![]() (বিচিত্রার শাহদত চৌধুরী স্মরণে)নক্ষত্রের আগুন ভরা রাতেজসিম মল্লিক ১৩ February ২০১৫ Friday ১:৩৬:৫৩ PM
স্কুলে থাকতেই ক্লাসের বন্ধু নাসিরের সাথে বই বিনিময় করতাম। সে সময় আলাউদ্দিন আল আজাদের তেইশ নম্বর তৈলচিত্র বইটি পড়তে দিয়ে নাসির একদিন বললো, এই ধরনের কাহিনী থেকে কিন্তু সিনেমা হওয়া উচিত। সত্যি সত্যি পরবর্তীতে এটি সিনেমা হয়েছিল। আর আমি তো ক্লাস ফাইভ থেকেই সিনেমা পাগল। স্কুল ফাঁকি দিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়ে মার হাতে মারও খেয়েছি কতদিন। পরবর্তীকালে কিছুদিন চলচ্চিত্র সাংবাদিকতা করতে গিয়ে অনেকের সাথে পরিচয় হয়েছিল। ইন্টারভিউ করেছিলাম আবদুল জব্বার খান, শেখ নিয়মত আলী, সুমিতা দেবী, রানী সরকার, রাজ্জাক, উজ্জল, কবরী, শাবানা, ববিতা, চম্পা, মোরশেদুল ইসলাম প্রমুখদের। আমার ছোট বেলার সিনেমা দেখার একটা গল্প বলি- তখন আমার বয়স তেরো/ চৌদ্দ হবে। শুক্রবার মর্নিং শোতে সাধারণত ইংরেজী ছবি চলতো। বিউটি সিনেমা হলে গেছি সিনেমা দেখতে। ছাবিটার নাম ছিল ‘হানিমুন অফ দ্য টেরর’। পোষ্টারে উত্তেজক ছবি আর লেখা ছিল ‘শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়ষ্কদের জন্য’। ব্যস লুকিয়ে টিকিট কেটে ঢুকে পড়লাম হলে। ডিসি ক্লাসে। তখনও ছবি শুরু হয়নি। আমার নির্ধারিত সীটে বসতে যাচ্ছি দেখি আমার আমার বড় ভাই। বড় ভাইকে আমরা যমের মতো ডড়াতাম, কারণ তিনি খুবই কড়া প্রকৃতির মানুষ। আমি দ্রুত বের হয়ে এসে হলের নিচ তলায় রিয়ার স্টলের টিকেট কেটে ঢুকতে যাচ্ছি দেখি আমার মেঝ ভাইও ঢুকছেন। কি আর করা, অগত্যা সেদিন সিনেমা না দেখেই ফিরে আসতে হয়েছিল। সিনেমার নেশা আমার আজও যায়নি। আর বই? কথায় আছে যাদের পড়ার নেশায় পায় তারা লিখতে পারে না। আমার এমন হয় যে বাজারের ঠোঙ্গাও আমি পড়ে ফেলি। এখন মনে হয় জীবনটা কত ছোটো। কতকিইতো পড়া হলো না। ২. বিচিত্রার ব্যাক্তিগত বিজ্ঞাপন বিভাগটি তখন খুবই জনপ্রিয়। প্রতি শব্দ ৫০ পয়সা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া একটি অভাবনীয় ব্যাপার ছিল সে সময়। আমি একদিন সত্যি সত্যি বিজ্ঞাপন দিতে শুরু করলাম। ফলাফল হলো অপ্রত্যাশিত। আমি প্রচুর চিঠি পেতে শুরু করলাম। এর আগেও চিঠি পেতাম কিন্তু বিচিত্রার ফলাফল ছিল অভাবনীয়। এক পর্যায়ে আমার অসংখ্য পত্র বন্ধু হয়েছিল এবং তা টিকে ছিল অনেক দিন পর্যন্ত। তো ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন তখন সত্যি একটা আলাদা মাত্রা যোগ হলো, বিশেষ করে তরুন তরুনীদের মধ্যে। পয়সার বিনিময়ে মনের অব্যক্ত কথা প্রকাশ করার এক আশ্চর্য্য মাধ্যম হয়ে উঠলো বিচিত্রা। আমি তখন এত চিঠি পেতাম এবং লিখতাম যে ডাক বিভাগ কর্তৃপক্ষ আমার জন্য একটা সাব পোষ্ট অফিস খুলেছিল। একদিন ঢাকা আসলাম। মনে মনে উদ্দেশ্য বিচিত্রার সাথে যোগসূত্র গড়ে তোলা এবং বড় বড় লেখকদের সামনা সামনি দেখা। কিন্তু কিভাবে