![]() উপকূলে ‘মহাসেন’র বর্ধিতাংশ, দুপুরে আঘাতের আশঙ্কা
১৬ May ২০১৩ Thursday ৯:০৩:০১ AM
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ আলম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ উপকূলীয় এলাকায় মহাসেন আঘাত হানতে পারে। তবে উপকূলের দিকে এর ধেয়ে আসার গতিবেগ ঘণ্টায় মাত্র ২০ কি. মি হওয়ায় এটি বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে সন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেবে, এরইমধ্যে পটুয়াখালীর খেপুপাড়া, কুতুবদিয়া, সন্দীপ, হাতিয়া ও মংলা এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ১৩২ মি. মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, খেপুপাড়ায়। যারা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন এখনও তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগে সকাল নাগাদ মহাসেনের আঘাত হানার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন মো. শাহ আলম। তবে ঝড়টির এগুনোর গতি কমে যাওয়ায় আঘাত হানার সম্ভাব্য সময়ও পিছিয়ে যায়। স্পারসোর ভোর ৫টা ৩৪ মিনিটের আপডেট অনুযায়ী, ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে সরে বাঙলাদেশ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের কেন্দ্র। আবহাওয়া অধিদফতরের ভোর ৬টার আপডেট অনুযায়ী, মংলা থেকে ৩২০ কি. মি. দক্ষিণে, কক্সবাজার থেকে ৩৮৫ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৩৫ কি. মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিলো মহাসেন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকার জেলাসমূহের (বরিশাল, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার) ওপর দিয়ে অতি ভারি বৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে এবং প্রায় সমগ্র দেশে ঝড়ো হাওয়াসহ ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলসমূহে এলাকাভেদে স্বাভাবিক জোয়ারের ৫ থেকে ৭ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্রে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ স্থানে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শাহ আলম বলেন, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৬২ কি. মি.। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৯০ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় একশ’ কিমি থাকায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে বর্তমানে ৭ নম্বর ও মংলা সমুদ্র বন্দরে ৫ নম্বর বিপদ সঙ্কেত বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া, অতিভারী বর্ষণের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমি ধসের সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমকালে ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলায় এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর গুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কি.মি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পরে। ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’র গতিপথ ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর অবস্থান নিচের গুগল ম্যাপে দেখানো হয়েছে। আপনার নিকটবর্তী এলাকার সবুজ চিহ্নিত বৃত্তগুলোতে ক্লিক করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র সম্পর্কে জানা যাবে। লাল বৃত্তগুলো ক্যাটেগরি-১ ঘূর্ণিঝড়ে অনিরাপদ। সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

ডেস্ক রিপোর্ট :: আগের অবস্থান থেকে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে সরে বাংলাদেশের উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে ঘুর্ণিঝড় মহাসেনের কেন্দ্র। এরইমধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড়ের পারিপার্শ্বিক মেঘ। বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৩৪ মিনিটে পাওয়া Mtsat স্যাটেলাইট চিত্রের এ ব্যাখ্যা দেয় বাংলাদেশ মহাকাশ গবষেণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।