" />
AmaderBarisal.com Logo

বাউফলে নদী থেকে উদ্ধার লাশের পরিচয় মিলেছে, হত্যার অভিযোগ পরিবারের


আমাদেরবরিশাল.কম

২৫ October ২০২৬ Sunday ৬:০০:৫৮ PM

বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা:

পটুয়াখালীর বাউফলে আলগী নদী থেকে উদ্ধার হওয়া হাত বাঁধা ও শরীরে ইটভর্তি বস্তা বাঁধা অর্ধগলিত লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. আলম গাজী (৫৫)। তিনি বাউফল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় বাউলশিল্পী আলম গাজী কবিরাজিও করতেন। এ ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যরা হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কালাইয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার লাশের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের স্বজনেরা তার পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন। লাশ উদ্ধারের সময় মুখমণ্ডল বিকৃত ও অর্ধগলিত থাকায় চেহারা দেখে তাকে চেনার উপায় ছিল না।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বাউফল পৌরসভার বাংলাবাজার জামে মসজিদ-সংলগ্ন আলগী নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশের মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন ছিল। দুই হাত বাঁধা অবস্থায় ছিল। পেট কাটা এবং শরীরের সঙ্গে বস্তায় ভরা ১২টি ইট বাঁধা ছিল। এসব আলামত হত্যার সন্দেহকে জোরালো করেছে।
নিহতের বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম জানান, তার বাবা তিনটি বিয়ে করেছিলেন। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি তৃতীয় স্ত্রী মোসা. ফারজানা বেগমের সঙ্গে বাউফল পৌরসভার দাসপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার খালপাড়ে একটি বাসায় থাকতেন। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল না।
সাইফুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধারের পর ফারজানা বেগম তাদের জানান, গত বুধবার সকালে আলম গাজী নাশতা খেয়ে রোগী দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ফিরে আসেননি। পরে লাশের পরনের লুঙ্গি ও গেঞ্জি দেখে তারা বাবার পরিচয় শনাক্ত করেন।
নিহতের বড় মেয়ে মোসা. রিপা বেগম অভিযোগ করেন, তার বাবাকে তৃতীয় স্ত্রী ফারজানা বেগম হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারজানা বেগম। তার ভাষ্য, বুধবার সকালে খাবার খেয়ে রোগী দেখার কথা বলে আলম গাজী বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করা হবে।



সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


প্রকাশক: মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার    সম্পাদক: মো: জিয়াউল হক
সাঁজের মায়া (২য় তলা), হযরত কালুশাহ সড়ক, বরিশাল-৮২০০। ফোন : ০৪৩১-৬৪৫৪৪, মুঠেফোন : ০১৮২৮১৫২০৮০ ই-মেইল : hello@amaderbarisal.com
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।