সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি সময়ের প্রয়োজনেই জন্ম ছাত্রলীগের। ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে, তৈরি পথে কখনো হাঁটেনি ছাত্রলীগ। বরং পথ তৈরি করে নিয়েছে বারবার। অহর্নিশ লড়াই সংগ্রামে ইতিহাসের অগ্নিগর্ভে জন্ম নিয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সেই ছাত্রলীগে কোনো অপশক্তি নতুন করে ভর করতে পারে না। পিঠে চেপে বসলেও ছিটকে পড়বে ঘোড়ার পিঠে বসা অচেনা সহিসের মতো। যে শক্তি চিরদিন সৃষ্টি করেই গেছে, সে শক্তি ধ্বংস এবং বিনাশের হতে পারে না। ব্রিটিশ পরাধীনতার কবল থেকে মুক্ত হয়ে পাকিস্তানি পরাধীনতায় প্রবেশের এক বছরের মাথায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিন ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে এগিয়ে রেখেছিলেন দুই যুগ। আজ ইতিহাসের সাধারণ পাঠক মাত্রই জানেন, বাংলা ও বাঙালির যা কিছু সোনালি অর্জন তার সবকিছুরই গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
পৃথিবীর দেশে দেশে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস খুঁজলে দেখা যাবে, সময়ের প্রয়োজনে জন্ম নিয়েছে অনেক সংগঠন। অতঃপর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে সময়কে। বছরের পর বছর লড়াই-সংগ্রামের আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হয়েছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতির পিতা, বাঙালি জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন, তার জীবন ও যৌবনের উত্তাপে শুদ্ধ সংগঠন, তার সোনার বাংলা বিনির্মাণের কর্মী গড়ার পাঠশালা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বিদ্যার সঙ্গে বিনয়, শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষা, কর্মের সঙ্গে নিষ্ঠা, জীবনের সঙ্গে দেশপ্রেম এবং মানবীয় গুণাবলির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অতিক্রম করেছে পথচলার ৬৮ বছর। লড়াই, সংগ্রাম আর ঐতিহ্যের ৬৯তম বসন্তে পদার্পণ করেছে সংগঠনটি। জন্মলগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের সময় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘এক শকুনির হাত থেকে অন্য শকুনির হাতবদল মাত্র’। সেই সময় শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র। তিনি ছিলেন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের পর বাঙালিরা নতুনভাবে শোষণের জাঁতাকলে পড়ে। প্রথমে আঘাত হানে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলার ওপর। শেখ মুজিবুর রহমান তখনই অনুভব করলেন শোষণের কালো দাঁত ভাঙার একমাত্র হাতিয়ার ছাত্রসমাজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন প্রতিষ্ঠা করেন ‘পাকিস্তান ছাত্রলীগ’। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ওইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের যাত্রা।
১৯৪৮ সালে নঈমুদ্দিন আহমদকে আহ্বায়ক করে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রথম সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়। ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রথম কাউন্সিল অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে দবিরুল ইসলামকে সভাপতি ও খালেক নেওয়াজকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ভাষা আন্দোলনের সময় খালেক নেওয়াজ ও কামারুজ্জামান এবং এমএ ওয়াদুদের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ রাজপথে কাজ করেছে।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক মুক্তির যে প্রগতিশীল ধারা ’৫২-এর ভাষা আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিল, জন্ম দিয়েছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন ওই ধারাকেই আরো শক্তিশালী করে এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর যে দুর্বল রাজনীতির সূচনা হয়েছিল, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন সে রাজনীতির সামনে একটি স্পষ্ট আদর্শ উপস্থিত করে এবং ষড়যন্ত্র, ক্যু, পাল্টা ক্যুর অতীত রাজনীতিকে একটি প্রকাশ্য গণতান্ত্রিক চরিত্র প্রদান করে। সেদিক থেকে বিচার করলে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মতো আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের আর একটি মাইলফলক।
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ছিল রাজপথের প্রমিথিউস। আইয়ুব শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে ছাত্রসমাজ। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে, ব্যারিকেড ভেঙে রাস্তায় নেমে পড়ে। তাদের স্লোগান ছিল, ‘জেলের তালা ভাঙব, শেখ মুজিবকে আনব। তোমার নেতা, আমার নেতা, শেখ মুজিব শেখ মুজিব।’ ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের সমাবেশে বলেছিলেন, ‘দানবের সঙ্গে লড়াইয়ে যে কোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। ২৩ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজনবোধে বুকের রক্তগঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করব না।’ তাই তো মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রাণের সংগঠনের ১৭ হাজার বীর যোদ্ধা তাদের বুকের তাজা রক্তে এঁকেছেন লাল-সবুজের পতাকা, এঁকেছেন ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এক সার্বভৌম মানচিত্র। সেসব বীর যোদ্ধাই আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের শক্তি, আমাদের সাহস।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর মধ্যে আছে তরুণ মুজিবের নান্দনিকতা ও আদর্শ, আছে কাজী নজরুলের বাঁধ ভাঙার শৌর্য, আছে ক্ষুদিরামের প্রত্যয়, আছে সুকান্তের অবিচল চেতনা। তাই তো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শিক্ষার অধিকার রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থ সুরক্ষায় সবসময় মঙ্গলপ্রদীপের আলোকবর্তিকা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে চার দিগন্তে।
