![]() ব্যবসার নাম চেক বন্ধকউপজেলা প্রতিনিধি, বামনা ৩০ June ২০১৪ Monday ৫:২১:০৭ PM
বেসরকারি স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা এর শিকার হচ্ছেন খুব বেশি। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক তাদের বেতনের চেক আগাম বিক্রি করেন। সুদখোর মহাজনরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের চেক কিনতে বেশি আগ্রহ দেখায়। গোপনে এসব বেচাকেনা চলছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের টাকার প্রয়োজন দেখা দিলে এসব সুদখোর মহাজনরা তাদের বেতনের আগাম স্বাক্ষর করা চেক নিয়ে চাহিদা অনুযায়ী টাকা দেন। এ ব্যপারে উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি রামনা শেরেবাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন,দারিদ্রতার কারনে অনেক শিক্ষক চড়াসুদে মহাজনদের কাছে আগাম স্বাক্ষর করা চেক বন্ধক রেখে টাকা আনেন। এর অন্যতম কারন আমরা এক মাসের বেতন অন্য মাসে পাই। আমাদের কিছুই করার নেই। সম্পাদনা: বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

বামনা উপজেলার এক শ্রেণীর সুদ ব্যবসায়ী ‘চেক বন্ধক’ রাখার মাধ্যমে চড়া সুদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অভাবজনিত কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা অনেকেই তাদের বেতনের চেক আগাম বন্ধক বা বিক্রি করছেন। এ সুযোগে স্থানীয় সুদখোর মহাজনরা শতকরা ১০ টাকা হার সুদে এসব চেক বন্ধক রাখছে।