Home » বরিশাল » বাবুগঞ্জ » বাবুগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান ঘিরে বিএনপির একাংশের ক্ষোভ, ইউএনওর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
৮ November ২০২৬ Sunday ৮:৫৬:৪৭ PM
বাবুগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান ঘিরে বিএনপির একাংশের ক্ষোভ, ইউএনওর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির একাংশের নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান। অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া ও পরে তা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
রবিবার সকালে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে সুলতান আহমেদ খান অভিযোগ করেন, ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি আগের দিন রাতেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান করার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়। কিন্তু রাত আনুমানিক ২টার দিকে ইউএনওর কাছ থেকে একটি চিঠি গ্রহণের পর অনুষ্ঠানের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। পরে রবিবার সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ জানানো হয়, সেখানে অনুষ্ঠান করা যাবে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনায় প্রশাসনের একটি অংশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও বিএনপির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ তোলেন তিনি।
বক্তব্যে সুলতান আহমেদ খান বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করতে হবে। বাবুগঞ্জ থেকেও ঘুষ, দুর্নীতি ও মাদক নির্মূল করতে চান তারা। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপির মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করে কেউ যেন রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা না করেন। উপজেলা পর্যায়ে কোটি কোটি টাকার কাজের স্বচ্ছতা ও টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়েও একদিন প্রশ্ন তোলা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি নিজেদের আনুগত্যের কথা তুলে ধরেন সুলতান আহমেদ খান। একই সঙ্গে বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নির্দেশনায় দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলেন তিনি।
সভায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম ফকির অভিযোগ করেন, ৮ নভেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আলোচনা সভা আয়োজনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাত তাদের জানানো হয়, অন্য পক্ষকে অডিটোরিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রথমে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিলন কাজী অনুমতি চেয়েছেন বলে জানানো হয়। পরে শিমুল সিকদারের নাম বলা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুমতি চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
শামসুল আলম ফকির আরও অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠানের ব্যানার খুলে নেওয়া হয়েছে এবং অডিটোরিয়াম তালা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যারা দীর্ঘদিন জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে রাজনীতি করেছেন, তাদের দলীয় কার্যক্রমে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তার পক্ষপাতমূলক ভূমিকা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্ত, জুয়াড়ি, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিএনপির পরিচয়ে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। বাবুগঞ্জ ও মুলাদীকে মাদক, সন্ত্রাস, দখল ও চাঁদাবাজমুক্ত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
আলোচনা সভা শেষে একটি র্যালী বের করা হয়। র্যারটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
ঢাকা-কুয়াকাটা সড়ক: কম দূরত্বে বেশি টোল
বরিশালে বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে সংঘর্ষ
নিত্য মৃত্যুর ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক: একনেকে ঠাঁই হয়নি ছয় লেন প্রকল্পের
বরিশালে খাল খননে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প
এইচএসসিতে সবাই ফেল, বরিশালের ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