১৯৭৫-পরবর্তী বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভাগ্যাকাশে যে কালো মেঘ গ্রাস করেছিল, সে মেঘ সরাতে প্রত্যাশার সূর্য হাতে ১৯৮১ সালে প্রত্যাবর্তন করেন আমাদের প্রাণের নেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা। সেদিন প্রিয় নেত্রীর পাশে ভ্যানগার্ডের ভূমিকায় ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সামরিক শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৮৩ সালে শিক্ষা আন্দোলন ও সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের ১০ দফা তৈরিতে নেতৃত্ব দেয় ছাত্রলীগ। শিক্ষার অধিকার প্রসারে শামসুল হক ও অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর কমিশনের রিপোর্ট তৈরিতে ছাত্রসমাজের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ।
১৬ কোটি বাঙালির প্রাণের স্পন্দন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুনিপুণ কারিগর, বিশ্বজয়ী নেত্রী, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, নারী মুক্তির পথপ্রদর্শক দেশরতœ শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে ছাত্রলীগ ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতি মোকাবিলায় পালন করেছে অগ্রণী ভূমিকা। সে সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দিনে তিন বেলা নিজ হাতে রুটি তৈরি করেছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। সারা রাত জেগে প্রস্তুত করেছেন খাওয়ার স্যালাইন। সেগুলো পৌঁছে দেওয়া হয়েছে দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের বন্যাসহ সব প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ছাত্রলীগ একই কার্যক্রম নিয়ে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ছাত্রলীগ। ২০০২ সালের ২৩ জুলাই ছাত্রদলের নেতারা গভীর রাতে শামসুন্নাহার হলে ঢুকে ছাত্রীদেরকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সেদিন শামসুন্নাহার হলের ছাত্রী-বোনদের সম্ভ্রম রক্ষায় ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছিল।
১/১১’র সময় ছাত্রলীগ রাজপথে সর্বদা পরিশ্রম করেছে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাংলার জনগণের রায় নিয়ে ডিজিটাল এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলার মানুষের সেবায় নিয়োজিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে ছাত্রলীগ।
আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি দুস্থ শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদান, বৃক্ষ রোপণ, পথশিশুদের জন্য ভ্রাম্যমাণ পাঠদান কর্মসূচি ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের চর্চা। ইতিহাসের অমোঘ নির্দেশেই যেন ছাত্রলীগ লড়াই করেছে ইতিহাসেরই শত্রুর বিরুদ্ধে। অর্ধশতাব্দীর অধিক সময় ধরে কার্যকর এ গঠনতন্ত্র এখন বাঙালির সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাসের অনিবার্য উপাদান চলার পথে পাথেয় হয়েছে হাজার বছরের ইতিহাসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের আদর্শিক প্রেরণা। জাতির জনকের ভাষায়, নেতার মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু সংগঠন বেঁচে থাকলে আদর্শের মৃত্যু হতে পারে না।
১৬ কোটি জনতার প্রাণের স্পন্দন গণতন্ত্রের মানসকন্যার ভিত্তিকে আরও বেশি মজবুত করেছে লাল-সবুজের পতাকায়। দেশের মধ্যে নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে রাজপথ প্রকম্পিত করেছিলেন ছাত্রলীগের ছেলেরাই। অথচ গণমাধ্যমগুলো সেদিন তাদেরকে সন্ত্রাসী বলেই প্রচার করেছিল। হেফাজত এবং তাদের অন্ধকারাচ্ছন্ন ১৩ দফাকে রুখে দিয়েছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলার জমিনে রাজাকারদের ফাঁসি দিয়ে বাংলার জমিনকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা। আর সেই ফাঁসির রায়কে অবমাননা করে একের পর এক হরতাল ডেকে দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করার প্রয়াস নিয়েই মাঠে নেমেছিল জামায়াত-শিবিরের দোসররা।
২০১৫ সালের শুরুতে গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে ৯৩ দিন যাবৎ হরতাল-অবরোধের মাধ্যমে তারা তা-ব এবং জ্বালাও-পোড়াও ও গাড়ি ভাঙচুরের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল। তাদের সেসব মানুষ পোড়ানো রাজনীতিকে বিপ্লবী জনতার সামনে তুলে ধরে আসল মুখোশ খুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এতে করে বিএনপি-জামায়াতের গণতন্ত্রের আসল রূপটি মানুষের কাছে ধরা পড়েছে। একেবারে সাধারণ নিরীহ দেড় শতাধিক মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়। যারা প্রকৃতভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চা করে তাদের দ্বারা এ ধরনের মহাসন্ত্রাস জনজীবনে সৃষ্টি হতে পারে না।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার সোনালি অতীতের মতো সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়বে। আর সে জন্যই দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টায় ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে সর্বোচ্চ অবদান রাখছেন। ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নে প্রযুক্তি দক্ষ ছাত্রসমাজ তৈরিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কাজ করছে ও করবে। সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ১৯ দফা দাবি পেশ করেছে। ভবিষ্যতেও ছাত্রলীগ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ শিক্ষাসেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তাকল্পে কাজ করবে। নবীনদের মেধা দেশ গড়ার কাজে লাগুক, স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে বিধৌত হোক নতুন প্রজন্মের বিবেক ও চেতনা। অনাগত প্রজন্মের লড়াই হোক সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আর মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে, সব অশুভ শক্তিকে পেছনে ফেলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে, দেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
মো: মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু
সাবেক আহবায়ক,খালেদাবাদ ইউ;ছাত্রলীগ
সাবেক সভাপতি,সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্রলীগ
সাবেক সাধারন সম্পাদক, বরিশাল শহর ছাত্রলীগ
|