Home » পাঠকের লেখা » মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনীতি, ভারত বিরোধিতা ও সংখ্যা লঘু বাঙ্গালী
৩ April ২০২৬ Friday ৪:৩৬:০৯ PM
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনীতি, ভারত বিরোধিতা ও সংখ্যা লঘু বাঙ্গালী
সৈয়দ মুন্নাঃ আপনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীতা স্বীকার কারী এদেশে পাবেন না। যারা মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধীতা করেছিল তারাও এখন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার সরাসরিতে যায়না। আপনি যদি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ করেন, তাইলে মুক্তিযুদ্ধের সব কিছুর ই পক্ষ আপনাকে করতে হবে। এটাইতো নিয়ম। কিন্তু আপনি যদি মুক্তিযুদ্ধের কোন একটি উপাদানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে থাকেন; এবং সেক্ষেত্রে হাজারো নানান অজুহাত বের করার চেস্টা থাকে তাহলে আপনি কেন প্রশ্ন বিদ্ধ হবেন না! এমন প্রশ্ন কিন্তু থাকছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বিরোধীতা করেছিল; তাদের কে সেই মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ীর দেশেই থাকতে হচ্ছে,রাজনীতি করতে হচ্ছে, এবং পুর্বের সেই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার চাইতেও রাস্ট্রের বিরোধীতার রাজনীতি তাদের করে যেতে হচ্ছে সাংগঠনিক আদর্শ হিসেবে। এখন তো আর মুক্তিযুদ্ধ নাই, তাই তারা মুক্তিযুদ্ধের এখন পক্ষেও না বিপক্ষেও না, তবে যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই রাস্ট্র, সেই রাস্ট্রে থেকে রাস্ট্রের মুক্তিযুদ্ধের যেই উপাদান তার সাথে জনগনের একটা সাংঘর্ষিক রেখায় দাড় করানো যে পথ রেখা তা সাধারনের চোখে কোন দোষ ধরা পরে না। এখন প্রযন্ত পড়ে নাই। সাধারন জনগনের রাজনীতি বোঝা কাজ না। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনীতিটা এভাবেই চলছে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা নিজেদের প্রশ্নবিদ্ধের বাইরে রাখার জন্য সরাসরি তাদের কোন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা নাই।
বরঞ্চ তাদের কর্মতৎপরতা হল, মনে করেন “জ” বানানো। সেই “জ” নিজেকে অনেক বড় ধার্মিক মনে করানো এবং অন্যকে অনেক বড় বিধার্মিক মনে করিয়ে দেয়া। এখানেই শেষ নয়।
বিধার্মিকদের প্রতি প্রচন্ড ঘৃন্যা স্খাপন করানো হাজারো- কৌশলে। অনেকটা গাছ কাটবার জন্য দা বানানোর মতন অবস্থা। দা বানানো হয়ে গেলে যত মন চায় গাছ কাটার ব্যবস্থা। এভাবেই তারা একেকটা “জ” তৈরী করে। যে “জ” রা নিজেদেরকে অনেক বড় ধার্মিক মনে করে, অনেক বড় বুদ্ধিমান মনে করে, আর সবাইকে বলদ মনে করে এবং তার চাইতে কম ধার্মিক মনে করে। ভারত বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের সময় সাহায্য করেছে, ভারতে যে মুসলমান রয়েছে তার