Current Bangladesh Time
Tuesday July ২৮, ২০২৬ ১:৩৮ AM
Barisal News
Latest News
Home » পাঠকের লেখা » ১০ই এপ্রিল, মুজিব নগর সরকার।বাঙ্গালীদের জন্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আরেকটি মাইলফলক ছিল মুজিব নগর সরকার গঠন
১০ April ২০২৬ Friday ৪:৪৫:৪৬ PM
Print this E-mail this

১০ই এপ্রিল, মুজিব নগর সরকার।বাঙ্গালীদের জন্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আরেকটি মাইলফলক ছিল মুজিব নগর সরকার গঠন


সৈয়দ মুন্নাঃ এ দেশের বাঙ্গালী হাজার বছর ধরে বিদেশি হানাদারদের কবলে পড়েছে। অত্যাচারিত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছে। কিন্তু বাঙ্গালী কখনো মাথা নোয়ায়নি। শত্রুর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য। নিজের একটি রাস্ট্র গড়ার জন্য।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৫২ র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হয়ে ৫৪ র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ৬২ শিক্ষা আন্দোলনের পর ৬৬ তে ছয় দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়ে তুলেছিলেন।

এরপর ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান এবং ১৯৬৯ সালের ৫ ই ডিসেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশের নাম বাংলাদেশ নাম করণের মধ্যে দিয়ে বাঙ্গালী জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। যার ফলে ৭০ এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল। পশ্চিম পাকিস্থানীরা পুর্ব পাকিস্তানীদের সাথে বিশেষ করে বাঙ্গালীদের সাথে বরাবর যে অন্যায্য আচারণ করতো তারাই ধারাবাহিকতায় ৭০ এর নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয় নেয়নি পশ্চিম পাকিস্তানিরা।

উভয় পাকিস্থানে বাঙ্গালীরা নির্বাচনে জিতেছে মর্মে পশ্চিম পাকিস্তানীরা তা কোন ভাবেই মানতে নারাজ। বাঙ্গালীদের কোন ন্যায্য অধিকারই ছিল না উভয় পাকিস্তানে। নির্বাচন নিয়ে গরিমসি, সময় ক্ষেপন করতে লাগলো পশ্চিম পাকিস্থান।

প্রশ্ন হল পশ্চিম পাকিস্তান তারা কারা? পশ্চিম পাকিস্থান পুর্ব পাকিস্তানের প্রভূ হিসেবে আচারন করতো। সরাসরি প্রভুই ছিল।

পাকিস্তানের জাতির পিতা কায়েদে আযম মোহাম্মাদ আলী জিণ্নাহ তিনি বাঙালী ছিলেন না। ছিলেন বাঙ্গালী বিরোধী, সেই সূত্রে বাঙ্গালীর ভাষা বিরোধী। আবার তিনি বসবাস করতেন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই থেকে পশ্চিম পাকিস্তানীরা বাঙ্গালী বিরোধীই ছিল। কট্টর ভাবে। বাঙ্গালীরা পাকিস্তানীদের কাছে ঘৃনিত জীবের মত ছিল কিন্তু বাঙ্গালীরা পাকিস্তানীদের পবিত্রই মনে করতো। বাঙ্গালীরা বলতো পুর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান ভাই ভাই। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানীরা অন্তত বাঙ্গালীদেরকে সহ্যই করতে পারতো না।

৭০ এর নির্বাচনে বাঙ্গালীদের প্রতিনিধি বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল সংখাগরিষ্ঠতা পেলে, এতে পশ্চিম পাকিস্তানীদের মানষিকতা বাঙ্গালীদের প্রতি আরো খারাপ হয়ে উঠে। বর্বর হয়ে উঠতে থাকে পশ্চিম পাকিস্থানীরা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চের ভাষণটা শুনলেই স্পষ্ট হতে পারবেন এসব কেন, কি সকল প্রশ্নের।

৭০ এর নির্বাচন নিয়ে বাঙ্গালী যাতে কথা না বলতে পারে; নেতৃত্ব, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, বাঙ্গালী ও বাঙ্গালী বুদ্ধিজীবি হত্যা করতে, বাঙ্গালীর সকল অধিকার নস্যাৎ করতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে হত্যা করতে না পেরে, গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্থানে নিয়ে যায় বিচারিক মৃত্যুদন্ড প্রদানের জন্য।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পশ্চিম পাকিস্থানীদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাতে অর্থ্যাৎ ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর প্রেক্ষিতেই শুরু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম। পশ্চিম পাকিস্থানীদের প্রতিরোধ সংগ্রাম। যার পরবর্তিতে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এম এ হান্নান স্বাধীনতার ঘোষনা পত্রটি পুনারায় পাঠ করেন এবং ২৭ শে মার্চ তারিখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা পত্রটি পুনারায় পাঠ করেন।

