" />
AmaderBarisal.com Logo

বরগুনা-বাকেরগঞ্জ সড়ক যেন মরণফাঁদ


আমাদেরবরিশাল.কম

১১ August ২০২৫ Monday ৫:৪৩:০৩ PM

বরগুনা প্রতিনিধি:

বরগুনা-বাকেরগঞ্জ সড়কের বেতাগী বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়ামতি পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়ক এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। চার বছর আগে আংশিক মেরামতের পর থেকে সড়কটির আর কোনো কার্যকর সংস্কার হয়নি। ফলে খানাখন্দে ভরা এই সড়কটি বর্ষায় কাদাপানির নদীতে পরিণত হয়ে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ তৈরি করেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়কের সর্বত্রই ছোট-বড় শতাধিক গর্ত। বৃষ্টির পানিতে গর্তগুলো ভরে গভীরতা বোঝা যায় না, ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। মোটরসাইকেল, মাহিন্দ্রা, ইজিবাইক উল্টে যাওয়া এখন নিয়মিত ঘটনা। বড় বাস ও ট্রাকও বাধ্য হয়ে হেলেদুলে চলাচল করছে, যা যাত্রী ও চালকের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট করছে।

বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গোলাম হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটাকে মহাসড়ক বলা আসলেই হাস্যকর। বছরের পর বছর ধরে এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে চলতে আমাদের নাভিশ্বাস উঠছে। স্থায়ী সমাধান ছাড়া দুর্ভোগ শেষ হবে না।’

মাহিন্দ্রা চালক মাইনুল ইসলাম জানান, ‘বৃষ্টির দিনে গর্তে পানি জমে গভীরতা বোঝা যায় না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাই। মেরামতের খরচ এত বেশি যে আয়ের বড় অংশ সেখানেই চলে যায়।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের প্রকল্পের আওতায় ২০১৫ সালে সড়কটি নির্মিত হলেও নিম্নমানের কাজের কারণে দ্রুতই ভাঙন শুরু হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আংশিক সংস্কার হলেও তা স্থায়ী হয়নি। এরপর গত ৪-৫ বছরে কোনো বড় সংস্কারকাজ হয়নি।

বেতাগী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী শেখ তৌফিক আজিজ বলেন, ‘জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়কটির স্থায়ী সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই দরপত্র আহ্বান করে দ্রুত কাজ শুরু হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নতুন করে সড়ক নির্মাণ না হলে এই ‘মরণফাঁদ’ সড়ক প্রতিদিনই নতুন বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।