পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের অভিযোগে আট জেলেকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১৯ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাছ ও জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা মাছ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে এবং জাল প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ধুলিয়া পয়েন্টসংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায় সাহেব গ্রামের আরিফ ফকির, ফিরোজ হাওলাদার, ইসমাইল খন্দকার ও রমিজ প্যাদা, ধুলিয়া ইউনিয়নের মঠবাড়িয়া গ্রামের মো. খবির খন্দকার, ইসমাইল ফকির ও মো. শহিদুল ইসলাম এবং মমিনপুর গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম। অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাউফল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল। কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মনির হোসেন বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা অভি জানি না আমি এ সময় আর জেলেকে আটক করা হয়। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময়ে সংশ্লিষ্ট নদ-নদীতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য মা ইলিশকে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়ানো। এ সময়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।