পুর্বপাকিস্তানে যারা পাকিস্তানি ছিল (পশ্চিম পাকিস্তানিদের সাহায্য কারী বা রাজাকার) তারা পশ্চিম পাকিস্তানের পাকিস্তানীদের সাথে মিলে একত্রে বাঙ্গালীদের উপর হামলা করতে থাকে ভয়ংকর ভাবে। নারী ধর্ষন থেকে শুরু করে ধন সম্পদ লুট, বিভিষিকাময় হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। পাকিস্তানীরা ৭১ এ নারী ধর্ষন কে উৎসাহিত করার জন্য মুতা বিবাহ প্রথা চালু করে। বাঙ্গালী যারপর নাই এর প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলে।

যুদ্ধটা ছিল জনযুদ্ধ এই জনযুদ্ধকে বৈধতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী রূপে বাংলাদেশের সরকার ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে এক অধ্যাদেশে ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১০ এপ্রিল ১৯৭১ একটি অতীব সংকটময় অবস্থার মোকাবেলায় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা ছিল নিম্নরূপ: এটিই সম্ভবত আমার শেষ বার্তা: আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণের নিকট আমার আহবান, আপনারা যে যেখানেই থাকুন এবং আপনাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করুন। যতদিন পাক হানাদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটি বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত না হয় এবং যতদিন আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হয় ততদিন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন।”

এই মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বৈদ্যনাথতলার নাম দেন ‘মুজিবনগর’। এবং মুজিব নগর কে বাংলাদেশের রাজধানী ঘোষনা করেন। সেই থেকে কলকাতায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত হয়।

আজ সেই ১০ এপ্রিল। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর থেকে মুক্তিকামী বাঙালি জাতি নেতৃত্বহীন অবস্থাতেও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যার যা আছে তাই নিয়ে দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মােকাবিলা করে এবং কোথাও-কোথাও বিপর্যস্ত করে ফেলে। ২৫ মার্চের কাল রাতেই যশাের থেকে বেলুচ রেজিমেন্টের ১৪৭ জন সৈন্য কুষ্টিয়া দখল করে নিলে চুয়াডাঙ্গাস্থ ইপিআর-আর উইং কমান্ডার মেজর আবু ওসমান চৌধুরীর নেতৃত্বে দক্ষিণ-পশ্চিম রণাঙ্গন খােলা হয় এবং মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গা কুষ্টিয়ার হাজার-হাজার জনতা ৩০ ও ৩১ মার্চ দু’দিনব্যাপী যুদ্ধ করে কুষ্টিয়া মুক্ত করে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ ভরাডুবি ঘটে এ যুদ্ধে। এটিই ছিল প্রথম পরাজয় পাকিস্থানীদের।সারা দেশেই দখলদার পাকবাহিনীর আক্রমণের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিরােধ সংগ্রাম গড়ে তােলে, কিন্তু সত্যিকারের কথায় তা ছিল পারস্পরিক সম্পর্ক ও সমন্বয়বিহীন এবং একক কমান্ডের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ফলে বিভিন্ন জায়গায় স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরােধ সংগ্রামও একে-একে বিপর্যস্ত হতে থাকে। এ-সময়ে রণকৌশলে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি হয়ে ওঠে।

প্রতিরােধযােদ্ধাদের মনােবল ফিরিয়ে একক কমান্ডের অধীনে এনে মুক্তিযোদ্ধায় রূপান্তর করা এবং সেই মহান যুদ্ধ পরিচালনার জরুরি এবং জটিল কাজটির দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে এলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর তাজউদ্দিন আহমেদ।

প্রাদেশিক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ এবং কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হয়ে যাওয়ার পর ২৬ মার্চ ঢাকা থেকে বেরিয়ে বহু জনপদ ঘুরে ৩০ মার্চ ঝিনাইদহে পৌছলে এসডিপিও মাহবুব উদ্দিন তাদের চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে আসেন। তাদের পরিকল্পনা চুয়াডাঙ্গা কিংবা মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতে গিয়ে বাংলাদেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য ভারতীয় সাহায্য সহযােগিতার ব্যবস্থা করবেন।

