" />
AmaderBarisal.com Logo

বরিশাল-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী: জয়নুল আবেদীনের কণ্ঠে ভোটাধিকার-দ্বীপ অঞ্চলের উন্নয়নের অঙ্গীকার


আমাদেরবরিশাল.কম

২৯ December ২০২৫ Monday ৬:৪৩:১৭ PM

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:

নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার পর দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পাচ্ছে। বাংলানিউজটেয়েন্টিফোর.কমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, বিগত ১৭ বছর ভোট বিকল্প বা অনিয়মিত পরিস্থিতিতে হয়েছে। এবার মানুষ সরাসরি তাদের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট সরকার শুধু ভোটের অধিকারই নয়, অর্থনৈতিকভাবে দেশটাকে পঙ্গু বানিয়েছে।দেশের অর্থনীতি ঠিক করার, জিনিসপত্রের দাম কমানো; সবকিছুর জন্য দরকার সুষ্ঠু নির্বাচন।

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবেদীনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলানিউজটেয়েন্টিফোর.কমের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট মুশফিক সৌরভ। 

বাংলানিউজ: দীর্ঘ ১৭ বছরের পর ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় ও নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর সাধারণ মানুষ কীভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে এবং এর গুরুত্ব কী?

জয়নুল আবেদীন: প্রথম কথা হচ্ছে, নির্বাচন হচ্ছে আমাদের এই দেশের মানুষের অধিকার। দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে মানুষ নির্বাচন থেকে বঞ্চিত ছিল।প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে কি এত বছর নির্বাচন হয়নি? হ্যাঁ, নির্বাচন হয়েছে, তবে সেটি দিনের ভোট, রাতে হয়েছে, আবার কখনো কখনো ভোট হয়নি, এছাড়াও নির্বাচিত হয়ে গিয়েছে। এই ১৭ বছরের সংগ্রামের ফলে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় হয়েছে। এই বিদায়টাকে মানুষ অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেছে এবং তখন প্রথম থেকেই মানুষ চিন্তা করেছে, এখন তারা ভোট দিতে পারবে, যে ভোট তারা আগে দিতে পারেনি।

ফ্যাসিস্ট সরকার শুধু ভোটের অধিকারই কেড়ে নেয়নি, অর্থনৈতিকভাবে দেশটাকে পঙ্গু বানিয়ে দিয়েছে।বিভিন্ন ব্যাংক ও বিমা খালি হয়ে গেছে। এমন অনেক ব্যাংক আছে, যেগুলো ৫ লাখ টাকার চেক দিলে দিতে পারে না, দুই লাখ টাকার চেক দিলেও দিতে পারে না। এই অবস্থার মূলে বড় কাজ করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার প্রধান।

বাংলানিউজ: বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের প্রার্থী হিসেবে আপনার নাম ঘোষণার পর এই অঞ্চলের মানুষের জন্য আপনি কোন ধরনের উন্নয়ন এবং পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছেন?

জয়নুল আবেদীন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এই দল প্রথম থেকেই বলেছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করার জন্য, দেশের অর্থনীতিকে ফিরিয়ে আনার জন্য, দেশের জিনিসপত্রের দাম কমানোর জন্য সবকিছুর জন্য দরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন।যে নির্বাচনে জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। সেই নির্বাচনের বিষয়ে আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছে। সব দল কিন্তু এখনো মনোনয়ন দিতে পারেনি। মনোনয়নের প্রক্রিয়ায় আছে, এমনকি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলও এখন পর্যন্ত লিখিতভাবে কাউকে মনোনয়নপত্র দেয়নি। মৌখিকভাবে প্রথম ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, পরবর্তীতে আরও কয়েকটি আসন ঘোষণা করেছে। বরিশালে মুলাদী-বাবুগঞ্জ মিলিয়ে বরিশাল-৩ আসনটি এক অজানা কারণে স্থগিত রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি দলের মহাসচিব এই বরিশাল-৩ আসনে নাম ঘোষণা করলেন এবং সেখানে এই দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে প্রাথমিকভাবে আমার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এটি একটি অবহেলিত অঞ্চল। মুলাদী বলেন, আর বাবুগঞ্জ বলেন, এক অবহেলিত অঞ্চল। এই অঞ্চলের বহু জায়গায় এখনো অনুন্নত। 

