![]() অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের আশু ও সুষ্ঠু তদন্ত হোক, বাংলাদেশ সরকার তার অবস্থান স্পষ্ট করুকবন্যা আহমেদ ২৭ March ২০১৫ Friday ৭:৩৩:৪১ PM
হামলাটা ঘটেছিল জনাকীর্ণ এলাকায়, অসংখ্য মানুষের চোখের সামনে। সেখানে নিরাপত্তা ক্যামেরা ছিল, ছিল পুলিশ চেকপয়েন্ট। অভিজিৎ হত্যার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে ‘আনসার বাংলা ৭’ নামের একটি ইসলামি চরমপন্থী সংগঠন সামাজিক মাধ্যমে এই হামলার কৃতিত্ব দাবি করে। এত কিছুর পরেও, এক মাস পরে এসে একজন মাত্র সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা ছাড়া এই তদন্তের আর কোনো অগ্রগতি নেই। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও, অভিজিৎ হত্যার পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চুপ থেকেছে। এটি খুবই আশংকাজনক এবং ভীতিকর একটি অবস্থা। ‘আনসার বাংলা-৭’ এর নেতারা এখন কোথায় লুকিয়ে আছে? কেন তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরা হচ্ছে না? ছাব্বিশে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে এই লেখা লিখছি। এই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম একটা মূলনীতি ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করার কথা ছিল সকল মানুষের বাকস্বাধীনতা। কিন্তু, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা উপলদ্ধি করছি যে, আজকে সেই দেশেই ধর্মোন্মাদদের অরাজক কাজকর্মের বিচার চাইবার জন্য আমাদের কাকুতি-মিনতি করতে হচ্ছে। ![]() অভিজিত রায়, মেয়ে তৃষা ও স্ত্রী বন্যা আহমেদ অভিজিতের স্ত্রী, তাঁর সহযাত্রী লেখক এবং একজন মুক্তমনা হিসেবে, আমি আবারও এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ সরকারকে আহবান জানাচ্ছি অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য।সূত্র:বিডিনিউজ/মুক্তমনা ব্লগ সম্পাদনা: বরিশাল ডেস্ক প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। |
||

মার্চ মাসের ছাব্বিশ তারিখ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। ঠিক এক মাস আগে, ২৬ ফ্রেব্রুয়ারি আমার স্বামী অভিজিৎ রায় এবং আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্মমভাবে আক্রান্ত হয়েছিলাম। অভিজিৎ বিজ্ঞান এবং মানবাধিকার বিষয়ে লেখালেখি করত, কঠোর সমালোচনা করত ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে এবং প্রতিষ্ঠা করেছিল মুক্তচিন্তকদের জন্য বাংলায় সর্বপ্রথম একটা অনলাইন প্লাটফর্ম-– ‘মুক্তমনা’। এই সবের জন্য, ধর্মীয় মৌলবাদীরা তাঁকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।