![]() কলাপাড়ায় পাকা স্থাপনা ভেঙে দখল চেষ্টার অভিযোগ।
২৪ April ২০২৬ Friday ৯:৪৪:৪০ PM
![]() কলাপাড়া পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে বসবাসরত পাকা স্থাপনা রাতের আঁধারে ভেঙে দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। জানা যায়, ২০০৬ সালে বৌলতলী ও হরেন্দ্রপুর মৌজার ৩১৮১ নং দাগে ১ একর ভূমি বন্দবস্ত পান মোসাঃ সুফিয়া বেগম। তার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিকানা লাভ করেন কন্যা সখিনা বেগম সহ আরও অনেকে। ![]() এবং বন্দবস্ত পাওয়া জমিতে বসতবাড়ি, পাকা স্থাপনা ও মাছের ঘের নির্মাণ করেন ভূমির প্রকৃত ওয়ারিশ গন। এবং সেখানে বসবাস করছিলেন সুফিয়া বেগমের স্বজনরা। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক সময় খালি বাড়ি পেয়ে ভাড়ি বস্তু দিয়ে হামলা চালিয়ে বসবাসরত পাকা স্থাপনার দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়। এসময় ওই টিনশেডের পাকা স্থাপনায় প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং চালার টিন ও জানালা ভাংচুর করে স্থানীয় তুহিন মুন্সি ও তার সহযোগীরা এমন অভিযোগ সখিনা বেগমের। এছাড়া একই সময়ে ওই বাড়ি লাগোয়া ঘের থেকে মাছ শিকার করে নিয়ে যায় এই প্রভাবশালীরা বলছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, রাতে এই ঘেরে যাঁরা মাছ ধরে নিয়ে গেছে তারাই পাকা স্থাপনা ভেঙেছে। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। ভূমির মালিক দাবীদার মোসাঃ সখিনা বেগম বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে এই জমিতে ঘর বাড়ি নির্মাণ করে আমরা বসবাস করে আসছি। ![]() তার অভিযোগ, সব শেষে বৃহস্পতিবার রাতে আমার পাকা স্থাপনা ভেঙে ফেলেছে প্রভাবশালী ইউসুফ মুন্সি, তার ছেলে তুহিন ও আলমগীর। এছাড়াও আরও অনেকে ছিল কিন্তু তাদের নাম জানিনা। তিনি বলেন, এই প্রভাবশালীরা আমার ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমির মালিকানা দাবী করছে। এনিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকলেও বিজ্ঞ আদালত অমান্য করে তারা প্রতিনিয়ত দখল চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তবে এবিষয়ে জানতে তুহিন মুন্সির সঙ্গে কথা হলে তিনি ভাংচুর ও দখল চেষ্টার কথা অস্বীকার করে বলেন, এটা রাজনৈতিক কোন বিষয় নয়,আর ঘর কারা ভেঙেছে আমাদের জানা নেই। আর এই মৎস্য ঘের আমাদের দখলে রয়েছে তাই আমরা মাছ শিকার করি। আদালত যে যেখানে আছে ঠিক সেভাবেই থাকতে বলেছেন। এছাড়াও তিনি বলেন, প্রকৃত পক্ষে একটি মৌজা থেকে অন্য একটি মৌজায় এসে জমি দখল করেছে এই সখিনা ও তার ওয়ারিশগন। তারা এই জমির মালিক নয়। এবিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মো. শামিম হাওলাদার জানান, বিষয়টি শুনেছি কিন্তু কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানান তিনি। সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||