আমি এর মধ্যে একটি বাড়িতে গিয়েছিলাম, সেখানে সাঁকো নেই, বাঁশের চাঁড় আছে, সেই চাঁড়ের ওপর দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে। আমার মনে অনেক ব্যথা আছে যে আমি এই এলাকার মানুষের জন্য কিছু করতে পারিনি। আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এই অঞ্চল নিয়ে, সেই জন্য আমি চাই যে এই দুটি অঞ্চল মডার্ন হিসেবে গঠিত হোক। মানুষ যাতে বলে, এই অবহেলিত অঞ্চল একটি সম্ভবনাময় অঞ্চল হিসেবে তৈরি হয়েছে। সেজন্য যা করার দরকার, সবকিছু করার চিন্তাভাবনা আমার আছে।

বাংলানিউজ: আপনার অতীত প্রশাসনিক ও পেশাদারী কাজের অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে, নির্বাচিত হলে আপনি কীভাবে মুলাদী-বাবুগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়ন এবং দ্বীপ এলাকাগুলিকে মডার্ন এলাকায় রূপান্তর করবেন?

জয়নুল আবেদীন: আমি যখনই যেখানে দায়িত্ব নিয়েছি, আমি যা ওয়াদা করিনি তাও আমি করেছি। যেমন: আমি আমার এই প্রফেশনে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সরকারের অনুদান ছাড়া বিদেশি অনুদানে একটি অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, লাইব্রেরি করেছি এবং আইনজীবীদের বসার জন্য যা যা করার দরকার, সে সব ব্যবস্থা করেছি। এটা এক বছরের কাজ। পরবর্তীতে সভাপতি হয়েও আমি অনেক কাজ করেছি। বর্তমানে আমি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ইতোমধ্যে অনেকগুলো কাজ হাতে নিয়েছে, আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে যতটা সম্ভব শেষ করতে পারব। সেই জন্য আমি বলছি, ‘আমি ম্যান অব ওয়ার্ড’।

তো আমি মনে করি, বাবুগঞ্জের মানুষের চাহিদা এতদিনের পূরণ হয়নি। আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি বাবুগঞ্জের মানুষের ভোটে, মুলাদীর মানুষের ভোটে, তাহলে এই যে দ্বীপ অঞ্চল, এটিকে আমি একটি আধুনিক অঞ্চল হিসেবে গড়তে চাই।

কেন আমি এই কথাটি বলছি? দ্বীপ অঞ্চলটি কিন্তু একটা সম্ভাবনাময় অঞ্চল। আপনারা ‘মাকুয়ার’ মতো একটা দেশের কথা শুনেছেন। এই মাকুয়া কিন্তু এই মুলাদী-বাবুগঞ্জের মতো একটি দ্বীপ অঞ্চল। এক সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে আমার মাকুয়া যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল, ওনার জীবদ্দশায়। এটি ৮০ সালের দিকে, তার শহীদ হওয়ার আগে।

বাংলানিউজ: নির্বাচিত হলে আপনি মুলাদী-বাবুগঞ্জ অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ ও স্থানীয় শিল্প স্থাপন করে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান কীভাবে করবেন? এটি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে কীভাবে অবদান রাখবে?

