" />
AmaderBarisal.com Logo

নলছিটিতে বরাদ্দকৃত টিউবওয়েল নিয়ে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নয়-ছয়


আমাদেরবরিশাল.কম

২৩ October ২০২৫ Thursday ৬:৪৫:৫০ PM

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ঝালকাঠির নলছিটিতে নিজ নামে ২টি টিউবওয়েল বরাদ্দ থাকলেও একটিও পাননি শাহজাহান ঢালী নামে এক ভুক্তভোগী।

শাহজাহান ঢালী নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের খাগড়াখালী এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘ বছর যাবৎ নিরাপদ ও সুপেয় পানির কস্টে পরিবার নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। শত চেষ্টার ফলে গত অর্থবছরের নলছিটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে পৃথক ২ টি টিউবওয়েল বরাদ্দ হয় শাহজাহান ঢালির নামে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ভুক্তভোগি শাহজাহানের বাড়িতে একটি টিউবওয়েলও স্থাপিত হয়নি। একটি খোড়া অজুহাতে তার নামের বরাদ্দ টিউবওয়েল বাতিল হয়ে গেছে বলে জানাগেছে।

ভুক্তভোগী শাহজাহান ঢালী সাংবাদিকদের জানান, তিনি নলছিটির নাচনমহলের খাগড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাড়ির কাছাকাছি কোন সুপেয় ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নেই। বাসা থেকে অনেক দূরে একটি স্কুল থেকে তার স্ত্রী পানি নিয়া সাংসারিক কাজে ব্যবহার করেন। কিন্তু গত বছর থেকে তার স্ত্রীও অসুস্থ। সংসারের কাজে প্রয়োজনীয় নিরাপদ পানির জন্য তাদের মধ্যে একপ্রকার হাহাকারের সৃষ্টি হয়। তাই তিনি একটি টিউবওয়েল এর জন্য সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ ২০২৪/২৫ প্রকল্পে নলছিটি জনস্বাস্থ্য প্রকোশল অধিদপ্তরে আবেদন করেন। এর পাশাপাশি তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঢাকা বরাবরও টিউবওয়েল এর জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় স্থান থেকেই তার নামে টিউবওয়েল বরাদ্দ দেয়া হয়। এরপরে তিনি অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেড নলছিটি শাখাতে চালানের মাধ্যমে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঝালকাঠি বরাবর ১০ হাজার টাকা জমা দেন। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি এখনো কোন টিউবওয়েল পাননি। তিনি অভিযোগ করে জানান, নলছিটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মেকানিক শহিদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছেন টিউবওয়েল বসানোর জন্য, কিন্তু তিনি এ ঘুষ দিতে রাজি হননি বলেই তার নামে বরাদ্দ টিউবওয়েলটি বাতিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নলছিটি জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম জানান, তার নামে বরাদ্দ টিউবওয়েল বাতিল করে অন্যত্র দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেছে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন কতৃপক্ষ। তাই তিনি বরাদ্দকৃত টিউবওয়েল পাননি। মেকানিক শহিদের টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান তারা এখান থেকে বদলী হয়ে গেছেন।

নলছিটির উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন জানান, আমি নতুন জয়েন করেছি, তাই এ ঘটনার ব্যাপারে কিছু জানিনা। আর আমার কাছে এ ঘটনায় কোন অভিযোগও করেননি কেউ।



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।