সংখ্য বাংলাদেশের মুসলমানের সংখ্যার চাইতে বেশী। এই “জ” শ্রেণীরা ভারতকে বিধার্মিক মনে করে প্রচন্ড ঘৃন্যা করতে শেখে। এখন মনে করেন, এই “জ” শ্রেনীরা পিতা মাতা আপন ভাইয়ের এবং আপন বোন, চাচা, মামা, খালার হক ঠকিয়ে বসে আছে। পাড়া প্রতিবেশীর হক ঠকায়। আর আপনি মনে করেন দেশে ৫০০ মসজিদ বানায়ে দিছেন। সদাচার করেন। দান খয়রাত করেন। কিন্তু সাধারনের কাছে আপনাকে কোনমতে ভারতের দালাল বানিয়ে দিলেই আপনি খারাপ, প্রচন্ড খারাপ হয়ে যাবেন। আপনাকে আর বাঁচিয়ে রাখা যাবেনা এমন খারাপ আরকি।
আর ঐ “জ” শ্রেনীরা ভাল। এই যে ভাল, তা কিন্তু যেন-তেন ভাল; এমন ভাব্বেন না। এই হল অবস্থা।আপনি হয়তো ভাব্বেন আরে আমি তো ভারতের পক্ষে কোন কথা বলি নাই। বা আমাদের রাস্ট্রের কোন সম্পদ ভারত নিয়ে যাবে, তাতে সম্মত হই নাই। আমি শুধু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আমার জোড় অবস্থান জানিয়েছি। অর্থ্যাৎ এরকম করলেই আপনি “জ” বাহিনীর শিকারে পরিনত হবেন।
জ” বাহিনীরা এই দেশকে ভালবাসে তা দেখানোর জন্য বাংলাদেশের সম্পদ ভারত নিয়ে যাচ্ছে, বা ভারত মারা দিচ্ছে বলে বলে কান্দা কাটি করতেই থাকে। মানুষে ভাবে আহা এই “জ” আলারা কতই না যেন দেশ প্রেমিক। জ” বাহিনীরা দাবী করে, ভারতেরা বিধার্মিক এই দেশ ভারত দখল নিবে এভাবেও সাধারনের ভেতর একটা ভয় কাজ করিয়ে ভারত বিদ্ধেষীতা গড়ে তোলে।
অনেকেই আবার ভাল করেই জানে যে, এই “জ” আলারা কি রকম খারাপ। কিন্তু তাদের আবার ভাষ্য ভিন্ন! তারা এমন ভাবে ম্যানেজ হয়ে আছে যে, তাদের মতে এই “জ” আলারা ভারতের চাইতে কম খারাপ, এমন আরকি। অর্থ্যাৎ ওরা এমন বেহুশ যে ওরা জানে যে, “জ” অয় খারাপ, অয় বেহুদা, অয় সমাজ, রাস্ট্র, ধর্ম সব কিছুর জন্য খারাপ। তারপরো তাদের মত হল ওরা ভারতের চাইতে কম খারাপ বিধায় – ওদের মানে “জ” আলাদের “পক্ষ” করা যাবে। তাতে কোন দোষ হবে না। ভারতকে একটা মাণদন্ডের মত দাড় করিয়ে দিয়েছে।
এই “জ” এরা নিজেদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে বা বেশী লাভ করতে অন্যের ব্যবসা কে ভারতীয় পন্য ট্যগ দিয়ে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানই পুড়িয়ে দিয়েছে। এমন নজীরও আছে। এমন টাই হচ্ছে এখন বাংলাদেশে। প্রশ্ন হচ্ছে করছে কারা? উত্তর হল ঐ মুক্তিযুদ্ধেন সময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা কারীরাই এখন এসব করছে। নিজেদের ফায়দা তোলার জন্য।
স্বাধীনতা বিষয়টি এমন না যে পাকিস্থানী পাকিস্থানীরা মারামারি কইরা আলাদা হইয়া যাইয়া একটা রাস্ট্র বাংলাদেশের জন্ম হইছে। পরে আবার পাকিস্খান পাকিস্থান মিলে যাবে। অনেকেই এমন টা বোঝে বা বুঝায়। বিষয়টা এমন যে, যুদ্ধটা ছিল বাঙ্গালীদের সাথে আর পাকিস্থানীদের। এবং আক্রমন কারী ছিল পাকিস্থানীরা। নীরিহ বাঙ্গালীদের উপর আক্রমন করেছিল। পাকিস্থানিরা পাকিস্তানীদের উপর আক্রমন করেনি। লড়াইটা ছিল পুর্বপাকিস্থান আর পশ্চিম পাকিস্তানের বাঙ্গালী আর পাকিস্থানীদের বিরুদ্ধে।