জয়নুল আবেদীন: আমি যেহেতু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অনুসারী, আমি এই দ্বীপ অঞ্চলটিকে একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। এখানে জলবিদ্যুৎ হবে। জলবিদ্যুতের মাধ্যমে ছোট ছোট ইন্ডাস্ট্রি চালানো সম্ভব, যেমন বিভিন্ন দেশে রয়েছে। আমাদের এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বিদ্যুৎ, আর গ্যাসও একটি সমস্যা। এই দুইটি কিন্তু পরস্পর সম্পর্কিত। সেখানে আমরা যদি সঠিকভাবে জলবিদ্যুৎ তৈরি করে মানুষকে দিতে পারি, তাহলে অবস্থা অনেক উন্নত হবে।

আপনি গ্রামে গেলে দেখবেন, ওরা বলে যে ১২ ঘণ্টার মধ্যে চার ঘণ্টা কারেন্ট থাকে না। এটা মানুষের জন্য একটি পীড়াদায়ক ব্যাপার। বিভিন্ন জায়গায় ইন্ডাস্ট্রিগুলো বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তা নিয়ে আমার চিন্তাভাবনা আছে। এই অঞ্চলের দায়িত্ব যদি আল্লাহ তায়ালা এবং দেশের জনগণ আমাকে দেন, আমি সেটি গ্রহণ করব। আমি মনে করি, দেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসে। তারা ২০১৮ সালের প্রমাণ দিয়েছে। কাজেই আমি এই ধরনের কর্মকাণ্ড করে দেখিয়ে দেব এবং আপনারাও দেখতে পারবেন কীভাবে একটি দ্বীপ অঞ্চলকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়।

বাংলানিউজ: বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা এবং এক-এগারোর সময়ে তার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আপনি সরকারের আচরণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

জয়নুল আবেদীন: আমি বেগম খালেদা জিয়ার মামলার মূলত বলতে গেলে প্রধান অ্যাডভোকেট, ১/১১’র সময় থেকে এবং তার পরেও। যখন বেগম খালেদা জিয়া খুব সিরিয়াসভাবে অসুস্থ ছিলেন, তার মেডিকেল রিপোর্ট আমার কাছে এলো। সেই সব রিপোর্ট নিয়ে আমি আইনমন্ত্রীর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, ‘জয়নুল আবেদীন স্যার, আমি তো কিছু করতে পারব না, আপনি প্রাইম মিনিস্টারের (শেখ হাসিনা) সাথে সাক্ষাৎ করতে পারেন।’

আমি আমাদের কিছু বন্ধুদের নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি (শেখ হাসিনা) যে উত্তরটা দিয়েছিলেন, সেটা শুনলে আপনারাও, আপনাদেরও গা শিউরে উঠবে। আমি বলছি, দেখুন উনার বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন। এই যে রিপোর্টগুলো দেখেন, এই রিপোর্টেই বলা আছে, ‘আপনার চিকিৎসা এই দেশে আর সম্ভব নয়।’ তিনি যে উত্তরটি দিলেন, তা শুনে আপনি আশ্চর্য হয়ে যাবেন। শেখ হাসিনা বললেন, ‘উনার তো বয়স হয়েছে, উনার বাঁচার দরকারটা কী?’ এর চাইতে আর বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে? আল্লাহ তায়ালার মেহরবানী ও মানুষের দোয়ায় তিনি (খালেদা জিয়া) এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন, আর যিনি বলেছেন, ‘বাঁচার দরকারটা কী?’ তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। 

খালেদা জিয়া কিন্তু ১/১১’র সময়ও বলেছিলেন, ‘আমি দেশের বাইরে যেতে চাই না, বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই, আমি এখানেই থাকতে চাই।’ উনি যদি মনে করতেন এবং আমরা যদি মনে করতাম ওনার এখানেই চিকিৎসা হবে, তাহলে তো আমরা এই ধরনের ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে কাকুতি-মিনতি করতাম না। সেজন্য বলছি, এখনো ম্যাডামের জন্য দোয়া করি, সারা দেশের মানুষ দোয়া করে, এমনকি সারা পৃথিবীর মানুষ দোয়া করে। এমনকি কাতারের আমির পর্যন্ত চান বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকুক, সে জন্য তার যা করার দরকার, তা করেছেন। সুতরাং যারা ভোটের মাঠটাকে কলুষিত করতে চায়, যারা ভোটের ট্রেনে উঠে ট্রেনটাকে ধ্বংস করতে চায়, তারাই এই ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটায়।

বাংলানিউজ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নির্বাচনী অংশগ্রহণ না করায়, দলের প্রচার-প্রচারণায় তার ভূমিকা কেমন হবে এবং তিনি কীভাবে দলের দায়িত্ব পালন করবেন?

