" />
AmaderBarisal.com Logo

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও, চাঁদাও দাবি ধর্ষকের

বামনা প্রতিবেদক
আমাদেরবরিশাল.কম

২৭ April ২০১৭ Thursday ৪:২৭:৩৪ PM

rape-dhorson-victim-logo ধর্ষণ শ্লীলতাহানি নারী নির্যাতনবরগুনার বামনা পূর্ব সফিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র মোবাইলে ধারন করার অভিযোগ পাওয়া পাওয়া গেছে ধর্ষকের বিরুদ্ধে।

এরপর ধারনকৃত ওই ভিডিও প্রচার করার হুঁমকি দিয়ে ধর্ষিতার পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছে বামনা উপজেলার পশ্চিম সফিপুর গ্রামের মো. হাচন আলী সিকদারের ছেলে মো. লিটন (৩৭) সিকদার নামে বখাটে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে।

এ ঘটনায় বামনা থানায় আজ বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে ধর্ষক লিটন সিকদার ও ধর্ষনের সহায়তাকারী এনজিও নারী কর্মী আসমানী (২৭) নামে দুই জনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

ধর্ষিতার পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল বিকেলে ৫ম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষা শেষে বাসায় ফেরার সময় তার বাসার পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়া আসমানী নামে এক এনজিও কর্মী তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে পরীক্ষার খোঁজ খবর নেয়।

একপর্যায়ে ওই নারী এনজিও কর্মী ওই শিক্ষার্থীকে তার বাসার দোতালায় নিয়ে যায় এবং তাকে সেখানে রেখে নিচে নেমে ধর্ষক লম্পট লিটনকে খবর দেয়। লিটন ঘরের দোতালায় উঠে ওই শিক্ষার্থীকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। এই ধর্ষনের ঘটনাটি সে মোবাইল ফোনেও ধারণ করে।

ধর্ষিতাকে ওই ভিডিও দেখিয়ে কাউকে কিছু না বলার হুমকি দেয়। পরে ধর্ষক লিটন সিকদার তার প্রতিনিধি ওয়ার্কশপ কর্মচারী হারুনকে দিয়ে ওই ধর্ষিতার পরিবারের কাছে ধর্ষনের ভিডিও দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।

এ ঘটনায় ধর্ষিতা ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জানান, তাকে আসমানী নামের ওই এনজিও কর্মী পরীক্ষার প্রশ্ন দেখতে ডেকে নেয়। পরে লিটন তাকে মুখ বেঁধে ধর্ষন করে। সেই চিত্র আবার মোবাইলের ভিডিওতে ধারণ করে। তাই ভয়ে সে কাউকে কিছু বলেনি।

ধর্ষিতা শিশুটির মা জানান, গত ২৬ এপ্রিল রাতে তার মেয়ে গুরুতর অসুস্থ্য হলে তারা মেয়েকে চাপ দেওয়ায় মেয়ে অসুস্থ্যতার কারণ শিকার করে। পরে রাতে লিটন সিকদার ওই ভিডিওর কথা বলে তাদের কাছে ফোন দিয়ে ৫০হাজার টাকা দাবি করে। মেয়ে অসুস্থ্য হওয়ায় পরীক্ষায় সে অংশ নিতে পারেনি।

এ বিষয়ে বামনা থানার ওসি মো. শাহবুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমি বর্তমানে বরিশালে একটি মামলার স্বাক্ষ্য দিতে এসেছি। মেয়ের মা ধর্ষণের ঘটনার একটি অভিযোগ বামনা থানায় জমা দিয়েছেন। আমি এসে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।



সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।