বামনায় আনসার ও ভিডিপির ভাতা আত্মসাতের চেষ্টা প্রতিনিধি, বামনা
বরগুনার বামনা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি’র গ্রামভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশ্রহণকারীদের ভাতার টাকা নানা অপকৌশলে কেটে নিয়ে আত্মসাতের চেষ্টার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ভূক্তভোগী প্রশিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আত্মসাতকৃত ভাতার টাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রশিক্ষানার্থীদের ফেরত দিতে বাধ্য হন।
বামনা উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ১০ দিনের গ্রামভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে প্রশিক্ষণ ভাতা বিতরণকালে এ ঘটনা ঘটে।
ভূক্তভোগী প্রশিক্ষার্থীরা জানায়, উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আয়োজনে ৬৪জন প্রশিক্ষানার্থীদের ১৮ আগস্ট থেকে ৩১আগস্ট পর্যন্ত মোট ১০ দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ্রহণকারীর অনুকুলে মাথাপিছু ৯০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করার কথা থাকলেও অংশ্রহণকারীদের হাজিরা শীটে জনপ্রতি ৩/৪ দিনের অনুপস্থিতি অজুহাত দেখিয়ে ওই অর্থ আনসার ভিডিপি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তহমিনা আকতার ও তার কয়েক সহযোগি মিলে হস্ত মজুদ করে আত্মসাতের চেষ্টা করেন।
এতে ভাতা বঞ্চিত প্রশিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্দ হয়ে উঠলে প্রশিক্ষণ কার্যালয়ে বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকরা খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে প্রশিক্ষণ কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এরপরই অভিযুক্ত কর্মকর্তারা সকল প্রশিক্ষণার্থীদের নিকট হতে কেটে রাখা ভাতার সমুদয় অর্থ সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছে ফেরত দেন।
ওই মৌলিক প্রশিক্ষনে অংশগ্রহনকারী উপজেলার বলইবুনিয়া গ্রামের মো.সুমন মিয়া জানান,তিনি ১০দিন যথারীতি উপস্থিত থাকার পরও তার হাজিরাশীটে তিন দিন আনুপস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে ভাতার টাকা কেটে রাখা হয।
প্রতিবাদ জানালে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তারা দুর্ব্যবহার করেন। সকল প্রশিক্ষার্থীদের এমন অনুপস্থিতির কথা বলে ভাতার অর্থ হাতিয়ে নেওযার অপচেষ্টা করা হয়। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানালে সাংবাদিকরা ঘটানা স্থলে উপস্থিত হলে কেটে রাখা সমুদয় ভাতা ফেরত পায় সকল প্রশিক্ষণার্থীরা।
এব্যাপারে বামনা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তহমিনা আকতার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন-শুধু মাত্র অনুপস্থিত কয়েকজন প্রশিক্ষানার্থীর আংশিক ভাতা কেটে রাখা হয়েছিল। পরে এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলে সমুদয় অর্থ সকল প্রশিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |