![]() পাথরঘাটায় জেলের জালে ধরা পড়ল ড্রোনসদৃশ রহস্যময় বস্তু
১ June ২০২৬ Monday ৪:২৭:০৮ PM
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি: ![]() বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় বরগুনার পাথরঘাটায় জেলের জালে ড্রোনসদৃশ একটি রহস্যময় বস্তু আটকা পড়েছে। অস্বাভাবিক আকৃতির লাল রঙের বস্তুটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল ৪টার দিকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাথরঘাটা থানা-পুলিশের মোবাইল ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সোহান। স্থানীয় জেলে মিরাজ হোসেন জানান, পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফার হাট এলাকার একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন বলেশ্বর নদের মোহনায় জাল তুলছিল। এ সময় বিমানের আকৃতির একটি অজ্ঞাত বস্তু জালে আটকা পড়ে। বস্তুটির সঙ্গে ডানা ও পাখার মতো অংশ ছিল। জালে পেঁচিয়ে যাওয়ায় সেটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পানিতে পড়ে যায়। পরে জেলেরা সেটি উদ্ধার করে সোমবার সকালে পাথরঘাটায় নিয়ে আসেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বস্তুটি লম্বাটে, উজ্জ্বল লাল রঙের এবং দেখতে অনেকটা ছোট আকারের বিমানের মতো। তবে এটি কোথা থেকে এসেছে বা কী কাজে ব্যবহৃত হতো, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, এটি সমুদ্রের তলদেশে জরিপ বা গবেষণার কাজে ব্যবহৃত কোনো স্বয়ংক্রিয় ড্রোন বা বিশেষ যন্ত্র হতে পারে। আবার অনেকে এটিকে বিদেশি গবেষণা কিংবা সামরিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলেও মনে করছেন। তবে এসব বিষয়ে কোনো সরকারি সূত্র এখনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি। এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ওসি (তদন্ত)। তবে এসআই মোহাম্মদ সোহান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পাওয়ার পর রহস্যময় বস্তুটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত চলছে। সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

