বামনার মৎস্যজীবী লীগের সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা মিজানুর রহমান টিপু, বামনা
বরগুনার বামনা উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মো. নূর আলম সিদ্দিকীকে (৫৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
আজ বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তার স্ত্রী সালমা খন্দকার এবং পুত্র মো. আহাদ সিদ্দিকী গুরুতর আহত অবস্থায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জানা যায়, বামনা উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মো. নূর আলম সিদ্দিকী বুধবার ভোর রাতে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য উপজেলার দক্ষিণ রামনা গ্রামের নিজবাড়ী পুকুরে ওজু করার জন্য যায়। তখন প্রতিপক্ষ একই বাড়ির মৃত ডাঃ মতিউর রহমানের ছেলে গোলাম কবির হোসেন (৫২), গোলাম ফারুক হোসেন (৪৫) এর নেতৃত্বে মৃত আঃ লতিফের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন মিন্টু (৫০), মেয়ে শাহানারা হেনা(৪৫), গোলাম ফারুক হোসেনের ছেলে মো. আশিকুর রহমান বাবুসহ (২০)০/২৫ জন গ্রুপ তাকে (নুর আলম সিদ্দিকীকে) রামদা, ছেনা এবং চল দিয়ে এলোপাতারি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
ওই সময় তার ডাকচিৎকার শুনে ছেলে আহাদ সিদ্দিকী এবং স্ত্রী সালমা খন্দকার দৌড়ে আসলে তাদেরও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তারা আহত মো. নূর আলম সিদ্দিকীকে পুকুরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২ টায় মো. নূর আলম সিদ্দিকী মারা যায়।
উল্লেখ, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মো. নূর আলম সিদ্দিকিকে হত্যা করার জন্য ১৯৯৯ সালে গোলাম কবির হোসেন গুলি করে ছিল। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে বামনা থানায় কোন মামলা হয়নি, ঘাতকদের কাউকে আটকও করতে পারেনি।
এ ব্যাপারে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুদ্দিন জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদনা: বরি/প্রেস/মপ |