কোটা আন্দোলন করতে যেয়ে, অভ্যন্তরীন সুবিধাবাদীদের কৌশলে একটা সরকার ফেলে দিয়ে তারপর আহাম্মকের মতন স্বাধীনতা দাবী করার মতন এমন স্বাধীনের স্বাধীনতা ছিলনা এটা।
১৮৪৮ সাল, ১৯৫২ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ছয় দফা, ১৯৬৯ এ গন অভ্যুত্থান, ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ’ নামকরণ আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়। (এদিন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ‘পূর্ব পাকিস্তান’-এর পরিবর্তে এই ভূখণ্ডের নাম ‘বাংলাদেশ’ ঘোষণা করেন।) এরপর ১৯ ৭০ এর নির্বাচন ১৯৭১ এর ৭ মার্চের ভাষন, ১৯৭১ এর মার্চের ২৫ তারিখ দিবাগত রাত অর্থ্যাৎ ২৬ তারিখে বঙ্গবন্ধু কতৃক স্বাধীনতার ঘোষনা, ১৯৭১ এর ১০ এপ্রিল মুজিব নগর সরকার গঠন, ১৯৭১ এর ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকারের শপথ গ্রহন, ১৯৭১ এর ৩রা ডিসেম্বর ভারতের সাথে মিত্রতা গঠন, ১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর পাকিস্থানিদের স্যারেন্ডারে বাধ্য করা (জেনেভা কনভেশন অনুযায়ী), তারপর ১৯৭২ সালের ১২ ই মার্চ ভারতীয় সৈন্য প্রত্যবর্তন, ১৯৭২ ২ রা জুলাই শিমলা চুক্তি, ১৯৭৩ এর ২৮ আগস্ট দিল্লি চুক্তি, বিশ্বের সকল রাস্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকৃতি ; এমনি অনেক ঘটনার মধ্য দিয়ে এই বাংলাদেশ নামক রাস্ট্রটির জন্ম হয়।
আর এই বাঙ্গালীর দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে বার বার যারা বাধা হয়ে দাড়িয়েছে তারা হল ঐ পাকিস্তানীরা। সেদিন যারা বাংলাদেশকে উপকার করেছে তার ভেতর অন্যতম হল ভারত, রাশিয়া। আজো ঐ পাকিস্থানিরা ভারত ও রাশিয়া বিরোধীতা অব্যাহত রেখেছে। যুদ্ধের ৯ মাস ভারতের অবদানকে স্বীকার করার পরও, অনেক সময় ভারত বিরোধিতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়। রাশিয়া হতে কোন কিছু কিনতে হলে এখন আমেরিকার অনুমতি লাগে। যখন পাকিস্থান পন্থিরা ক্ষমতায় থাকে এ দেশে।
বাঙ্গালীদের উভয় পাকিস্থানে যুদ্ধ ছিল পাকিস্থানী আর বাঙ্গালীর। পাকিস্থানীদের তুলনায় বাঙ্গালী ছিল অল্প। পশ্চিম পাকিস্থানে গুটিকয় বাঙ্গালী ছিল আর পুর্বপাকিস্থানে ছিল তবে পুর্ব পাকিস্থানিদের তুলনায় অল্প।
১৯৭১ পুর্বপাকিস্থানে জনগন ছিল সাড়ে সাত কোটি। এর ভেতরে পুর্বপাকিস্থানী আর বাঙ্গালী। পাকিস্থানিরা তো বাঙ্গালীদের পক্ষে যুদ্ধ করতে আসেই নাই; বরং বিরোধীতা করছে জামাত, আলবদর, আল শামছ, রাজাকার নামে আবার বেনামেও। বাংঙালীদের ভেতরে এখন প্রযন্ত সর্বোচ্চ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা পাওয়া গেছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৬ জন। এখন অনুমান করেন, বাঙ্গালীদের সংখ্যা কত হতে পারে?