এই একই লক্ষ্যে মেহেরপুরের মহকুমা প্রশাসক তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরী ইতােমধ্যেই নদীয়ার জেলা প্রশাসক মি, মুখার্জি এবং ৭৬-বি, এসএফ-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল চক্রবর্তীর সঙ্গে কয়েক দফা যােগাযােগ করেন, ভারতীয় জনগণের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে লেখা তার চিঠি অমৃতবাজার এবং যুগান্তর পত্রিকায় ২৭, ২৮, ২৯, ৩০ সংখ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ছাপা হয়। বেতাই সীমান্তে বিএসএফ কর্মকর্তার সঙ্গে তার ২৯ মার্চের বৈঠকের শর্ত অনুযায়ী তিনি ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় জীবননগরের অদূরে চেংখালী চেকপােস্টে ভারতীয় অস্ত্র আনতে যান।

এ-সব খবর জানার পর মাহবুব উদ্দিন বিশিষ্ট দুই অতিথিকে নিয়ে তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর সঙ্গে ৩০ মার্চ রাতে ভারতীয় সীমান্ত চেংখালীতে পৌছেন। অতঃপর নেতৃবৃন্দ কলকাতা হয়ে দিল্লি দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে সাধারন তাজউদ্দিন আহমেদকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ দেওয়ার কথা নয়। তবে ভারতীয় পার্লামেন্ট ৩১ মার্চ একটি প্রস্তাব পাস করে যে, বাংলাদেশে সরকার গঠিত হয়েছে জানতে পারলে পূর্ববাংলার জনগণকে সাহায্য করার কথা বিবেচনা করা হবে। বিচক্ষণ রাজনীতিক তাজউদ্দীন ৩ এপ্রিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সাক্ষাতের সময় তার উপস্থিত বুদ্ধিমত্তায় এই অস্ত্রটি কাজে লাগালেন।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু এবং দুই সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও খােন্দকার মােশতাক এবং দুই সাধারণ সম্পাদক- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কামরুজ্জামান ও প্রাদেশিক আওয়ামী লীগের তাজউদ্দিন আহমেদ এই পাঁচজনকে নিয়ে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড গঠিত হয়েছিল। ৩ এপ্রিল তাজউদ্দিন আহমেদ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানালেন যে, ২৫ মার্চ দিবাগত ২৬ মার্চেই শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপ্রধান করে একটি সরকার গঠিত হয়েছে, তিনি নিজে এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ হাইকমান্ডের সবাই এই মন্ত্রিসভায় আছেন।

তাজউদ্দীন আহমদের এই উপস্থিত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। কারণ ভারতীয় পার্লামেন্টে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর পর থেকে বাংলাদেশ সরকারকে সবরকমের সহায়তা প্রদান করে ভারত সরকার। এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষেও বিচ্ছিন্নভাবে শুরু হয়ে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ আনা এবং নেতৃত্ব প্রদান সম্ভব হয়।

তাজউদ্দীন আহমদ মালদহ, বালুরঘাট, শিলিগুড়ি, রূপসা, শিলচর হয়ে আগরতলা পর্যন্ত পথে-পথে ঘুরে-ঘুরে খুঁজে বের করেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, আব্দুল মান্নান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, খােন্দকার মােশতাক ও কর্নেল ওসমানীকে । তাজউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে ১০ এপ্রিল কলকাতার আগরতলা থেকে ১৭ ই এপ্রিল মেহেরপুরের বেদ্যনাথ তলায় অধিবেশন আহবান করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও শসস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপরাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী, এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানিকে প্রধান সেনাপতি করে মোট ছয় সদস্য বিশিষ্ট মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।

পরের দিন ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল তাজউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ বেতারে মন্ত্রিপরিষদ গঠনের ঘোষনা দিয়ে জাতীর উদ্দেশ্যে ভাষন দেন।

১১ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে প্রচারিত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ দাবি করেন-বাংলাদেশকে দখলদারমুক্ত করার জন্য সারা দেশে যে যুদ্ধতৎপরতা চলছে তা এই সরকারের নিয়ন্ত্রণেই।


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বৃক্ষ রোপণের বড় চ্যালেঞ্জ পরিচর্যা নিশ্চিত করা : তথ্যমন্ত্রী
বরিশালে বাড়ছেই ডেঙ্গু, চলতি মাসে ‍আক্রান্ত ১৪৫০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: অর্ধেক শিক্ষকের পদ ফাঁকা শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ
আগুনে পোড়া ভবনে ৭.৪২ কোটি টাকার ‘ভুতুড়ে’ সংস্কার: বিসিসির অর্থ লোপাটের চাঞ্চল্যকর চিত্র
Recent: Mayor Hiron Barisal
Recent: Barisal B M College
Recent: Tender Terror
Kuakata News

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
আমাদের বরিশাল ২০০৬-২০২০

প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, সম্পাদক: রাহাত খান
৪৬১ আগরপুর রোড (নীচ তলা), বরিশাল-৮২০০।
ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, ই-মেইল: hello@amaderbarisal.com