বরিশালে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে চাহিদা অনুযায়ী মাছ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে বরিশাল নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোড মাছের বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটল ৩০-৩৫, ঢেঁড়স ৪০-৫৫, চিচিঙ্গা ৪০-৫০, ধুন্দল ৫০, ঝিঙা ৪৫, করলা ৪০-৪৫, ফুলকপি ৪৫, বাঁধাকপি ৬০, গাজর ৯০-১০০, পেঁপে ১০ এবং লাউ ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। অন্যদিকে শীতকালীন শিমের দাম কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এসব সবজি খুচরা বাজারে পাইকারির চেয়ে ২০ থেকে ৬০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
নগরীর বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা অভি বলেন, সবজির দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে থাকলেও মাছের দাম নাগালের বাইরে। দেশি মাছের সরবরাহ কম থাকায় চাষের ও সাগরের মাছের দাম বেড়েছে। বাজার মনিটরিং না থাকার কারণেও দাম বাড়ছে বলে মনে করেন তিনি।
আরেক ক্রেতা খাইরুল বলেন, কয়েক দিন আগেও সব ধরনের সবজি ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। এখন কিছু সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ধীরে ধীরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সবজির দামে পড়েছে। বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজারের ব্যবসায়ী শুভ বলেন, তেলের দাম বাড়ায় সবজির দামে কিছুটা প্রভাব পড়েছিল। তবে বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
অন্যদিকে নগরীর পোর্ট রোডের পাইকারি মাছের বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম। নদীর মাছের সরবরাহ কম থাকায় চাষের মাছের চাহিদা ও দাম বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আকার ও প্রকারভেদে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে পছন্দের মাছ কিনতে না পেরে হতাশ ক্রেতারা।
জাহিদুল নামে এক ক্রেতা বলেন, আগে এক কেজি চিংড়ি মাছ ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় কিনেছেন। এখন সেই চিংড়ি কেজিতে ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য মাছের দামও বেড়েছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী পছন্দের মাছ কিনতে পারছেন না।
আরেক ক্রেতা সবুজ বলেন, এখন সাধারণ মানুষের পক্ষে ভালো জাতের মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলে মাছ ও সবজি দুটোই কেনা যেত। এখন ওই টাকায় এক ধরনের মাছও কেনা কঠিন। তাই সাধ্যের মধ্যে দুই কেজি পাঙাশ মাছ কিনেছেন তিনি।
এদিকে নগরীতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০, লেয়ার মুরগি ৩২০ এবং সোনালি মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকা।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
এবার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হোলো মঈন আব্দুল্লাহ কে
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক ধস, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা
বরিশালের প্রথম সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের যাত্রা
বরিশালের সাবেক ডিসি-এডিসির দুর্নীতি:ভুয়া বিল-ভাউচারে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