AmaderBarisal.com Logo

উদ্বোধনের দুই মাসের মাথায়

চরফ্যাশন মায়া নদীর ব্রিজের সংযোগ সিঁড়িতে ধ্বস

ভোলা প্রতিনিধি
আমাদেরবরিশাল.কম

২৭ জুলাই ২০১৫ সোমবার ২:২২:০৯ অপরাহ্ন

Bhola-mya-birej-pic-3ভোলার চরফ্যাশনের মায়া নদীর ব্রিজের সংযোগ সিঁড়ি ধরে পরেছে। ঈদুল ফিতরের দু’একদিন আগে ব্রিজের সিঁড়ি গুলো ধরে পরে যায় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। গত ৮ মে শুক্রবার সকাল ১০ টায় বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও বন ও পরিবেশ উপ-মন্ত্রী আব্দুলাহ আল ইসলাম জ্যাকব আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় মায়ানদীর উপর নির্মিত জেলার দীর্ঘতম সেতু ‘মায়ানদীর ব্র্রীজ’টি। দুই মাস যেতে না যেতেই ব্রিজের সংযোগ সিঁড়ি ধসে যাওয়ায় ব্রিজ নির্মান নিয়ে সাধারন মানুষের মাঝে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

সরেজমিনে জানাযায়, জেলা চরফ্যাশন উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরকলমী ও নজরুলনগর ইউনিয়নকে জেলার মূল ভূ-খন্ডের পাশাপাশি সারাদেশের সড়ক যোগাযোগের সাথে সংযুক্ত করতে মায়া নদীর উপর নির্মিত বৃহত্তম সড়ক সেতু ‘মায়া নদীর ব্র্রীজ’ নির্মাণ করা হয়েছে।
৩৭৮ দশমিক ৪০ মিটার দৈর্ঘ্যৈর ব্রিজটির সংযোগ সড়কসহ আরো দুইটি ছোট ব্রীজসহ মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

ব্রীজটি ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে শুরু করে এই বছরের ৩০ এপ্রিল নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। ব্রীজটি নির্মাণ করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে নবারুণ ট্রেডার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করা হলে চরকলমী ইউনিয়নের মো. আব্দুর রহিম, সুমন আহম্মেদ ও খোরশেদ আলম বলেন, পাশ্বর্তী এলাকার কলমী ব্রীজের সাথে প্রতিযোগীতা করে এখানে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা ব্যয় করে এই মায়া নদীর উপর এ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই ব্রীজে ভাড়ি কোন যানবাহন চলাচল শুরু না হতেই ব্রীজ নির্মাণের প্রায় দুই মাসের মাথায় ব্রীজে উঠা নামার সিড়িটি ধ্বসে পড়েছে।

ভোলা সদর থেকে ঘুরতে আসা রিয়াজ হোসেন এবং সোহেল রানা জানান, এখানে দুটি ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের জন্য এতো টাকা ব্যয় করে যে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে তা তুলনা মূল্যক অনেক বেশি। তবে এইরকম আরো দুটি ব্রীজ ভোলা টু লাহারহাট রুটে নির্মাণ করা হলে ভোলা সদর থেকে বরিশাল গাড়িতে বসে অনায়াশে জেলার মানুষ যেতে পারতো। যে লক্ষ নিয়ে এই মায়া ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন হতে অনেক সময় লাগবে।

নজরুল নগর ও নুরাবাদ ইউনিয়নের বিল্লাল ও ফারুক জানান, আমাদের এলাকায় আগে কোন বিনোদন কেন্দ্র ছিলনা এখন ব্রীজটি নির্মাণ হওয়ায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মানুষ ঘুরতে আসে। ব্রীজ হিসেবে আরো বড় প্রশস্ত সড়ক নিমার্ণ করা হলে ব্রীজটি আরো জমজমাট হতো।

এব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মো. সোলায়মান বলেন, আমি সরেজমিনে না গিয়ে সেতুর সংযোগ সিঁড়ি ধসে যাওয়া ব্যাপারে কিছুই বলতে পারবো না ।



সম্পাদনা: জপ / বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : [email protected]
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।