ভোলায় ১৪ জন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল সংরক্ষণ করা হচ্ছে
জেলার সদর, দৌলতখান ও চরফ্যাশন উপজেলায় ১৪ জন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্থানীয় গণপূর্ত বিভাগ এসব কাজ বাস্তবায়ন করছে। প্রত্যেকটি কবর সংরক্ষণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার টাকা করে। চলতি মাসের মধ্যে এর ১২টি সমাধির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বাকি দুটির কাজ পর্যায়ক্রমে শুরু করা হবে।
জেলা গণপূর্ত বিভাগ সূত্র জানায়, সমাধিস্থল সংস্কার করা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার শহীদ আবদুল হক, শহীদ আবুল হোসেন ডাক্তার, শহীদ সিকান্দার আলী, শহীদ বিল্লাল মোস্তফা, শহীদ আব্দুল জব্বার। দৌলতখান উপজেলার শহীদ শাহ আলম, শহীদ আলমগীর, শহীদ দরবেশ আলী, শহীদ ফজর আলী, শহীদ সামসুল হক শরীফ, শহীদ খোরশেদ আলম ও শহীদ দাউমউদ্দিন । এছাড়া চরফ্যাশন উপজেলার শহীদ মোস্তাফিজুর রহমান ও শহীদ শহীদুল হকের কবর সংরক্ষণ করা হবে।
জেলা গণপূর্ত বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আলাউদ্দিন আউয়াল বাসস’কে বলেন, শহীদদের এসব সমাধি দীর্ঘদিন অবহেলা ও অযতেœ ছিলো। সরকার উদ্যোগ নিয়ে এসব সমাধি সংরক্ষণ করছে। প্রত্যেকটি সমাধিতে নাম ফলকসহ, অত্যাধুনিক মার্বেল পাথর স্থাপন করা হচ্ছে। চলতি মাসের মধ্যে ১২টি সমাধির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া অন্য দুটির কাজ পর্যায়ক্রমে শুরু করা হবে।
এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. হাবিবুর রহমান বলেন, জেলায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবর যদি সংরক্ষণ করা না হতো, তাহলে আগামী নতুন প্রজন্ম শহীদদের সম্পর্কে অনেক তথ্যই জানতে পারতোনা। ফলে এখন যুগের পর যুগ এসব সমাধি দেখে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁতা ইতিহাস সম্পর্কে জানবে নতুনরা।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
পুলিশের ধাওয়ায় ড্রেনে পড়ে আ.লীগ নেতার মৃত্যু, স্বজনদের অভিযোগ
বরিশালে কিশোর গ্যাংয়ের সশস্ত্র শোডাউন
বরিশালে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন
ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন প্রকল্প:লাল কালির নম্বরেই বছরের পর বছর পার