সেটাই জানি না। ব্যক্তিগতভাবে আমি একটু অন্তর্মুখী টাইপের। নিজেকে তুলে ধরার কোন কায়দা কানুনই শিখিনি। এখনো কোথাও গেলে ক্যাবলার মতো এক কোনে দাঁড়িয়ে অন্যের গল্প শুনি। আমার বন্ধুদের দেখি কি চমৎকার সাবলীল তারা। তো একদিন দোয়া দুরুদ পড়ে বিচিত্রা অফিসে গেলাম। দৈনিক বাংলার দোতলায়। বিখ্যাত ১, ডি আই টি এভিন্যূ (এখন রাজউক এভিনিউ)। অতি পুরাতন লিফট। উঠতে ভয় করে। তো প্রথম দিন বিচিত্রার পিওন মুনির পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলাম। পরবর্তীতে দেখেছি মুনির ভাই কত দাপটের ছিলেন। স্বয়ং প্রেসিডেন্ট জিয়া মুনির ভাইকে নামে চিনতেন। মুনির ভাইকে খুশী করতে পারলে অর্ধেক কাজ হয়ে যেতো। এও শুনেছি অনেক লেখকই নাকি দৈনিক বাংলা ভবনের আশে পাশে ঘুরতেন। একবার যদি ওখানে পা রাখা যায়। একবার যদি লেখা ছাপানো যায়! অনেকেই বিচিত্রায় লেখা ছাপা না হলে নিজেকে লেখক ভাবতেই সাহস পেতেন না। বিচিত্রার তখন এমনই দাপট। আর যারা ওই পত্রিকায় লিখতেন, সাহসী সব রিপোর্ট করতেন তারা না জানি কেমন মানুষ। সম্পাদকের কাছে পর্যন্ত যাওয়া তো অনেক পরের ব্যাপার। তখন বিচিত্রায় কাজ করতেন করতেন শাহরিয়ার কবির, চিন্ময় মুৎসুদ্দী, কাজী জাওয়াদ, মাহমুদ শফিক, মাহফুজুল্লাহ, আলমগীর রহমান, সাজ্জাদ কাদির, আনু মুহম্মদ, মুনতাসির মামুন, রেজোয়ান সিদ্দিকী, শামসুল ইসলাম আলমাজীর মত সব জায়ান্টরা। তো ওইরকম একটা জায়গায় আমার মতো সদ্য মফস্বল থেকে আসা তরুণের ঢুকতে চাওয়া একটু বাড়াবাড়ি না! আর এই শহরে এ লাইনে আমার কেউ নেইও যে আমার কথা কেউ সুপারিশ করবে। আমার চৌদ্দ গোষ্ঠির মধ্যে কেউ লেখা লেখিও করে না। আমার একটাই ভরসা ছিল বিচিত্রায় আমি গন্ডা গন্ডা চিঠি পাঠাই এবং প্রায়ই তা ছাপা হয়। তো মুনির ভাইকে আমার নাম বলতেই চিনে ফেললেন এবং বললেন আপনাকেতো শামীম আজাদ খুঁজতেছে। আমি আমতা আমতা করে বললাম, তিনি কে? মুনির ভাই বললেন, শামীম আজাদ কে চেনেন না! আজকেই যান দেখা করে আসেন বাসায়। আমার তখনও ধারনা ছিল শামীম আজাদ পুরুষ। শামীম আজাদের ধানমন্ডি পনেরো নম্বরের বাসায় গেলাম দেখা করতে। তিনি তখন বিচিত্রার ‘জীবন এখন যেমন’ বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক। ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং টিভিতে প্রোগ্রাম করেন। দেখতে সুন্দর। আমি তার বিভাগে লিখতাম বরিশাল থেকে। শামীম আজাদ আমাকে বিচিত্রা অফিসে নিয়মিত আসতে বললেন। অর্থাৎ পার্ট টাইম চাকরীর অফার। আমি তখনও জানি না মা আমাকে ঢাকা থাকতে দেবেন কিনা। অথচ তার কথায় আমি ঢাকা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম। জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। ভর্তি হলাম ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে। শুরু হলো নতুন এক সংগ্রামী জীবন। সময়টাও আমার পক্ষে ছিল। প্রথমদিন বিচিত্রা অফিসে ঢুকে একজন কালো মতো যুবককে