার মহিমা বাড়ে, বাড়ে তার আলোচ্ছ্বটা।

শিক্ষা ও শান্তি: পৃথিবীতে কুসংস্কার চরমতম নিষ্ঠুরতার জন্ম দিতে পারে। আর শিক্ষা কুসংস্কার দূর করে। শিক্ষা সমঝোতা ও সহনশীলতা সৃষ্টি করে। সুতরাং শান্তির জন্য যে সহাবস্থান একান্ত অনুসঙ্গ তা কেবল শিক্ষার দ্বারাই অর্জন করা যায়। যদিও শিক্ষিত অনেকে মামলা, হামলা, রক্তপাতে জড়িত তথাপিও, সুশিক্ষা অর্জিত হলে নেতিবাচক বিষয়গুলো কমানো সম্ভব। সুতরাং বিশ্ব শান্তির জন্য শিক্ষা এবং সুশিক্ষা অপরিহার্য। বিশ্ব শান্তি, বিশ্ব স্বাস্থ্য, লিঙ্গ বৈষম্য দূর করে সকল ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সম অধিকার ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যা বিকাশ, বিদ্যা প্রকাশ, বিদ্যা অভ্যাস ছাড়া অন্য কোন বিকল্প উপায় আজও উদ্ভাবিত হয়নি। সেজন্য প্রতিবছর ০৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়ে থাকে। পালন হবে আরো বহু বছর। পালিত হবে হয়তো সহস্র সহস্র বছর।

সাক্ষরতা এবং টেকসই উন্নয়নঃ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ক্ষমতায়ন এবং টেকসই উন্নয়নের প্রধান ও শক্তিশালী উপাদান শিক্ষা। শিক্ষার শুরু সাক্ষরতা দিয়ে। তবে আজকে শুধু পড়তে ও লিখতে পারলে চলছে না বরং বিকশিত ও উন্নত জীবনের সংগে তাল রাখতে গিয়ে এগুতে হচ্ছে লাগসই শিক্ষার দিকে। ম্যারাথন গতিতে যেতে হচ্ছে গুণগত শিক্ষা অর্জনের দিকে।

বাংলাদেশ ও স্বাক্ষরতা: আমরা এগিয়েছি অনেক। পেরিয়েছি অনেক কঠিন পথ। বিনামূল্যে বই বিতরণ, নারীগণের উপবৃত্তি প্রদান, চাকুরীতে নারী কোটা এ যেন বিশ্বের বহু দেশের মানুষকে দেখিয়ে দেয়া। দেখো আমরা সাম্য-সংহতি-শান্তি ও স্বাস্থ্যের জন্য কি অসাধ্য সাধন করেছি। ১৯৭১ সালে শিক্ষার হার ছিল ১৬.৮%। আর ২০১২ সালের শিক্ষ শুমারী অনুযায়ী শিক্ষার হার ৫৭.৭%। বাংলাদেশে সাক্ষরতা দিবস তাই শুধু অনুষ্ঠান নয়, আনন্দানুষ্ঠান।

সবিশেষে তবু বেদনা বিদ্যমান। সকলকে আমরা আনতে পারিনি স্কুলে, অনেককে পারিনি শিক্ষার আলো দিতে। বহু শিশু আজও শ্রমঘন কাজ করে। বহু শিশু পথ শিশু কিংবা টোকাই। তাই তাদেরকে মূল মানবিক উন্নয়নের ধারায় আনতে হবে। আনতে হবে অর্থনীতির চাকার কর্মী করে। যারা অক্ষরজ্ঞানহীন তারা সংখ্যায় যত কমবে ততই উন্নততর হবে বাংলাদেশ। তাই আসুন আমরা যারা শিক্ষিত তারা ঋণ শোধ করি। আরো কাজ করি, আরো সমাজমূখি হই, আরো বিবেকবান হই, আরো মানবিক হই। শুধু সরকার দেশের সকলের দায়িত্ব নিলে সময় বয়ে যাবে অনেক।

আর আমরা সকলে মিলে যদি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করি তাহলে সমাজ, সরকার ও মানবিকতা রক্ষা পাবে, জাতি উন্নত হবে। একজন শিক্ষিত ব্যক্তি যদি একজন নিরক্ষরকে শিক্ষিত করার দায় কাঁধে তুলে নেয় তাহলে মাত্র ০২ বছরেই ১০০% সাক্ষরতা অর্জন সম্ভব। সুতরাং ২০১৪ সালের মানবিক আর্তি, নিজ সন্তানকে শিক্ষিত করবো, প্রতিবেশীকেও শিক্ষিত করবো। আর যদি না পারি তাহলে সভ্যতার খাতায় সভ্যজন হিসেবে নাম লেখানোর কি এমন অর্থ থাকতে পারে ? আমরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জিতেছি। বহু সুচকে আমরা এগিয়ে আর হারিয়েছি ইতোমধ্যে অনেককে। তাই দৃঢ় বিশ্বাসে বলা যায় ১০০% সাক্ষরতা আর্জনেও আমরা জিতবো, অবশ্যই জিতবো এ প্রত্যাশা অলীক নয় বরং সত্য। একান্ত বাস্তব। একান্তই সত্য।

লেখক: জেলা প্রশাসক, বরিশাল


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ
বাকেরগঞ্জে আ.লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ
বঙ্গবন্ধুর ছবি এঁকে আলোচনায় স্কুল ছাত্রী
ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে পৃথিবী থেকে মুসলমান নিধন -চরমোনাই পীর
সেই ভুয়া চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে
পিরোজপুরে নতুন জেলা প্রশাসক আবু আহমেদ
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০১৪

প্রকাশক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ জিয়াউল হক
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: [email protected]