ভিডিপি প্রশিক্ষণে ভূয়া প্রশিক্ষনার্থী দেখানোর অভিযোগ প্রতিনিধি, বামনা
বরগুনার বামনা উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তহমিনা আকতারের বিরুদ্ধে গ্রামভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণে ভূয়া প্রশিক্ষনার্থী দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাগেছে, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রাম ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণে ৩৫জন প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিত দেখা যায়।
কিন্তু ৬৪ জন প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিত দেখানো হয়েছে। ৬৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রতিজন প্রশিক্ষনার্থীকে ১০দিনে ৯শত টাকা ভাতা প্রদান করা হবে। তহমিনা আকতার ৩০ জন ভূয়া প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিত দেখায়। ভূয়া প্রশিক্ষনার্থীদের অনূকূলে প্রশিক্ষণ উপকরণ, নাস্তার বিল এবং ভাতা আত্মসাৎ করেছে।
সূত্র জানায়, বামনা উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আয়োজনে ১৮ আগস্ট থেকে ১০ দিন ব্যাপী বামনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রাম ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
প্রশিক্ষণে ৩২ জন নারী এবং ৩২ জন পুরুষসহ মোট ৬৪ জন প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিত ছিল। সেখানে বামনা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তহমিনা আকতার প্রতিদিন ৬২ থেকে ৬৪ জন প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিত দেখায়।
এছাড়াও সে ২৪ আগস্ট বামনা উপজেলা ডৌয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে আনসার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৫৩ জন আনসারের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে ৭৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বামনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাসির আলম জানান- প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে ৩৫/৪০ জন প্রশিক্ষনার্থীর বসার ব্যবস্থা রয়েছে।
এব্যাপারে বামনা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তহমিনা আকতার বলেন-ভূয়া কোন শিক্ষার্থী নেই। সবাই স্থানীয়। তাই অনেকে বাহিরে যেতে পারে। তবে সবাই সময়মত ফিরে আসবে।
বরগুনা জেলা আনসার ও ভিডিপি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মোঃ খলিলুর রহমান বলেন- প্রশিক্ষনার্থী উপস্থিতির বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |