" />
AmaderBarisal.com Logo

কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেলে কিশোরী বধূ গণধর্ষণ, হোটেল ম্যানেজার গ্রেপ্তার


আমাদেরবরিশাল.কম

১১ May ২০১৩ Saturday ৬:০০:১১ PM

গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক হোটেল ম্যানেজার বাপ্পি (ছবিঃ আমাদের বরিশাল ডটকম)

গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক হোটেল ম্যানেজার বাপ্পি (ছবিঃ আমাদের বরিশাল ডটকম)

কলাপাড়া :: পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় একটি অখ্যাত আবাসিক হোটেলে এক পর্যটক কিশোরী বধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছে। উদয়অস্ত আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার বাপ্পী মোল্লা (২৩) ও হোটেলবয় বিধান মজুমদার সুমন (৩৪) ১১ মে শনিবার সকাল ছয়টায় এ বর্বর অপকর্ম করেছে। পুলিশ এঘটনায় ম্যানেজার বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করেছে, কিন্তু হোটেলবয় সুমন পালিয়ে গেছে।

ধর্ষনের আগে কিশোরী বধূর স্বামী সবুজকে (২১) মাস্তানের ভয় দেখিয়ে হোটেল থেকে সরিয়ে দেয় ধর্ষকরা। মাস্তানের ঝামেলা আছে ও একটু পরেই স্ত্রীকে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে, আলীপুর গিয়ে তাকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। এই সুযোগে ম্যানেজার বাপ্পী ও হোটেলবয় সুমন হোটেল কক্ষে ঢুকে সবুজের স্ত্রী সাথী আক্তার মিতুকে (১৬) পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে একটি ভাড়াটে হোন্ডায় করে তাকে আলীপুর বন্দরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সেখানে গিয়ে মিতু তার স্বামীকে সব খুলে বলেন।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থেকে ওই পর্যটক দম্পতি শুক্রবার দুপুরে কুয়াকাটায় বেড়াতে এসে ‘উদয়-অস্ত’ নামের আবাসিক হোটেলের ১০ নম্বর কক্ষে অবস্থান করেন। এরপর থেকে ম্যানেজার বাপ্পি মোল্লা (২৩) ও হোটেল বয় বিধান মজুমদার সুমন (৩৪) বহুবার ধর্ষণের সুযোগ চালায়। অবশেষে শনিবার সকালে মিতুকে তারা ধর্ষণ করে।

খবর পেয়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের এক চালকের সহায়তায় কুয়াকাটা নৌপুলিশ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা খবর পেয়ে ধর্ষিতা এবং তার স্বামীকে উদ্ধার করে। এসময় হোটেল থেকে ধর্ষক বাপ্পি মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু পালিয়ে যায় সুমন। বাপ্পীর বাড়ি লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামে। তার পিতার নাম শামসুল হক মোল্লা। বিধান মজুমদার সুমনের বাড়ি পটুয়াখালী সদর থানার ভায়লা গ্রামে। তার বাবার নাম সতিশ মজুমদার।

এভাবে আবাসিক হোটেলে পর্যটক কিশোরী বধূ ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফ আমাদের বরিশাল ডটকমকে জানান, আবাসিক হোটেল উদয়-অস্ত তাদের সংগঠনভূক্ত নয়। তাদের আবাসিক হোটেল ব্যবসার প্রশাসনিক অনুমতি নেই বলেও তিনি জানান।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইছাহাক আলী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হচ্ছে। ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং অপর ধর্ষক সুমনকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে।



সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।