" />
AmaderBarisal.com Logo

বামনায় নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের বাণিজ্য

উপজেলা প্রতিনিধি, বামনা
আমাদেরবরিশাল.কম

৬ February ২০১৪ Thursday ৫:১৪:২৫ PM

Band-Gide-Book Band-Gide-Book নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের বাণিজ্যবরগুনা জেলার বামনা উপজেলায় ১১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরকার নিষিদ্ধ পাঠ্যবই সহায়ক নোট, গাইড বই কিনতে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বাধ্য করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরকার সব ধরনের পাঠ্যবই সহায়ক গাইড ক্রয়-বিক্রয় এবং মজুদ নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও এক শ্রেণীর অসাধু প্রকাশনী, পুস্তক ব্যবসায়ী, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, প্রধান শিক্ষক সহ কতিপয় শিক্ষকের যোগসাজসে বাণিজ্যিক স্বার্থে এসব গাইড বই বাজারজাত করা হচ্ছে। আর এসব গাইড বই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। এসব নিম্ন মানের নোট গাইড বই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে।

সরেজমিনে জানাগেছে,উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা এনসিটিবি’র অনুমোদন বিহীন নিম্ন মানের গাইড বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন।

উপজেলার বিভিন্ন বইয়ের লাইব্রেরী ঘুরে দেখাগেছে, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে সহায়ক বইয়ের নামে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই। স্থাণীয় লাইব্রেরির মালিকরা শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ম্যানেজ করে তাদের সহায়তায় বিদ্যালয়ে গিয়ে এসব সহায়ক গাইড বইয়ের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং বিক্রি করছেন।

খোলপটুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরাই এজেন্টদের কাছ থেকে পাইকারি এনে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে বসেই সকল শ্রেণীর গাইড বই বিক্রি করছেন। এ ব্যাপারে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, এজেন্টরা আমাদের বই দিয়ে গেছেন। তাই আমরা বিদ্যালয় থেকে গাইড বই বিক্রি করছি। এছাড়া উপজেলা শিক্ষক সমিতি মোটা অংকের টাকা কমিশন পেয়ে নিম্ন মানের এডভ্যান্স প্রকাশনীর গ্রামার বইটি উপজেলার সকল বিদ্যালয়ে পাঠ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বামনা উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, শিক্ষক সমিতি নির্দিষ্ট করে কোনো প্রকাশনীর গাইড বই কিনতে নির্দেশ দেয়নি। শুধু এডভ্যান্স গ্রামারটি কিনতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বামনা আসমাতুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শম্ভুনাথ ভেীমিক বলেন, এ প্রকাশনীর বইটি দামে সস্তা। তাই শিক্ষার্থীদের কিনতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য সৃজনশীল পাঠদানপদ্ধতি চালু করে সরকার নোট, গাইড এবং সহায়ক বই নিষিদ্ধ করে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় অবাধে চলছে নিষিদ্ধ নোট, গাইড বই বিক্রি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, নিষিদ্ধ নোট-গাইড বিক্রি বন্ধে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ১৯৮০ সালে প্রণীত নোট বই নিষিদ্ধকরণ আইনের ৪নং ধারা অনুসারে নোট বই বিক্রি ও ছাপানোর ক্ষেএে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড সহ জরিমানার বিধান রয়েছে।



সম্পাদনা: বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।