Home » ইন্দুরকানী » পিরোজপুর » মাছ কাটা নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান, ইন্দুরকানীতে কীট নাশক খেয়ে প্রাণ দিল ঝর্ণা
১৩ November ২০২৫ Thursday ৪:১৮:৫৯ PM
মাছ কাটা নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান, ইন্দুরকানীতে কীট নাশক খেয়ে প্রাণ দিল ঝর্ণা
ইন্দুরকানী ((পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বাবা ও মায়ের সঙ্গে অভিমান করে কীটনাশক খেয়ে ঝর্ণা আক্তার (১৫) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন।
বুধবার (১২ নভেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের চর-গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঝর্ণা আক্তার চর-গাজীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সে সদর উপজেলার নামাজপুর সাকিনা হামিদ মহিলা মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও স্বজনেরা জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় ঝর্ণার বাবা রফিকুল ইসলাম বাজার থেকে ছোট মাছ কিনে আনেন। কিন্তু স্ত্রী চিনু বেগম ও মেয়ে ঝর্ণা মাছ কাটতে অস্বীকার করলে রফিকুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের গালিগালাজ করেন। পরে মা চিনু বেগমও মেয়েকে বকাঝকা করেন।
এ ঘটনায় অভিমান করে ঝর্ণা নিজের ঘরে গিয়ে বন মারার কীটনাশক পান করে। বিষয়টি পরিবারের লোকজন টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইন্দুরকানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ সাহা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একটু নজর দিন
আপনি যদি কখনো মনে করেন, জীবন অসহনীয় হয়ে উঠছে, জেনে রাখুন— আপনি একা নন। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, বরং সাহসের কাজ। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে কথা বলুন। যেটা এখন মনে হচ্ছে, তা সাময়িক— সময়, সহায়তা ও কথা বলার মাধ্যমে অনেক কিছু পরিবর্তন সম্ভব। জীবন মূল্যবান এবং এখনও অনেক সুন্দর মুহূর্ত বাকি আছে।
আপনি যদি মানসিক চাপে বা আত্মহত্যার চিন্তায় ভুগে থাকেন, অনুগ্রহ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কাউন্সেলর বা হেল্পলাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সাহায্য চাইতে কখনো দ্বিধা করবেন না।
এ বিষয়ে জরুরি পরামর্শ দেয় ‘কান পেতে রই’। হেল্পলাইন নম্বর: 01779-554391 এবং 01688-709966।
প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত হেল্পলাইনে কথা বলতে পারবেন যে কেউ।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
ছাত্রদল নেতাদের বাধা: ফের আটকে গেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক নির্মাণকাজ