Current Bangladesh Time
শনিবার নভেম্বর ১৮, ২০১৭ ৭:০২ পূর্বাহ্ন
Barisal News
Latest News
প্রচ্ছদ » আগৈলঝাড়া, বরিশাল, বিশেষ প্রতিবেদন, সংবাদ শিরোনাম » স্কুলের জমি প্রধান শিক্ষক ও তার ভাইয়ের নামে রেকর্ড !
১৫ আগস্ট ২০১৫ শনিবার ৫:১৩:৫১ অপরাহ্ন
Print this E-mail this

স্কুলের জমি প্রধান শিক্ষক ও তার ভাইয়ের নামে রেকর্ড !
নিজস্ব প্রতিবেদক


বরিশাল সংবাদ মানচিত্রআগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বড় বাশাইল নিন্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পত্তি নিজের ও তার ভাইয়ের নামে রেকর্ড করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় প্রেসক্লাবে এলাকাবাসির লিখিত অভিযোগের অনুসন্ধানে এই তথ্য জানা গেছে।

জানা গেঝছ, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বড় বাশাইল গ্রামের রজনী কান্ত ঘটকের ছেলে দ্বীজেন্দ্র নাথ ঘটক ও তার সহদর বেনী মাধব ঘটক ১৯৮৫ সালের ১৮ মে আগৈলঝাড়ার সাব রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে বড় বাশাইল মৌজায় বিভিন্ন দাগ ও খতিয়ানে ১ একর সম্পত্তি স্কুলের নামে দান করেন।

পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে স্থানীয়দের সহায়তায় গড়ে ওঠে বাশাইল নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করেন প্রতিষ্ঠাতা দাবিদার দীজেন্দ্র নাথ ঘটকের ছেলে ও রাজিহার ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি দিলীপ কুমার ঘটক।

নিজে পদ দখল করে সহকারী শিক্ষকের পদে বসান তার স্ত্রী মালা রানীকে। ২০১০ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়।

স্কুলের জমি আত্মসাতের জন্য দীর্ঘদিনেও দিলীপ ঘটক ওই জমি প্রতিষ্ঠানের নামে নাম জারি করাননি।

প্রধান শিক্ষক দিলীপের ভাই শ্যামল ঘটকসহ ওই গ্রামের বিবেক গাইন, ধীরেন জয়ধর, বিবেকানন্দ বাড়ৈসহ অন্যান্যদের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হয়েই দিলীপ ঘটক বিদ্যালয়ের সম্পত্তিতে পাঠদানের জন্য অবকাঠামো নির্মান না করে কৌশলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় অবকাঠামো নির্মান করেন।

এসময় স্কুলের অবকাঠামো নির্মানের নামে স্কুলের বিভিন্ন প্রজাতের ৫ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে তিনি (প্রধান শিক্ষক) পুরো টাকা আত্মসাত করেন।
অভিযোগে আরও জানা গেছে, প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা হিসেবে স্কুলের পুকুর লিজের মাধ্যমে তিনি লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করছেন। এছাড়াও স্কুলের জমিতে সরকারি অর্থায়নে পুকুর খননের নামে লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

প্রধান শিক্ষক দিলীপ তার অনুগত লোকজন নিয়ে পকেট কমিটি করে স্কুল পরিচালনার মাধ্যমে নিজের সকল অপকর্মকে বৈধতা দেয়।

সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক দিলীপ ঘটক চলতি ভূমি জরিপে বাশাইল নিন্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নামে কোন সম্পত্তি রেকর্ড করেনি।

সেটেলমেন্ট অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের সহায়তায় তিনি গোপনে নিজের ও ঢাকায় কর্মরত তার বড় ভাই এ্যাড.  সুধীর রঞ্জন ঘঠকের নামে  রেকর্ড করেছে।

উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেনের সাথে একাধিকবার তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. সিরাজুল হক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রধান শিক্ষক দিলীপ ঘটক বলেন, বিশেষ একটি কারনের জন্য স্কুলের সম্পত্তি নিজেদের নামে রেকর্ড করিয়েছি। তবে ওই বিশেষ কারণ কি তা তিনি বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আশুতোষ চন্দ্র বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেননা।

আগৈলঝাড়া উপজেলা একাডেমীক সুপারভাইজার সেলিম আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক

শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ
বরিশালে শেখ হাসিনা সেনানিবাস স্থাপন প্রকল্প অনুমোদন
লক্ষ্মীপাশা-দুমকী মহাসড়কে নির্মীত হচ্ছে গোমা সেতু
বিএম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারি
১৪ নভেম্বরকে ‘বিচারক হত্যা’ দিবস ঘোষণার দাবি
সিডরে নিখোঁজ ৯ জনের পরিবারে এখনো মাতম
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০১৪

প্রকাশক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ জিয়াউল হক
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: [email protected]