পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় নারী ঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি বখাটে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় অর্ক চ্যাটার্জী নামের এক ছাত্রদল নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলায় তার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের মন্দির গেট এলাকায় এ সহিংস ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কালাইয়া মদন মোহন জিউড় আখড়াবাড়ির মন্দিরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে অর্ক চ্যাটার্জী তার বন্ধুদের নিয়ে অংশ নেন। অনুষ্ঠান চলাকালে স্থানীয় বখাটে জয় কুন্ডু, প্রীতম দেবনাথ ও সজিব শীলের নেতৃত্বাধীন একটি দল সেখানে গিয়ে একটি নারী সংক্রান্ত পুরনো বিরোধ নিয়ে অর্কের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে বখাটেরা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর শুরু করে। অর্ক এর প্রতিবাদ জানালে এবং হামলার কারণ জানতে চাইলে বখাটে জয় কুন্ডু তাকে লক্ষ্য করে লোহার রড দিয়ে সজোরে মাথায় আঘাত করে। রডের আঘাতে তার মাথা ফেটে রক্তভেজা অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এ সময় আশপাশের লোকজন ও পুণ্যার্থীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত সটকে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জয় কুন্ডুর বাবা খোকন কুন্ডুর প্রত্যক্ষ মদদ ও প্রশ্রয়ে তার ছেলে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এলাকায় মেয়েদের নিয়মিত উত্ত্যক্ত (ইভটিজিং) করা, মন্দিরপ্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং কিশোর গ্যাং পরিচালনা করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে জয়ের বিরুদ্ধে। প্রভাবশালী বাবার ছায়াতলে থাকায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে অভিযুক্ত জয় কুন্ডুর সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে তার বাবা খোকন কুন্ডু সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খোকন কুন্ডু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভুল বোজাবুজি হয়েছিল। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা মিমাংশা করে দিয়েছে। অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ রাসেল নিয়াজী বলেন, কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আমাদের বরিশাল ডটকম -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
(মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। amaderbarisal.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের মিল আছেই এমন হবার কোনো কারণ নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে amaderbarisal.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নেবে না।)
বরিশালের নদ-নদীতে ইলিশের দেখা, মা মাছ নিয়ে শঙ্কা