![]() তালতলীতে পানের আকাল, চলি ১৫০ টাকা
১০ March ২০১৩ Sunday ৭:১১:৫৭ PM
রোববার উপজেলার সবচেয়ে বড় পানের বাজার চুনাখালী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র ৩ জন পান চাষী সামান্য পরিমাণ পান বিক্রি করতে এসেছেন। গুলিশাখালীর পান চাষী নারায়ন চন্দ্র জানান, গত দু’মাস যাবৎ পান পাতা বিবর্ণ হয়ে ঝড়ে পড়ে বরজগুলো অনেকটা পানশূণ্য হয়ে পড়েছে। বিক্রেতারা জানান, বড় এবং মাঝারি আকারে পান বাজারে নেই। অন্যান্য বছর যে পান ফেলে দেয়া হতো সে আকারের ছোট ছোট পান তারা ৮০ থেকে একশ’ টাকা দরে চলি কিনে ক্রেতাদের কাছে একটি খিলি পান ৫ টাকা করে বিক্রি করছেন। এতে ক্রেতাদের সাথে তাদের বসচাও বাঁধছে। মাঝারি মানের পান কিনতে দেড়শ’ থেকে ১৬০ টাকা লাগছে। তাও মাঝে মাঝে পাওয়া যাচ্ছে না। পাতাকাটা গ্রামের মিলন চন্দ্র জানান, তার দু’টি বরজের মধ্যে একটি বরজে সামান্য পান রয়েছে। অবশিষ্ট পান ঝড়ে গেছে। তার মতো সকল পান চাষীরাই ব্যাপক লোকসানের মধ্যে রয়েছেন। তালতলী উপজেলায় সহস্রাধীক পানের বরজের এ করুন অবস্থার জন্য পান চাষীরা পথে বসেছে। বাজারে পান না পাওয়ায় ক্রেতারা বিপাকে পরেছে। পান চাষীরা সহজ শর্তে ঋণ পেয়ে ঘুরে দাঁড়াবার জন্য সরকারের কাছে জোড় দাবী জানিয়েছেন। আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সন্তোষ মন্ডল আমাদের বরিশাল ডটকমকে জানান, তালতলী থেকে প্রতিবছর ঢাকা ও বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় পান রপ্তানী করা হয়। এ বছরের শীত মৌসুমে অস্বাভাবিক কুয়াশা থাকায় পানের বরজগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পানের এ আকাল দেখা দিয়েছে। সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

তালতলী :: বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার বাজারগুলোতে দেড়শ টাকা দরে পানের চলি (৩৬টি) বিক্রি হচ্ছে। গত শীত মৌসুমে অস্বাভাবিক কুয়াশায় উপজেলার প্রায় পাঁচ হাজার পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে বর্তমানে পানের সংকট চলছে। বাজারে পান পাওয়া যাচ্ছে না, যা পাওয়া যাচ্ছে তার দাম স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক গুন বেশি।