বিসিসি নির্বাচন: ম্যাজিস্ট্রেট কমিয়ে দেওয়ায় কামালের উদ্বেগ
বরিশাল :: নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ায় নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনে আন্তরিক নয় বলেই এমনটি করেছে বলে দাবি তার।
শুক্রবার রাত ৮টায় একটি জাতীয় দৈনিকের ব্যুরো অফিসে আয়োজিত জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিক সম্মেলনে কামালের নির্বাচন সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এমপি বলেন, “সরকার প্রধান এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নির্বাচন নিয়ে স্বচ্ছতার আশ্বাসের প্রতিফলন নেই মাঠে। এখানে সরকারদলীয় প্রার্থীর রঙিন বড় আকারের বিলবোর্ড থাকলেও তা সরানো হয়নি। ভোটারদের মাঝে কালো টাকা বিতরণের অভিযোগ থাকলেও কমিশনের কোনো ব্যবস্থা নেই।”
নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বেছে বেছে নিজদলীয় প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “ইতোপূর্বে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আমরা ৫০ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের দাবি করেছিলাম। অথচ কমিশন মাত্র ১০ জন নির্বাহী ও ৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছে। এতো কম সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ১০০টি কেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নেতাকর্মীদের মারধোর, নিরীহ কর্মীদের ধরে নিয়ে অস্ত্র চালান দেওয়ার পাশাপাশি বিএনপি নেতাদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ-র্যাবের অভিযান, নির্বাচনী এজেন্টদের হুমকি, নগরীতে অস্ত্রধারী আওয়ামী মাস্তানদের যাতায়াত বাড়া, কেন্দ্রে নিযুক্ত পুলিশদের টাকা দেওয়া- এসব বিষয়ে কমিশন থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
সরোয়ার বলেন, “সিটি নির্বাচন এ সরকারের জন্য একটি এসিড টেস্ট। নির্বাচনে কোনো রকম অনিয়ম বা কারচুপি হলে বরিশালের জনগণকে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।”
এসময় বিএনপি ভাইস চেয়রম্যান বেগম সেলিমা রহমান, উত্তর জেলা বিএনপি সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সেনা মোতায়েনের দাবিও জানান।
সম্পাদনা: সেন্ট্রাল ডেস্ক |