Home » দশমিনা » পটুয়াখালী » দশমিনায় রান্নাঘর থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে ভস্মীভূত তিন সহোদরের বসতঘর
৩ November ২০২৬ Tuesday ১:৪০:০২ PM
দশমিনায় রান্নাঘর থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে ভস্মীভূত তিন সহোদরের বসতঘর
দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে তিন সহোদর ভাইয়ের তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্রসহ ঘরে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, এতে তাঁদের ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম আলীপুর গ্রামের মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা হলেন ওই গ্রামের মৃত গঞ্জোর আলী মৃধার ছেলে ইউনূস মৃধা, নুরু মৃধা ও ইব্রাহিম মৃধার পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত গঞ্জোর আলী মৃধার তিন ছেলে একই বাড়িতে পাশাপাশি তিনটি বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। গতকাল দুপুরে ইব্রাহিম মৃধার রান্নাঘর থেকে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পান তাঁর ভাই ইউনূস মৃধা। বাতাসের কারণে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে তিন ভাইয়ের তিনটি বসতঘর পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ইউনূস মৃধা বলেন, ‘আমরা তিন ভই। আমি জীবিত আছি, বাকি দুই ভাই মারা গেছেন। আমি গোসল করতে বের হয়ে উঠানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ দেখি, ভাই ইব্রাহিম মৃধার ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। দৌড়ে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করি, কিন্তু আগুনের তাপে ঢুকতে পারিনি। পরে চিৎকার করলে এলাকার লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আমাদের তিনটি ঘরই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নগদ টাকা, আসবাবপত্র ও স্বর্ণালংকার কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। বেঁচে থাকার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।’
গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দলনেতা মো. জাকির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে তিনটি ঘরের নগদ টাকা, আসবাবপত্রসহ মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা হতে পারে।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, খবর পেয়ে আমি ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক: টোলের নামে ৬ পয়েন্টে কোটি টাকার চাঁদাবাজি
বরিশালসহ দেশের ৮ বিভাগে বৃষ্টির আভাস
এইচ,এস,সি: বরিশালে ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল
বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৮৪, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন
সুন্দরবনের জলপথে যাঁকে ভরসা করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা, মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়েই বিতর্ক