![]() মাথা খুঁজতে মাথা নষ্ট বরগুনা পুলিশের
১৫ July ২০২৬ Wednesday ১:৪৩:১১ PM
বরগুনা প্রতিনিধি: ![]() বরগুনায় নিখোঁজের পর খাল থেকে মো. শামীম (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধারের এক মাস পারও সে মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের পরপর জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই হত্যার প্রকৃত রহস্য উন্মোচনসহ শামীমের মাথাটি উদ্ধার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা। গ্রেপ্তাররা হলেন—সজিব, শ্যামল, সফিক, দুর্জয়, সাগর ও শিমুল। আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৮ জুন বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না বাজার সংলগ্ন একটি খাল থেকে নিখোঁজ শামীমের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ব্যবসায়ী শামীম স্থানীয় ওই গৌরীচন্না বাজারে হাঁস-মুরগির ব্যবসাসহ বিভিন্ন এলাকায় জায়গাজমি কেনাবেচার কাজ করতেন। এ ছাড়া মানুষের কাছে তার টাকা-পয়সা লেনদেনও ছিল। মরদেহ উদ্ধারের আগের দিন ৭ জুন সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন সকালে শামীমের ছোটভাই গৌরীচন্না বাজারে যান।সেখানে বিভিন্ন মানুষের কাছে বড় ভাইয়ের খোঁজ জানতে চাইলে রাতে বাজারসংলগ্ন ব্রিজের পাশে গাছের ওপরে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছেন বলে জানায় স্থানীয়রা। পরে ওই জায়গায় গিয়ে রক্তের দাগ দেখতে পান তিনি। এ ছাড়া আশপাশে খোঁজাখুঁজি করলে শামীমের একটি জুতাও পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি জানিয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খালের কচুরিপানার ভেতর থেকে শামীমের মাথাবিহীন মরদেহটি উদ্ধার করেন। এ ঘটনার এক মাস পার হলে এখন পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করলেও তারা জড়িত কি না তা-ও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। আর এ কারণে নিহত শামীমের স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি হত্যার রহস্য উন্মোচন করে জড়িত আসামিদের নাম প্রকাশসহ দ্রুত শামীমের মাথাটি উদ্ধার করা হোক। শামীমের ছেলে মো. নাইম বলেন, আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসাই ছিল বাবা। আমাদের সব চাহিদা তিনিই পূরণ করতেন। এখন আর আমাদের চাহিদা পূরণের কেউ নেই। প্রশাসনের কাছে আমার একটাই চাওয়া, বাবার মাথাটি উদ্ধারসহ জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করুক। শামীমের স্ত্রী রেকসোনা বলেন, এক মাসেরও বেশি হয়েছে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। ছয়জনকে গ্রেপ্তার করলেও আমার স্বামীর মাথাটি এখন পর্যন্ত পাইনি। তবে তাদের সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে। কারণ আমি কারও নাম উল্লেখ করে মামলায় অভিযোগ দিতে পারিনি। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই এবং স্বামীর মাথাটা উদ্ধারের দাবি জানাই। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঘটনার পরপরই মামলা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের আলামত পর্যালোচনা করে পরপর ছয়জন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞেসাবাদ করা হচ্ছে। সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