সেদিন যুদ্ধে বাঙ্গালীরা পরাজিত হলে সেই পুর্বপাকিস্তান পুর্ব পাকিস্তানই থেকে যেত, বাংলাদেশ আর হত না। বাঙ্গালীর কোন পরিচয় থাকতো না। বাঙ্গালী এখন পুর্বপাকিস্তানী রুপে পরিচয় বহন করতে হত। যেমন পুর্বপাকিস্তানিরা এই বাংলাদেশে বাঙ্গালী পরিচয়ে ঘাপটি মেরে আছে অন্তর্দহন নিয়ে। সময় সুযোগ পেলেই জানান দেয় তাদের নিজেদের অস্তিত্বের কথা। দিয়ে ওঠে পাকিস্থানি শ্লোগান। কায়েম করতে চায় রাস্ট্র কে পুর্ব পাকিস্তান রুপে। বাঙ্গালীদের প্রতি নিতে চায় ১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ। তার জন্য কত ছল- ছলনা। সরল -সাধারনেরা এসবতো বোঝেনা।
অর্থ্যাৎ এই বাংলাদেশে সবাই বাঙ্গালী না। কেউ বাংলাদেশী, কেউ সাবেক পুর্বপাকিস্তানি আবার কেউ সরাসরি নিজেদেরকে পাকিস্তানি বলে দাবি করে থাকে। পিওর বাঙ্গালী গুটি কয় এখনো। সাধারন মানুষের এসব বোঝার কি সময় আছে? তাদের কে ধর্ম অধর্মের গ্যারাকলে ফেলে পাপ পুন্যের মাণদন্ড দাড় করিয়ে দেয়। বুঝিয়ে দেয় কোনটা করা পাপ আর কোনটা করা পুন্যের। সাধারন মানুষের কাছে ভারত হল হিন্দু পাকিস্তান হল মোসলমান। পাকিস্তানি আর বাঙ্গালীদের বেলায় ও একই। শুরুটা হয় গোপনে নুন দিয়ে লবনের পার্থক্যে। আর প্রকাশ্য জল আর পানিতে। লাল পিপঁড়া মোসলমান আর কালো পিপঁড়া টা হিন্দু এসব শেখানের ভেতর দিয়ে।
এই বাংলাদেশে থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি বিরোধীতা করলে আসলেই মানুষও খারাপ বলবে; তাই অনেকে ভারত বিরোধীতা করেই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার ঝাল মিটিয়ে থাকেন। আর মুক্তিযুদ্ধের দল কে ভারতের দালাল রুপে আখ্যায়িত করে সাধারন মানুষ কে বিষিয়ে তোলার মত মোনাফেকি চরিত্রকে ধর্মিয় রাজনীতি বলে জ্ঞান করেও থাকেন অনেকে।
এ অঞ্চলে বাঙ্গালীরা অনেক সংখ্যা লঘু। তাই তাদের রাজনীতির ফল পেতে অনেক সময় লাগে।
২৫ বছর সাধনা করে একটি বাঙ্গালী রাস্ট্রের জন্ম দিতে হয়েছে বাঙ্গালীদেরকে। এখানে সমস্যাটা বাঙ্গালীর না। সমস্যা হল বাঙ্গালীর সংখ্যা কম পুর্বপাকিস্থানীদের তুলনায়।
মূলত, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ক্ষমতার রাজনীতি করছে কেউ কেউ। এটা স্বাভাবিক এর বিপরীতে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিরা ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের সমীকরণে ফেলাইয়া সংখ্যালঘু বাঙ্গালীদের অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে চাচ্ছে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বৃক্ষ রোপণের বড় চ্যালেঞ্জ পরিচর্যা নিশ্চিত করা : তথ্যমন্ত্রী
বরিশালে বাড়ছেই ডেঙ্গু, চলতি মাসে আক্রান্ত ১৪৫০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: অর্ধেক শিক্ষকের পদ ফাঁকা শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ
আগুনে পোড়া ভবনে ৭.৪২ কোটি টাকার ‘ভুতুড়ে’ সংস্কার: বিসিসির অর্থ লোপাটের চাঞ্চল্যকর চিত্র