" />
AmaderBarisal.com Logo

দৌলতখানে চুরি আতঙ্কে ঘুম নেই খামারিদের


আমাদেরবরিশাল.কম

১৯ July ২০২৬ Sunday ১২:০৬:৩৫ PM

দৌলতখান ((ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে জেগে উঠেছে বিশাল চর। দীর্ঘদিন ধরে এ চরগুলোতে চাষাবাদ করছেন উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক। এছাড়া গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অন্তত অর্ধশত খামারি। এমনকি দৌলতখানের অর্থনীতির একটি বড় অংশজুড়ে আছে এ পশুপালন। কিন্তু চোরদের উৎপাতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন চরের পশু খামারি ও রাখালরা।

খামারিদের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ভোলার মাঝের চর অর্থাৎ চর বৈরাগী, মেদুয়া, মদনপুর, চর হাজারী ও হাজীপুরসহ বিভিন্ন চর থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৪০০টির বেশি মহিষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।  শুধু চুরিই নয়, প্রায়ই চরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাখালদের মারধর করে গরু-মহিষ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এতে ঘুম হারাম পশু মালিক ও রাখালদের।

জানা গেছে, গত ১২ জুলাই দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতদের মূলহোতা ফিরোজ জমাদারসহ চারজনকে আটক করেছে চরবাসী।

ভুক্তভোগী খামারিদের দাবি, এই চোর ও ডাকাতরা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় রয়েছে। এত বড় সিন্ডিকেট একা চালানো সম্ভব নয়। 

তারা বলেন, এই ডাকাতদের গডফাদার কে? এদের খুঁটির জোর কোথায়? কারা এদের শেল্টার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে? আমরা এদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাই।

চর বৈরাগী, মেদুয়া, মদনপুর, হাজীপুর ও চর হাজারীতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন খামারি রয়েছেন, যাদের কয়েক হাজার গবাদিপশু আছে। ডাকাতির ভয়ে এখন পশু নিয়ে চরে যেতে চান না খামারিরা।

দৌলতখান থানার ওসি ফখরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দুর্গম চরে ঠিক সময়ে পৌঁছানো কঠিন। এছাড়া নদী সব সময় উত্তাল থাকে। তবে হাজীপুর চরে আমাদের পুলিশ তদন্তকেন্দ্র রয়েছে। স্থায়ীভাবে পুলিশ ক্যাম্প করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।