বামনায় আ’লীগ নেতার হাতে গৃহবধূ লাঞ্ছিত প্রতিনিধি, বরগুনা
বরগুনার বামনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইতুল ইসলাম লিটু মৃধার বিরুদ্ধে এক গৃহবধু লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার বামনা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে বামনার হোগলপাতি গ্রামের প্রবাসী রিপন বাদশার স্ত্রী গৃহবধু লাকী আক্তারকে (৩০) তার শশুর ও ভাসুরের সামনে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পর বাথ রুমে আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার নাজুর সহযোগিতায় বাথরুমের বন্দী দশা থেকে মুক্তি পাবার পরে লাকী পাথরঘাটার রায়হানপুরে বাবার বাড়ী চলে যায়।
বিষয়টি জানাজানি হবার পরে বিভিন্ন মহলে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
লাকী আক্তার বিষয়টি বৃহস্পতিবার রাতে বরগুনার দুই সংসদ সদস্য, পাথরঘাটাা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং সাংবাদিকদের মোবাইলে এ অভিযোগ করেছেন।
লাকী আক্তার অভিযোগ করেন- মহারাজ নামের জনৈক ব্যক্তির কাছে জমির বায়না বাবদ ৪লক্ষ টাকা দেয়া হলেও তিনি সময়মত জমির দলিল না দিয়ে উল্টো উপজেলা পরিষদে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা টাকা পাওয়ার অভিযোগ করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যানের রুমে বিষয়টি শালিসের জন্য ডেকে নিয়ে উত্তেজিত অবস্থায় তাকে চড়-ঘুষি ও অশ্লীল মন্তব্য করে লাঞ্ছিত করা হয়।
বামনা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার নাজু বলেন- লাকী আক্তার চলে যাবার সময় বিষয়টি মিমাংসার জন্য চেয়ারম্যানের রুমে নিয়ে আসি।
চেয়ারম্যান চড় মারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও লাকী আক্তার বিষয়টি মেনে নেননি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চড় মারাটি ঠিক হয়নি।
তবে উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে লাঞ্ছিত করার কথা অস্বীকার করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন- তাকে আমি ধমক দিয়েছি। চড় মারার বিষয়টি সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। লাকী আক্তার একজন আদম ব্যবসায়ী বলেও তিনি দাবী করেন।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |