![]() বেতাগী ইউএনও শিশুকুঞ্জে এখন আর আসে না শিশুরা
২৮ May ২০২৬ Thursday ৪:৫৬:১২ PM
বেতাগী ((বরগুনা) প্রতিনিধি: ![]() খেলার সরঞ্জাম দোলনা ছিল, রাইড ছিল। সরঞ্জাম রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল।শিশুদের ভিড় ছিল। এখন সরঞ্জাম কমে গেছে। যা আছে তাতে নেই রক্ষণাবেক্ষণ। নিরাপত্তা নেই।তাই শিশুর ভিড়ও নেই। এমন অবস্থা বরগুনার বেতাগী উপজেলার শিশু-কিশোরদের এক সময়ের জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র ইউএনও শিশুকুঞ্জের। পৌর প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিনোদন ও মানসিক বিকাশের কথা চিন্তা করে বেতাগী পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা উপজেলা পরিষদ পুকুরের পূর্বপাশে নির্মাণ করা হয় শিশুকুঞ্জটি। ২০২৪ সালে বরগুনার জেলা প্রশাসক মো. শফিউল আলম এটি উদ্বোধন করেন। স্থানীয়রা জানায়, উদ্বোধনের প্রথম কয়েক মাস বিকেল হলেই শিশুদের হাসি-আনন্দে মুখর থাকত পুরো শিশুকুঞ্জ। বিভিন্ন রাইড, দোলনা ও খেলাধুলার সরঞ্জামে শিশুদের ভিড় থাকত চোখে পড়ারমতো। কিন্তু ভালো কোনো রাইড না থাকায় শিশুদের উপস্থিতি কমতে থাকে বলে দাবি অভিভাবকদের। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিশুকুঞ্জের অধিকাংশ সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। কোনোটিতে মরিচা ধরেছে, কোনোটি আবার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। শিশুকুঞ্জে ঘুরতে আসা বেতাগী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিপুল হাওলাদার বলেন, ‘ভালো রাইড না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে পার্কটিতে শিশুদের আগ্রহ কমে গেছে। অনেক অভিভাবক নিরাপত্তার অভাবে সন্তানদের সেখানে নিতে চান না। সন্ধ্যার পর পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় জায়গাটি নির্জন হয়ে পড়ে।’ অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত শিশুকুঞ্জটি সংস্কার করে সেখানে খেলাধুলার নতুন উপকরণ রাখা হলে শিশুদের জন্য আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। একই সঙ্গে পার্কটিতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহ. সাদ্দাম হোসেন বলেন, শিশুকুঞ্জটির বর্তমান অবস্থা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। দ্রুত সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

