" />
AmaderBarisal.com Logo

নেছারাবাদে সমাধান হওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানববন্ধনের ঘোষণা, ক্ষুব্ধ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা


আমাদেরবরিশাল.কম

২০ June ২০২৬ Saturday ২:৫৩:৩৪ PM

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের নেছারাবাদে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্তের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মানববন্ধনের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই প্রবীণ শিক্ষক মো. ফজলুল হক ও মো. শাহ আলম বাহাদুর।

তাঁদের দাবি, ইউএনওর সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি সামান্য ভুল-বোঝাবুঝির ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বড় করে দেখিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করা হচ্ছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বরূপকাঠি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের মাসিক সভায় দুই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. শাহ আলম বাহাদুর ও মো. ফজলুল হকের সঙ্গে ইউএনও অমিত দত্তের একটি বিষয় নিয়ে সাময়িক ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করে নেন।

কিন্তু সমাধান হওয়া সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে ইউএনওর বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ঘোষণা দেয়। এতে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা।

প্রবীণ শিক্ষক মো. শাহ আলম বাহাদুর বলেন, ইউএনওর সঙ্গে তাঁদের কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। সভায় সৃষ্ট সামান্য ভুল-বোঝাবুঝির বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেছে। অথচ একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে দেখি, ইউএনও অমিত দত্ত আমার ও শিক্ষক ফজলুল হকের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন—এমন অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি দেখে আমি হতবাক হয়েছি। আমরা যখন এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করছি না, তখন কেন এটি নিয়ে অতিরঞ্জন করা হচ্ছে, তা বোধগম্য নয়।’

তিনি মানববন্ধন কর্মসূচি ও এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানান।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ফজলুল হক বলেন, ‘যে বিষয়টি আমরা নিজেরাই সমাধান করেছি, সেটিকে ইস্যু বানিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে এবং প্রশাসন ও শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

তিনি ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি বাতিলের আহ্বান জানিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের একটি সভায় শাহ আলম স্যার আমার পাশের চেয়ারে বসেছিলেন। তিনি সামনের সারিতে বসা এক বয়স্ক ব্যক্তিকে ডাকছিলেন। এ সময় সভাও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। পরে শুনি, আমি নাকি শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেছি। এমন অভিযোগ শুনে আমিও বিস্মিত হয়েছি।’



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।