বরগুনার পাথরঘাটায় জেলের জালে ধরা পড়েছে দেড় কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। মাছটি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মণ হিসেবে। এতে মাছটির দাম আসে প্রায় ৫ হাজার টাকা।
আজ সোমবার সকালে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটের মেসার্স শাম্মি মৎস্য আড়ত থেকে মাছটি কেনেন মৎস্য পাইকার মো. শিমু। পরে অধিক লাভের আশায় ইলিশটি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী বাজারে পাঠানো হয়। এর আগে গতকার রোববার রাতে পাথরঘাটা উপজেলা সংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে জেলেদের জালে ইলিশটি ধরা পড়ে।
মৎস্য পাইকার মো. শিমু জানান, আজ সোমবার সকালে বলেশ্বর নদীর জেলেরা ইলিশটি বিক্রির জন্য বিএফডিসি মৎস্য ঘাটের অড়ৎদার সাইকুল ইসলামের মেসার্স শাম্মি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। নিলামে ইলিশের দর প্রতি মণ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ওঠে। ওই দরেই নিলামের মাধ্যমে মাছটি কেনা হয়।
স্থানীয় জেলেরা জানান, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর থেকেই বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর ও নদীতে মাছ শিকারে প্রতিকূলতা তৈরি হয়েছে। ফলে অধিকাংশ জেলেই আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন না। এর মধ্যেই জালে বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে আনন্দ দেখা দিয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে বড় ইলিশের সংখ্যা কম বলেও জানান তাঁরা।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া জেলেদের জন্য অবশ্যই সুখবর। গভীর সমুদ্রের পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকাতেও এখন বড় ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন না। সামনের দিনগুলোয় হয়তো আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়বে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালে নিম্নমানের পণ্য কিনতে বাধ্য করছে টিসিবি
পুলিশের আচরণগত সমস্যা দূর করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে : বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি