![]() ভোলায় ইলিশা লঞ্চঘাটে বিধ্বস্ত জেটি প্রতিস্থাপন হয়নি, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
২৬ May ২০২৬ Tuesday ২:২৮:১২ PM
ভোলা প্রতিনিধি: ![]() ভোলা-ঢাকা নৌরুটের গুরুত্বপূর্ণ ইলিশা লঞ্চঘাটের পন্টুন জেটির সামনের অংশ দুই মাস আগে ভেঙে পড়লেও এখনো তা প্রতিস্থাপন করা হয়নি। ফলে ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন জেটি স্থাপনের ছয় মাস না যেতেই সেটি ভেঙে পড়ে। জেটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মাঝের পাটাতনের কাঠ সরে গেছে। এতে প্রতিদিনই যাত্রীরা দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে চলাচল করছেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে সরেজমিনে ইলিশা লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙা জেটি দিয়ে চলাচলের সময় এক নারী আহত হয়েছেন। এছাড়া আনজুমান মফিদুল ইসলাম সংগঠনের সম্পাদক ও ইমাম সমিতির সাবেক সম্পাদক মো. মনি আমিন তার অসুস্থ মেয়েকে কোলে নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে জেটি পার হচ্ছিলেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকার সদরঘাটের পর ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ ঘাটের এমন বেহাল অবস্থায় যাত্রীরা কীভাবে নিরাপদে যাতায়াত করবেন? জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আজারুল হক আজাদ বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার দেখভালের দায়িত্ব যাদের, তারা কি চোখ বন্ধ করে আছেন? এমভি কর্ণফুলী লঞ্চের ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন জানান, আগের রাতে একসঙ্গে শতাধিক যাত্রী জেটি পার হওয়ার সময় সেটি প্রায় উলটে যাচ্ছিল। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তিনি বলেন, গত ২২ মার্চ ঈদুল ফিতরের সময় জেটিটি বিধ্বস্ত হয়। পরে নৌ-পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ঘাট পরিদর্শনে এসে দ্রুত নতুন জেটি স্থাপনের নির্দেশ দিলেও দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। জেটির রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রতিস্থাপনের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমজাদ হোসেন যুগান্তরকে জানান, উন্নত মানের নতুন জেটি স্থাপনের মতো পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। এর আগে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর জেটি সংস্কার করা হয়েছিল। তবে ঝড়ো বাতাসে সেটি আবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে জেটি মেরামতের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। সোমবার দুপুরে ঢাকা থেকে আসা গ্রিনলাইন-২, দোয়েল পাখি-৮, এমভি কর্ণফুলী-১৪ ও দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চ ঘাটে ভিড়লে একসঙ্গে যাত্রী নামতে শুরু করেন। এ সময় ভাঙা জেটি দিয়ে যাত্রীদের পারাপারে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। কয়েকজন যাত্রী জেটির সামনের অংশ ধরে রাখলে অন্যরা পার হতে সক্ষম হন। জেলার নদীবন্দর কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় বলেন, এটি দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট। বরিশাল জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী ঘাট পরিদর্শন করেছেন। জেটি মেরামতের দায়িত্ব তাদের। ঈদের আগে নতুন জেটি স্থাপনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন সেটি বাস্তবায়ন হয় কিনা, সেটাই দেখার বিষয়। সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