দেখলাম পিন দিয়ে পেপাড় কেটে নিউজপ্রিন্টে গাঁথছে। এই মানুষটি হচ্ছে দৈনিক বাংলার ডাক সাইটে সম্পাদক আহমদ হুমায়ূনের ছেলে ইরাজ আহমেদ। সে তখন ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র এবং বিচিত্রার কন্ট্রিবিউটার। এটাই ছিল বিচিত্রার নিয়ম। কন্ট্রিবিউটাররা কাজ শিখবে, পড়াশুনা শেষে যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে চাকুরী হবে। ৩. অবশেষে ১৯৮৬ সালে আমার ও এমদাদ হকের (বাংলার মেলা খ্যাত) নাম বিচিত্রার প্রিন্টার্স লাইনে ছাপা হলো। তারপর থেকে বিচিত্রার ধারাবাহকতায় সাপ্তাহিক ২০০০, এভাবে প্রায় ২৫ বছর ধরে আমার নাম প্রিন্টার্স লাইনে ছাপা হচ্ছে। প্রায় চৌদ্দ বছর বিচিত্রায় কাজ করতে গিয়ে অনেক প্রতিভাবান রিপোর্টার দেখেছি। এদের মধ্যে মিনার মাহমুদ, আসিফ নজরুল, আশরাফ কায়সার, সেলিম ওমরাও খান, মিজানুর রহমান খান এদের নাম উল্লেখ করা যায়। কন্ট্রিবিউটাররাও ছিলেন প্রতিভাবান। যেমন আনোয়ার শাহাদত, ফারিয়া হোসেন (দুজনই এখন চলচ্চিত্র ও নাট্যকার) নিলু হাসনাত, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও বিচিত্রার শেষ পর্যায়ে এসেছিলেন মোহসিউল আদনান, গোলাম মোর্তোজা, জয়ন্ত আচার্য সহ আরো অনেকে। এদের বাইরেও অনেক বিশিষ্ট লেখক সাংবাদিকরা বিচিত্রায় লিখতেন। এরা ছিলেন অতিথি লেখক। এরপর বিচিত্রার যুগ শেষ হলো আকস্মিক। ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দৈনিক বাংলা ট্রাষ্ট বন্ধ করে দিলেন। এরপর সাপ্তাহিক ২০০০ এর যুগ। একঝাক তরুণ নিয়ে ১৯৯৮ সালে শুরু হলো এর সাহসী যাত্রা। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার খ্যাত মিডিয়া ওর্য়াল্ডের আর একটি প্রকাশনা। মাত্র কয়েকজন তরুনকে সাথে নিয়ে পরিকল্পনা চলছিল পত্রিকা প্রকাশনার। এরা হলেন মিজান, আদনান, মোর্তোজা প্রমুখ। প্রথম দিকে মিজানুর রহমান খান, আসিফ নজরুল, আশরাফ কায়সার, মোহসিউল আদনান, গোলাম মোর্তোজা এদের নিয়ে শুরু। এরপর অনেকেই এসেছেন যেমন সাইফুল হাসান, বদরুদ্দোজা বাবু, জয়ন্ত আচার্য, বদরুল আলম নাবিল, জব্বার হোসেন, বিজলী হক প্রমুখরা। আবার অনেকে চলেও গেছেন। মাত্র কয়েক বছরেই সাপ্তাহিক২০০০ও বিচিত্রার মতো জনপ্রিয় পত্রিকা হতে পেরেছে। আর প্রত্যেকেই যার যার ক্ষেত্রে বিখ্যাত হয়েছেন। এবছরই সাপ্তাহিক ২০০০ এর এক যুগ পূর্ন হলো। এক যুগ লগ্নে মনে পরে তার শ্রষ্ঠার কথা। আমাদের প্রান প্রিয় সম্পাদক শাহদত চৌধুরী আমার দৃষ্টিতে ছিলেন এক অসম্ভব আধুনিক ও সাহসী মানুষ। তার সম্পর্কে অল্প কথায় কিছু বলা আমার পক্ষে সত্যি কঠিন। অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি তো আছেই। শেষ বার তার সাথে দেখা হয় ২৬ জুন ২০০৩ সালে। ২০০০ অফিসে আমি সপরিবারে এসেছিলাম আমার কানাডা আসার দু’দিন আগে। সেটা ছিল আমার বিদায় অনুষ্ঠান। শাহদত ভাইকে সেদিন বেশ আবেগ প্রবণ দেখেছি। প্রায় ২৩টি বছর তার সাথে