জয়নুল আবেদীন: উনি একজন সম্মানিত নেত্রী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য এবং তার নিজেরও দায়িত্ব রয়েছে। দলের যে প্রতিনিধি হবেন তার জেতার জন্য যা যা করার দরকার তা তিনি করবেন। আমি নিজে তার সাথে যোগাযোগ করেছি। এর আগেও তার সাথে আমার যোগাযোগ হয়েছিল; তখন তিনি বলেছেন, তিনি নির্বাচন করবেন না। তার বয়সের কারণে তিনি নির্বাচন করবেন না।

আমি আশা করি, তিনি যেহেতু একজন দায়িত্বশীল নেত্রী এবং দলের একজন নীতি নির্ধারণী ফোরামের সদস্য। কাজেই তারও দায়িত্ব আছে। আমি মনে করি, তিনি সেই দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলানিউজ: দলের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রজ্ঞা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কী এবং এটি দলের নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে কীভাবে প্রতিফলিত হয়?

জয়নুল আবেদীন: ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বহু লোক আছে। আমি দলের একজন নিবেদিত কর্মী এবং তিনি আমাকে সেটিই মনে করেন। তার সাথে আমার যে কথা হয় না তা নয়, আমার কথা হয়। তার একটা নিজস্ব রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আছে; তিনি এই প্রজ্ঞার বাইরে কখনো যাননি।

আমি যে জিনিসটি লক্ষ্য করেছি তা হলো- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মানুষের কথা শুনতেন, মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিতেন। তারেক রহমান সাহেবেরও নিজস্ব একটি প্রজ্ঞা এবং চিন্তাভাবনা আছে।

বাংলানিউজ: নির্বাচিত হলে আপনি কীভাবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী অঞ্চলের মানুষের জন্য সৎ ও টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করবেন এবং জলবিদ্যুৎসহ আপনার পরিকল্পিত প্রকল্পগুলো কীভাবে তা সম্ভব করবে?

জয়নুল আবেদীন: আমি বিশ্বাস করি, বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মানুষ জাতীয়তাবাদী ও ধানের শীষকে ভালোবাসে। যখন নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে, আমি আশা করি তারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একসাথে প্রচারণা শুরু করবে। কোনো বিভাজন এখানে নেই আল্লাহর রহমতে। আমি এখন পর্যন্ত লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না, কারণ এখন নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়নি। আমি যে কথাটি বলেছি তা হলো, দ্বীপ অঞ্চলটিকে একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চলে হিসেবে গড়তে চাই। সেটা জলবিদ্যুতের মাধ্যমে হোক বা যেভাবেই হোক আমি এমন একটি অবস্থার সৃষ্টি করতে চাই, যা আপনারা পরবর্তীতে দেখতে পারবেন।

এর জন্য আমাকে নির্বাচিত হতে হবে। আমি আশা করি, আল্লাহর রহমতে এই বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মানুষ তাদের ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন এবং আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব।

আমি আর একটি কথা বলতে চাই, জীবনে যা কিছু করেছি সৎভাবে করেছি। অসৎ কিছু আমি করিনি। ভবিষ্যতেও আমি চাই যে এই এলাকার মানুষ সৎভাবেই থাকুক, আমিও তাদের সাথে সৎভাবে থাকতে চাই। অসৎ জিনিস কখনো ভালো হয় না।

সৌজন্যে: বাংলানিউজ২৪.কম



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।