![]() নলছিটিতে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ, উঠছে স্থাপনা: অভিযুক্তরা জামায়াত নেতার ছেলে
১১ June ২০২৬ Thursday ৭:১২:২৬ PM
নলছিটি ((ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ![]() ঝালকাঠির নলছিটিতে কাজী মাহাবুবুল আলম লাটু নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল করে সেখানে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক জামায়াত নেতার দুই ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের নাম গালিব ইবনে আবুবক্কর ও খাব্বাব খান।তারা নলছিটি উপজেলা জামায়াতের সাবেক সভাপতি আবু বক্কর খানের ছেলে। গালিব নিজেকে কখনো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক, কখনো ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে আসছেন বলে দাবি মাহাবুবুল আলমের। এদিকে প্রকাশ্যে দোকানঘর নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুল আলম। জমি উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। মাহাবুবুল আলমের অভিযোগ, নলছিটি পৌর শহরের কলেজ রোডে ১০৩ শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা হয়। আদালতের নির্দেশে ২০১৩ সালে তাকে ৩১ শতাংশ জমির দলিল করে দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় প্রতিপক্ষ মামলা করলে আদালত জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুল আলমের জমি দখল করে সেখানে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করেন গালিব। এ সময় গালিবের সঙ্গে তার ছোট ভাই খাব্বাব খানও ছিলেন। পরে বুধবার (১০ জুন) এতে বাধা দিতে গেলে ওই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকি দেন অভিযুক্তরা। ওই ঘটনায় ওই দিনই নলছিটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মাহাবুবুল। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও তা মানছেন না গালিব ও খাব্বাব। এ ব্যাপারে ছাত্রদল নেতা ও সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী গালিব ইবনে আবু বক্করের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে, তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে তার ছোট ভাই খাব্বাব খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের জমিতে ডিসিআর কাটানো রয়েছে। ওই জমি নিয়ে ওনার (মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুল) মামলা রয়েছে। আমরা আমাদের জমিতেই কাজ করছি। পুলিশ এসেছিল, কাগজপত্র দেখতে চেয়েছে, আমরা পুলিশকে কাগজপত্র দেখাব।’ নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘থানায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুল আলম লাটু একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ রাখার কথা বলেছি। একইসঙ্গে দুই পক্ষেকে কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলেছি। তারা এলে কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