আমার পার হয়েছে। এরপর আর তাকে দেখিনি, আর কখনো দেখবো না। ২০০৪ সালে যখন নিইউয়র্ক এসেছিলেন তখন আমার খুব যাওয়ার ইচ্ছা ছিল দেখা করতে। কিন্তু শাহদত ভাই বললেন টরন্টো নতুন এসেছো এখন আসতে হবে না। আমিই আসবো কানাডা একবার। শাহদত ভাইর আর কানাডা আসা হয়নি। যিনি সারা পৃথিবী ঘুরেছেন তিনি আর কোথাও যাবেন না। যখনই ফোন করতাম খুব খুশী হতেন। শেষের দিকে দু’ একবার কথা বলতে পারিনি অসুস্থতার কারণে। কারণ কথা বলা ছিল নিষেধ। সব সময় ইমিগ্রেশন নিয়ে বেশী বেশী লিখতে বলতেন। কানাডার তৎকালীন হাইকমিশনার রফিক আহমেদ খান যখন আসেন দায়িত্বে শাহদত ভাই তখন নিউইয়র্ক। হাইকমিশনার মহোদয়কে আমার কথা বলেছিলেন। আর আমাদের হয়ে কথা বলবেন না তিনি। ৪. হাস্যোজ্জ্বল শাহদত ভাই খুব হেসে হেসে গল্প করছেন শহিদুল্লাহ খান বাদল ভাইয়ের সাথে। নিউইয়র্কে আকবর হায়দার কিরনকে ফোন করি, সে আগেই শুনেছে, কিরন ভাই জ্যাকসন হাইটসের রাস্তায় দাড়িয়ে কাঁদছেন। মোর্তোজা, অরুন দা, শাহদত ভাইয়ের কন্যা শাসা কে ফোন করি। লন্ডনে শামীম আপা কাঁদেন, অটোয়ায় ফারুক ফয়সাল বিষন্ন এক লেখা লেখেন তার ওয়েব সাইটে। নিউইয়র্কে মিনার মাহমুদ তার অনেক স্মৃতির কথা বলেন, বিল্টু ভাই কাঁদেন। ফোন করি ডিজিটাল ওয়ানের জিকুকে। শান্তনা পাই না। শাহাদত চৌধুরী নেই একথা বিশ্বাস করা কঠিন আমাদের জন্য। মোর্তোজা ফোনে বললেন জসিম ভাই আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না। আসিফ নজরুল আর মোহসিউল আদনানের লেখা পড়ে চোখে পানি চলে আসে। শাহদত ভাই বিচিত্রার মাধ্যমে মধ্যবিত্তের জীবন ধারা বদলে দিয়েছিলেন। বিচিত্রার মাধ্যমে প্রথম ফ্যাশনের ধারা শুরু হয় বাংলাদেশে। মুক্তিযুেদ্ধর পক্ষের এবং জামায়াত বিরোধী কন্ঠস্বর ছিল বিচিত্রা। সমস্ত কুপমুন্ডকতা, ধর্মান্ধতা আর এস্টাব্লিষ্টের বিরুদ্ধেই বিচিত্রা ছিল সোচ্চার। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও চিন্তার পরিবর্তন, প্রথম বারের মতো ফটো সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, যা আজকে জাতীয় রুপ পেয়েছে। বৃহৎ কলেবরে ঈদ সংখ্যা প্রকাশের ধারা বিচিত্রার শুরু। ঈদ সংখ্যায় তখন থেকেই উপন্যাসের প্রচলন হয়। বিচিত্রা প্রকাশ করে বছরের আলোচিত চরিত্র, ব্যক্তি ও বিষয় ভিত্তিক এ্যালবাম, রান্না ও রাশিচক্র প্রভৃতি। ঘটনার গভীর থেকে গভীরে গিয়ে প্রচ্ছদ কাহিনী রচনার ধারাটি বিচিত্রার। আর এ সব কিছুর মূলে যিনি ছিলেন তিনি শাহাদত চৌধুরী। শাহাদত চৌধুরী বাংলাদেশে সাময়িকী প্রকাশনার জগতে বিপ্লব এনেছিলেন। তিনি এক্ষেত্রে আদর্শ হয়ে থাকবেন সাংবাদিকতার জগতে। জীবানন্দের ভাষায় বলতে হয়- (শাহদত চৌধুরীর মৃত্যুর পর যে স্মারকগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিলো সেখানে এই লেখাটি প্রকাশিত হয়। পাঠকদের জন্য লেখাটি পুন:প্রকাশ করা হলো।) – প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

১.