বিসিসি নির্বাচন: তল্লাশির নামে হয়রানির অভিযোগ সাঈদ পান্থ
বরিশাল :: বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে নগরীতে টহল জোরদার করেছে বিজিবি। পাশাপাশি র্যাব, পুলিশ, আনসার ভিডিপি, কোষ্টগার্ডসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সাড়ে ৪ হাজার সদস্য টহল জোরদার করেছে। সন্দেহভাজন ব্যাক্তিদের বাসায় চালান হচ্ছে তল্লাশি। তবে বিএনপি’র অভিযোগ, শুধুমাত্র তাদের নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে রাতের বেলা তল্লাশির নাম করে হয়রানি করা হচ্ছে, ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএমপি।
মেয়রপ্রার্থী কামালের প্রধান সমন্বয়কারী সাংসদ মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘আনারস প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের বাসায় গভীর রাতে তল্লাশির নামে হয়রানি করছে পুলিশ। এসময় কর্মীদের বাসার লোকজনকেও ভয়ভীতিও দেখানো হচ্ছে। এবিষয় রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করা হয়েছে কিন্তু তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি।
সাংসদ সরোয়ার বলেন, বর্তমান পুলিশ প্রশাসন নির্বাচনকালীন অবস্থায় থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না। বরং আমাদের নেতাকর্মীদের অযথা হয়রানি করছে ও ভোটদান থেকে বিরত রাখতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
বিএমপি’র উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) টিএম মুজাহিদুল ইসলাম জানান, শুধুমাত্র চিহিৃত সন্ত্রাসীদের বাড়িতেই তল্লাশি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কারও বাসায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে না।
এদিকে যুবদল নেতা পারভেজ আকন বিপ্লব জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসায় র্যাব, পুলিশ ঘেরাও করে। এরপর তারা বিভিন্নভাবে তাকে হয়রানি করে ও আপত্তিকর কথাবার্তা বলে চলে যায়।
এদিকে বরিশাল সিটি নির্বাচন উপলক্ষে ১৩ জুন বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল দিতে শুরু করেছে ৪ প্লাটুন বিজিবি। নগরীর সদররোড, বগুরা রোড, সিএন্ডবি রোড, বান্ধ রোড, হাসপাতাল রোড, আলেকান্দ, বাংলাবাজর আমানতগজ্ঞসহ বিভিন্ন স্থানে বিজিবির টহল দেখা গেছে। এদিকে বিজিবি নগরীর সদর রোডে টহলকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ দেখা গেছে। তারা হাতে তালি দিয়ে বিজিবিকে স্বাগত জানিয়েছে।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে নগরীতে ১০ ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ হওয়া যানবাহনের মধ্যে বেবি ট্যাক্সি, টেক্সিক্যাব, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, বাস, পিকআপ ভ্যান, ট্রাক ও টেম্পো।
উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) টিএম মুজাহিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন স্বাপেক্ষে সংবাদ সংগ্রহের জন্য নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সংবাদ কর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শকদের যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, এছাড়াও দমকল বাহিনী, এ্যাম্বুলেন্সসহ কিছু জরুরী প্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |