বামনা-ফুলঝুড়ি খেয়াঘাট ‘মৃত্যুফাঁদ’ প্রতিনিধি, বামনা
বরগুনার বামনা-ফুলঝুড়ি খেয়াঘাটে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকিনিয়ে বিষখালী নদী পারাপার হচ্ছে হাজারো যাত্রী। বামনা ও মঠবাড়ীয়া উপজেলা থেকে বরগুনা জেলা শহরে যাতায়তের জন্য এ নদী পার হওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ এ নদী পার হয়।
ফলে ব্যস্ততম এ খেয়াঘাটে সব সময় উপচে পরা ভিড় থাকে। এ সুযোগে ইজারাদার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার দিয়ে যাত্রী পারাপার করছেন। ত্রুটিপূর্ণ এসব ট্রলারে ৩০ জন যাত্রী ধারণ করার ক্ষমতা থকলে ও শতাধিক যাত্রী এবং তাদের সাথে থাকা ১০-১৫ টি মটরসাইকেল নিয়ে ট্রলারগুলো যাওয়া আসা করে।
এসব তদারকির জন্য কোন লোক নেই। বর্ষা মৌসুম ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেশীরভাগ সময় নদী উত্তাল থাকে। সম্প্রতি এ রুটে একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটলে ও ভাগ্যক্রমে বেচেঁ যায় যাত্রীরা।
তানিয়া রহমান নামে বরগুনাগামী একজন যাত্রী জানান-“উত্তাল বিষখালী নদীর তুলনায় এ রুটের ট্রলারগুলো খুবই ছোট। অদক্ষ চালক এবং যাত্রী বোঝাই থাকায় প্রাণ হাতে নিয়ে নদী পার হয়েছি”। নদী পারাপারে সরকার কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করা স্বত্বে ও ঘাট ইজারাদার দুর্ঘটনার আশংকা জেনে ও ধারন ক্ষমতার কয়েক গুন বেশী যাত্রী নিয়ে ট্রলার ছাড়েন। সময় বাচাঁতে জীবনের ঝুঁকি জেনে ও যাত্রীরা নদী পার হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আলমগীর হোসেন বলেন-“অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া এবং ফিটনেস বিহীন নেীজানের বিষয়টি আমি জেলা পরিষদকে অবহিত করেছি। খেয়া আইনে তাদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে”।
ইজারাদারের বিরুদ্ধে যাত্রীদের রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। যাত্রীদের সাথে দুরব্যবহার, অতিরিক্ত টোল আদায়, অপ্রাপ্ত ও অদক্ষ মাঝি, ত্রুটিপূর্ণ ছোট ট্রলারে যাত্রী পারাপার সহ খেয়াঘাট কে ঘিরে রয়েছে নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগ।
একাংশের ইজারাদার মীর এনায়েত বলেন-“বিশ লাখ টাকায় ডাক নিছি। সরকারী চার্ট অনুযায়ী ভাড়া নিলে চলবে না।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |